মোঃ মাকিবুর রহমান
বিশেষ প্রতিনিধ :
ডাকসু নিয়ে একটা প্রচ্ছন্ন আগ্রহ আগে থেকেই ছিল। তবে বিবিধ কারণবশত ডাকসুর কোনো পদে লড়তে মন সায় দিচ্ছিল না। তারপর ভেবে দেখলাম বিশ্ববিদ্যালয়কে দেওয়ার মতো আমার আসলে অনেককিছুই আছে। জ্ঞানত অন্যায়ের সাথে আপোস আমি কখনো করিনি, হলফ করে বলতে পারি– রব চাহে তো কখনোই তা করবোও না।
ছেলেবেলায় কোনো এক সিনেমার নায়ককে বলতে শুনেছিলাম, “রাজনীতি যে একটা নোংরা নর্দমা এ সকলেই জানে। কিন্তু সেই নর্দমায় নেমে নোংরাটুকু পরিষ্কার করার চেষ্টা কেউ করে না।”
যদি নির্বাচিত হই তবে সেই প্রচেষ্টা অবশ্যই করবো।

ব্যাসবাক্যে পড়েছি রাজনীতি অর্থ হলো রাজার নীতি। আমার প্রথম ইশতেহার– চব্বিশ পরবর্তী এই সময়ে রাজার নীতি নয়, রাজনীতিকে গণমানুষের নীতিতে পরিণত করার।
প্রাধান্য দেব ক্যাম্পাসে উদ্বাস্তু, পাগল, ভিক্ষুক ও নেশাখোরদের উৎখাত করাতে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ যাতে বেড়াতে যাওয়ার উদ্যান হিসেবে ব্যবহৃত না হয় সেই লক্ষ্যে থাকবো অঙ্গীকারবদ্ধ।
আবাসন, খাদ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য– সর্বোপরি শিক্ষার্থীদের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে আমার কণ্ঠ থাকবে অটুট।
ডাকসুতে আমি একাধিক প্যানেল থেকে নির্বাচন করার আহ্বান পেয়েছি। কিন্তু স্বতন্ত্র করার একটা বড় কারণ আমি সাধারণ শিক্ষার্থীদের অংশ হয়ে তাদের জন্য কাজ করতে চাই। মূলত রাজনৈতিক বলয়ের বাইরে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব করাই আমার লক্ষ্য। আমার ম্যান্ডেট সাধারণ শিক্ষার্থীদের আশা আকাঙ্ক্ষা

ইতোমধ্যে বিভিন্ন দলের টার্গেটে পরিণত হয়েছি। কমেন্ট সেকশনে অনেকে অনেক নোংরা মন্তব্য করছে, আজেবাজে কথা লিখছে।
আমি স্পষ্ট বলে দিতে চাই, এসবের কিছুই আমাকে দমাতে পারবে না। শিক্ষার্থীরা যদি তাদের হয়ে কাজ করার জন্য আমাকে যোগ্য মনে করে তাহলে নিশ্চয়ই আমি নির্বাচিত হব।
সর্বশেষ, আপনাদের সবার কাছে দোয়ার দরখাস্ত।
উম্মা উসওয়াতুন রাফিয়া
সেশন ২০২২-২০২৩
ডাকসু কেন্দ্রীয় সদস্য পদপ্রার্থী।