শাহপরান ক্রাইম রিপোর্টার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন তরুণ শিক্ষানুরাগী ও সংগঠক বিনি ইয়ামিন মোল্লা। সততা, নেতৃত্বগুণ ও শিক্ষার্থীবান্ধব ভূমিকার কারণে ইতোমধ্যেই তিনি সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।
শিক্ষার্থীদের দাবি-দাওয়া তুলে ধরা, অধিকার প্রতিষ্ঠা করা এবং একটি স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়েই প্রার্থী হয়েছেন তিনি। তার মতে— “ডাকসু হবে শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বর, ন্যায় ও পরিবর্তনের মঞ্চ।”
ছাত্রসমাজ বিশ্বাস করে, বিনি ইয়ামিন মোল্লার নেতৃত্বে ডাকসু আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে এবং শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।“শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা ও উন্নত শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমার অঙ্গীকার। দীর্ঘদিন ছাত্র রাজনীতির সাথে যুক্ত থেকে তিনি শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি আদায়ে কাজ করে — “ডাকসু হবে শিক্ষার্থীদের কল্যাণের প্রকৃত মঞ্চ।”
বিনি ইয়ামিন মোল্লা। তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধান, অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং একটি স্বচ্ছ নেতৃত্ব গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য।” ছাত্রসমাজ আশাবাদী, তার নেতৃত্বে ডাকসু হবে গণতান্ত্রিক চর্চার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ ছাত্রনেতা **বিনি ইয়ামিন মোল্লা** শিক্ষার্থীদের অধিকার আন্দোলনে সোচ্চার থাকার কারণে একাধিক মামলা, গ্রেফতার, রিমান্ড ও কারাবাসের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন।
### ২০২১ সালের ঘটনা
২০২১ সালের মার্চে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে বিন ইয়ামিন মোল্লার বিরুদ্ধে মামলা হয়। ওই সময় তাঁকে গ্রেফতার করে আদালতে তোলা হলে আদালত **২ দিনের রিমান্ড** মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয় এবং কয়েক মাস কারাগারে থাকতে হয়।
# ২০২৩ সালের ঘটনা
২০২৩ সালের আগস্ট মাসে গণঅধিকার পরিষদের আন্দোলনের সময় আরও দুটি মামলায় জড়িয়ে দেন আওয়ামী লীগ সরকার
– **২ আগস্ট:** বেআইনি সমাবেশ ও মামলায় গ্রেফতার হলেও পরে জামিন পান।
– **৭ আগস্ট:** মতিঝিল থানার আরেক মামলায় গোয়েন্দা পুলিশ তাঁকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত শুনানি শেষে **১ দিনের রিমান্ড** মঞ্জুর করেন।
সহপাঠী ও সংগঠনের নেতাকর্মীদের মতে, ছাত্রনেতা বিনি ইয়ামিন মোল্লার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এসব মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আন্দোলনকে দমিয়ে রাখতেই তাঁকে বারবার হয়রানির শিকার করা হয়েছে।
তারা আরো বলেন, আওয়ামী লীগ ছাত্রলীগের হাতে আরো অনেক নির্যাতিত হয়।
বারবার মামলা, রিমান্ড ও কারাবাসের মধ্য দিয়েও শিক্ষার্থীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন থেকে সরে আসেননি বিনি ইয়ামিন মোল্লা। তাঁর নেতৃত্বে তরুণ প্রজন্ম নতুন উদ্দীপনা নিয়ে ভবিষ্যতের রাজনীতিতে পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখছে।
। শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়, ক্যাম্পাসে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং গণতান্ত্রিক চর্চার প্রসারে তিনি সবসময় সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন।

শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষার আন্দোলনে যুক্ত থেকে পরিচিতি লাভ করেন। সততা, সাহসিকতা ও নেতৃত্বগুণ তাঁকে ছাত্রসমাজের আস্থার জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে।
সহপাঠী ও অনুসারীদের মতে, বিনি ইয়ামিন মোল্লা একজন আদর্শবান, ন্যায়নিষ্ঠ এবং নির্ভীক ছাত্রনেতা, যিনি সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ান। তাঁর নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীরা নতুন আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বস্তরের শিক্ষার্থীরা মনে করেন, ছাত্রনেতা বিনি ইয়ামিন মোল্লার মতো তরুণ নেতৃত্বই পারে আগামী দিনের শিক্ষাঙ্গনকে দুর্নীতি, সেশনজট ও বৈষম্যমুক্ত একটি আদর্শ ক্যাম্পাসে রূপ দিতে।