• সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
শ্রীপুর থানা প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি ঘোষণা: সভাপতি আশরাফুল, সম্পাদক ফরহাদ, সাংগঠনিক আশিকুর চৌহাট্টায় নির্মাণাধীন ট্রাফিক পুলিশ বক্সের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করলেন এসএমপি কমিশনার বাগেরহাটে মধুদিয়া ইচ্ছাময়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দুই দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত ভাণ্ডারিয়ায় জ্বালানি তেল সরবরাহ ও মূল্য স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ১৬ বছরের সংগ্রাম কাঁধে ঝাঁকা ডালি, স্বপ্ন শুধু পরিবারের সঙ্গে শেষ জীবন দৌলতখানে জেলেদের চালে ‘থাবা’ বরাদ্দ ৮০ কেজি, পেলেন মাত্র ৫০! আনোয়ারায় এখন তিনটি সার কারখানায় বন্ধ (ডিএপি) কুমিল্লার বুড়িচংয়ে অবৈধ অকটেন বিক্রি: জরিমানা, তেল জব্দ সিলেটের আলমপুর এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ০৫ জন গ্রেফতার! বুড়িচং প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ  ফুটবল টুর্নামেন্ট  অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণপাড়ায় সরকারি ওষুধ আত্মসাতের অভিযোগ, অভিযুক্ত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ শেখ হাসিবুর রেজা

Reporter Name / ৩৪৪ Time View
Update : সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬

মোঃ শাহজাহান বাশার

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারি বরাদ্দের ওষুধ না কিনে প্রায় ১৯ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ শেখ হাসিবুর রেজা-এর বিরুদ্ধে। কাগজে-কলমে ওষুধের ক্রয় দেখালেও বাস্তবে রোগীরা তা পাচ্ছেন না, যা স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষের সৃষ্টি করেছে।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের নন-ইডিসিএল ওষুধের বরাদ্দ থাকলেও তা নির্ধারিত সময়ে সংগ্রহ করা হয়নি। অথচ সরকারি বিল, ভাউচার ও দাপ্তরিক নথিতে দেখানো হয়েছে, হাসপাতাল সম্পূর্ণ ওষুধ কিনেছে। দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের ওষুধ সংকট প্রকট হওয়ার কারণে বিষয়টি উত্থাপিত হয়েছে।

হাসপাতালের একাধিক কর্মকর্তা, যারা নাম প্রকাশ করতে চাননি, জানান, কাগজে পর্যাপ্ত ওষুধ দেখালেও বাস্তবে রোগীরা তা পাচ্ছেন না। এতে দরিদ্র ও অসহায় রোগীরা গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তারা দোষীদের শাস্তি এবং সরাসরি তদন্ত দাবি করছেন।

প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিদিন শত শত নারী, পুরুষ, শিশু ও বৃদ্ধ চিকিৎসা নিতে আসেন। সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে ওষুধ পাওয়ার আশা নিয়ে এসে প্রায়শই খালি হাতে ফিরে যেতে হচ্ছে, যা রোগীদের জন্য মারাত্মক হানিকারক। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি ওষুধ না থাকায় চিকিৎসকরা রোগীদের দামি কোম্পানির প্রেসক্রিপশন দিচ্ছেন, যা অনেকের পক্ষে কেনা সম্ভব নয়।

একজন কর্মচারী বলেন, “বাস্তবে মাত্র এক লাখ টাকার মতো ওষুধ কেনা হয়েছে। যারা সত্য বলবে, তাদের বদলি বা শোকজ করা হয়।” স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, “সরকারি হাসপাতাল থেকে কোনো ওষুধ পাওয়া যায় না, বাইরের বাজার থেকে কিনে খেতে হবে।”

রিকশাচালক জুলহাস মিয়া বলেন, “টাইফয়েড ধরা পড়ার পর শুধু প্যারাসিটামল দেওয়া হয়েছে। বাকি ওষুধ সব কিনে খেতে হয়েছে। যদি সবই কিনে খেতে হয়, তাহলে চিকিৎসা করব না, ভাত খাব।”

অভিযোগের বিষয়ে ডা. হাসিবুর রেজা বলেন, “আমি কোনো অর্থ আত্মসাৎ করিনি। সব নিয়ম মেনে কাজ হয়েছে। কিছু মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।”

কুমিল্লা সিভিল সার্জন আলী নূর মোহাম্মদ বশীর আহমেদ বলেন, “টেন্ডার হওয়ার পর ওষুধ কেনা হয়েছে বলে জানি। যদি না কেনা হয়ে থাকে, তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগামী সপ্তাহে আমি সরজমিনে তদন্ত করব।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd