• রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
কামরাঙ্গীরচরে বাসায় চুরির অভিযোগ, একজন আটক—অন্যজন পলাতক বুড়িচং.পারুয়ারা আবদুল মতিন খসরু কলেজের বার্ষিক দোয়া ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে সাংবাদিক পরিবারের ৩৪ শতক পৈত্রিক জমি দখলের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ তদন্ত চলছে ভান্ডারিয়া সমন্বিত কৃষিতে সফলতার দৃষ্টান্ত, বার্ষিক আয় প্রায় ১৫ লাখ এবারের বিশ্বকাপে কে হচ্ছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, জানিয়ে দিলেন ঘানার আলোচিত তান্ত্রিক স্বেচ্ছাশ্রমে বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশ: ৫০ হাজার স্বেচ্ছাসেবীর পরিচ্ছন্নতা আন্দোলন ‘বিডি ক্লিন’ এনসিপি নেত্রী সেজুতি হোসাইন এর আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগদান কারবালার প্রকৃত ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্তির আহ্বান:মইনীয়া যুব ফোরাম সভাপতি শাহজাদা সৈয়দ মাসুক-এ মইনুদ্দীন শহরের বিভিন্ন স্থানে আশুরার শোক মিছিল, কারবালার আত্মত্যাগ স্মরণ ফকিরহাটে নারকেল গাছের চারাসহ প্রণোদনা পেল ৮০০ কৃষক

ভান্ডারিয়া সমন্বিত কৃষিতে সফলতার দৃষ্টান্ত, বার্ষিক আয় প্রায় ১৫ লাখ

Reporter Name / ২৫ Time View
Update : শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

মো: মাসুম বিল্লাহ, পিরোজপুর প্রতিনিধিঃ

পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা মো: জাহিদ মাহমুদ সুমন সমন্বিত কৃষি চাষের মাধ্যমে এলাকায় সফলতার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
মাত্র ৮৮ শতক জমি নিয়ে ২০২২ সালে শুরু করা তার কৃষি উদ্যোগ মাত্র ৩ বছরের ব্যবধানে বিস্তৃত হয়েছে প্রায় ৫ একর জমিতে। বর্তমানে এই খামার থেকে বছরে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা আয় করে তিনি।
উপজেলার রাধানগর এলাকায় গড়ে তোলা এই সমন্বিত কৃষি প্রকল্পে কৃষি ও মৎস্য উৎপাদনের সমন্বয় ঘটানো হয়েছে। খামারটিতে রয়েছে ভারতীয় শাহী জাতের পেঁপে, আম, বাতাবি লেবু এবং বিভিন্ন প্রজাতির মাছের চাষ।
খামারের প্রধান আকর্ষণ ভারতীয় শাহী জাতের পেঁপে। প্রতিটি পেঁপের ওজন ৩ থেকে ৪ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি পেঁপে ৩৫ থেকে ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খামারে প্রায় ৪০০টি পেঁপে গাছ রয়েছে। প্রতিটি গাছ থেকে বছরে গড়ে প্রায় তিন হাজার টাকার পেঁপে বিক্রি হয়।
পেঁপে চাষের পাশাপাশি খামারের তিনটি পুকুরে তেলাপিয়া, পাঙাশ, রুই, কাতলা, গুলিশা ও গলদা চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করা হচ্ছে। এছাড়া রয়েছে আম ও বাতাবি লেবুর বাগান। কৃষি ও মৎস্য উৎপাদনের সমন্বয়ে খামারের লাভ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
খামারটিতে নিয়মিত পাঁচজন শ্রমিক কাজ করেন। ফলে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিনই ভান্ডারিয়াসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এই সমন্বিত কৃষি প্রকল্প পরিদর্শনে আসছেন।
তরুণ উদ্যোক্তা সুমন বলেন,সব খরচা বাদ দিয়েও বছরে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা লাভ থাকে। সঠিক পরিকল্পনা ও পরিশ্রম থাকলে কৃষিতেই সফল হওয়া সম্ভব।
ভান্ডারিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, সুমনের খামারটি সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থাপনার একটি সফল উদাহরণ। কৃষি অফিস থেকে তাকে সব ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তার উৎপাদিত পেঁপে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করার সম্ভাবনা রয়েছে।
সঠিক পরিকল্পনা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সার্বিক সহযোগিতা পেলে এই তরুণ উদ্যোক্তার হাত ধরে পিরোজপুরে সমন্বিত কৃষি চাষ আরো বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd