• শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সিলেট খাদিম পাড়া বহর কলোনীতে ইয়াবার রমরমা ব্যবসা বুড়িচংয়ে কথিত কিশোর গ্যাং ‘বিকেজি’র লিডার ছাব্বির আটক বিশ্বব্যাপী বিভ্রাটে সাময়িকভাবে অচল ফেসবুক, ভোগান্তিতে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা দক্ষিণ সুরমায় মাদক ও জুয়ার আস্তানায় পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত তানোরে চা বিক্রেতার মেয়ের মেডিকেলের পড়া লিখা কি টাকার অভাবে বন্ধ হয়ে যাবে ? মধ্যনগরে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ভাবনা প্রদর্শনী ব্রাহ্মণপাড়ায় একাধিক মামলার আসামি শাহীন গ্রেপ্তার সিলেটে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: মাদক ও অস্ত্রসহ আটক শতাধিক সরকারি নির্দেশনা মেনে সকাল ১১টার আগে দোকান খুলছেন না নূরজাহান মার্কেটের ব্যবসায়ীরা মদিনার কাফেলা বাংলাদেশ-এর বাকশিমুল ইউনিয়ন কমিটি গঠন সভাপতি মাওলানা মিজানুর রহমান, সম্পাদক আদিল উদ্দিন ইউসুফ

বাঁধ ভেঙে এরনবিলে পানি প্রবেশ, কয়েকশো কৃষকের ক্ষতির আশংকা

Reporter Name / ১৪৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬

শিহাব মিয়া, মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:

টানা বৃষ্টিপাতের ফলে মধ্যনগরের সকল নদ-নদী ও হাওরের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। অতিরিক্ত পানি বৃদ্ধির কারণে উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের হামিদপুর-জামগড়া খালের ফসল রক্ষা বাঁধ ভেঙে এরনবিলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাতে বাঁধটি ভেঙে যায় বলে জানা গেছে।

এরনবিলে হামিদপুর, বাঘেরপাড়া, জয়পুর, হরিনাকান্দি, চাঁনপুর ও চান্দালিপাড়া গ্রামের কৃষকেরা প্রায় ৩৫০ একর জমিতে বোরো ধান চাষ করেছেন। কৃষকদের অল্প ধান কাটা হলেও পরিমাণে বেশি ধান এখনো কাটার বাকি আছে।

স্থানীয়রা জানান, এরনবিলে পানি প্রবেশের ফলে এখনো ১ থেকে দেড়শ একর জমির ধান ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। জামগড়া খালের বাঁধ ভেঙে প্রবেশ করা পানি এরনবিল হয়ে লুঙ্গা, তুঙ্গাসহ মুক্তারখলায় গিয়ে গড়াবে। যার ফলে কয়েক গ্রামের কৃষকের পাকা ধান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

হামিদপুর গ্রামের কৃষক করিম মিয়া জানান, আমি এরনবিলে ৫ কিয়ার জমিতে বোরো ধান চাষ করেছিলাম। এর মধ্যে ৩ কিয়ার জমির ফসল কেটে ফেলেছি, বাকি ২ কিয়ার এখনো কাটা হয়নি। এছাড়া অনেক কৃষক আছে যারা এখনো ধান কাটতেই পারেনি।

হরিনাকান্দি গ্রামের কৃষক দুলাল মিয়া বলেন, অনেক কষ্ট করে আমি ৪ কিয়ার জমিতে বোরোধান রোপণ করেছিলাম। এখন আমার এই জমির ধান কাটার উপযোগী হয়েছে। কিন্তু প্রতিদিন বৃষ্টির কারণে কাটতে পারছি না। শ্রমিকও পাওয়া যাচ্ছে না। এখন বাঁধ ভেঙে এরনবিলে পানি ঢুকছে, এতে আরও ভয় কাজ করছে। যদি পানিতে তলিয়ে যায়, তাহলে আমার সব শেষ হয়ে যাবে।

এদিকে মধ্যনগর উপজেলা কৃষি উপপরিদর্শক আকমল হোসেন বলেন, যাদের ধান এখনো কাটা হয়নি, তারা যেন দ্রুত ধান কেটে নেন। বর্তমানে বৃষ্টিবলয় ‘ঝুমুল’ সক্রিয় থাকায় আগাম বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

উপজেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্চয় ঘোষ বলেন, ধান ৭০-৮০% পেকে গেলেই কেটে ফেলতে হবে। এবছর হাওরাঞ্চলে নানাবিধ সমস্যা দেখা দিয়েছে। তার ওপর বৃষ্টিবলয় ‘ঝুমুল’-এর কারণে আগাম বন্যার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই দ্রুত পাকা ধান কাটার বিকল্প নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd