• বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সততা ও কর্মের প্রতি শ্রদ্ধাবোধই মানুষের শ্রেষ্ঠ পরিচয় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে দলীয়করণ নয়, বাদ যাবে না কোনো পরিবার,,,,,,,,গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর নাগেশ্বরীতে ত্যাগী তৃণমূল বিএনপির বিক্ষোভ, ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দক্ষিণ সুরমায় পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবকের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা, অল্পের জন্য রক্ষা ভাণ্ডারিয়ায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত মিথ্যা সংবাদ আর ভিত্তিহীন অপপ্রচারের নির্মম শিকারে পরিনত হয়েছে গৌরিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব হাবিবুর রহমান ভাণ্ডারিয়ায় বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজির পূজামণ্ডপ পরিদর্শন নাগেশ্বরীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহ বিষয়ে সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত রাইস ট্রান্সপ্লান্টারে আধুনিক ধান চাষ: ডুমুরিয়ায় মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হাটহাজারীতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রমশন দিবস পালিত

ব্রাহ্মণপাড়ায় সরকারি ওষুধ আত্মসাতের অভিযোগ, অভিযুক্ত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ শেখ হাসিবুর রেজা

Reporter Name / ৬১৪ Time View
Update : সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬

মোঃ শাহজাহান বাশার

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারি বরাদ্দের ওষুধ না কিনে প্রায় ১৯ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ শেখ হাসিবুর রেজা-এর বিরুদ্ধে। কাগজে-কলমে ওষুধের ক্রয় দেখালেও বাস্তবে রোগীরা তা পাচ্ছেন না, যা স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষের সৃষ্টি করেছে।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের নন-ইডিসিএল ওষুধের বরাদ্দ থাকলেও তা নির্ধারিত সময়ে সংগ্রহ করা হয়নি। অথচ সরকারি বিল, ভাউচার ও দাপ্তরিক নথিতে দেখানো হয়েছে, হাসপাতাল সম্পূর্ণ ওষুধ কিনেছে। দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের ওষুধ সংকট প্রকট হওয়ার কারণে বিষয়টি উত্থাপিত হয়েছে।

হাসপাতালের একাধিক কর্মকর্তা, যারা নাম প্রকাশ করতে চাননি, জানান, কাগজে পর্যাপ্ত ওষুধ দেখালেও বাস্তবে রোগীরা তা পাচ্ছেন না। এতে দরিদ্র ও অসহায় রোগীরা গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তারা দোষীদের শাস্তি এবং সরাসরি তদন্ত দাবি করছেন।

প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিদিন শত শত নারী, পুরুষ, শিশু ও বৃদ্ধ চিকিৎসা নিতে আসেন। সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে ওষুধ পাওয়ার আশা নিয়ে এসে প্রায়শই খালি হাতে ফিরে যেতে হচ্ছে, যা রোগীদের জন্য মারাত্মক হানিকারক। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি ওষুধ না থাকায় চিকিৎসকরা রোগীদের দামি কোম্পানির প্রেসক্রিপশন দিচ্ছেন, যা অনেকের পক্ষে কেনা সম্ভব নয়।

একজন কর্মচারী বলেন, “বাস্তবে মাত্র এক লাখ টাকার মতো ওষুধ কেনা হয়েছে। যারা সত্য বলবে, তাদের বদলি বা শোকজ করা হয়।” স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, “সরকারি হাসপাতাল থেকে কোনো ওষুধ পাওয়া যায় না, বাইরের বাজার থেকে কিনে খেতে হবে।”

রিকশাচালক জুলহাস মিয়া বলেন, “টাইফয়েড ধরা পড়ার পর শুধু প্যারাসিটামল দেওয়া হয়েছে। বাকি ওষুধ সব কিনে খেতে হয়েছে। যদি সবই কিনে খেতে হয়, তাহলে চিকিৎসা করব না, ভাত খাব।”

অভিযোগের বিষয়ে ডা. হাসিবুর রেজা বলেন, “আমি কোনো অর্থ আত্মসাৎ করিনি। সব নিয়ম মেনে কাজ হয়েছে। কিছু মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।”

কুমিল্লা সিভিল সার্জন আলী নূর মোহাম্মদ বশীর আহমেদ বলেন, “টেন্ডার হওয়ার পর ওষুধ কেনা হয়েছে বলে জানি। যদি না কেনা হয়ে থাকে, তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগামী সপ্তাহে আমি সরজমিনে তদন্ত করব।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd