স্টাফ রিপোর্টার সেলিম রেজা
কে এই ইসরাফিল,মানুষ ও মানবতার কল্যাণে নিয়ন্ত্রিত চেতনা আর ধর্মীয় গুনে গুণান্বিত ইসরাফিল হোসেন যেন ধামসোনা ইউনিয়নের মানবতার এক ফেরিওয়ালা। হিংসা অহংকার আর লোভলালসার শেকল ছিঁড়ে মানবিক ইসরাফিল হোসেন নিজেকে বিলিয়ে রেখেছেন মানুষ ও মানবতার ডাকে প্রতিদিন প্রতিনিয়ত। ধর্মবর্ণ জাতপাত উঁচুনিচু কোন ভেদাভেদ না রেখে যেকোনো বিপদেআপদে দিনরাত কাজ করে যাওয়া ইসরাফিল হোসেন ঢাকার সাভার উপজেলার আশুলিয়া থানার ধামসোনা ইউনিয়নের ৬ নং ওযার্ড ভাদাইল এলাকার দেলোয়ার হোসেন দিলুর সন্তান।
৪২ বছর বয়সী ইসরাফিল হোসেন অনেক আগেই নিজ তহবিলে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত করেছেন যেখানে প্রায় ৯ শো ছাত্রছাত্রী ধর্মীয় আদর্শে পড়াশোনা করছেন। আশুলিয়ার ভাদাইলে কয়েক বিঘা জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত সেই মাদ্রাসায় এতিম দুঃখী থেকে শুরু করে সামাজিক সুযোগ সুবিধা বঞ্চিত সকল ছাত্রছাত্রীদের আবাসিক এর ব্যবস্থা বিনা খরচে ধর্মীয় শিক্ষার ব্যবস্থা করে নিজেকে উদারতার এক জ্বলন্ত উদাহরণ ইসরাফিল হোসেন আজ আশুলিয়া ধামসোনা ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি মানুষের কাছে এক প্রতিষ্ঠিত নাম।
সুপ্রতিষ্ঠিত সেই মাদ্রাসায় গেলেই শুনতে পাওয়া যায় কুরআনের পাখিদের মধুর সুরে কুরআন তিলাওয়াত। রয়েছে খেলাধুলার জন্য খোলা মাঠ।
প্রাচুর্যে ভরা জৌলুস জীবনযাপন থেকে নিজেকে দূরে রেখে একদম সাদামাটা ইসরাফিল হোসেনের কাছে মানুষের জন্য কিছু করতে পারাটাই যেন তার সৌভাগ্য। অভাব-অনটন আর চিকিৎসা বঞ্চিত যেকোন মানুষ তার কাছে কখনও খালি হাতে ফেরেনা। আশ্চর্যের বিষয় হলো, বর্তমান প্রেক্ষাপটে যেখানে ছোটখাটো কোন নেতার কাছে পৌঁছাতে সাধারণ মানুষের হিমসিম খেতে হয়, সেখানে ইসরাফিল হোসেনের কাছে যেতে সময় নির্ধারণ করে নিতে হয়না। যেকোন মানুষ তার কাছে গিয়ে তাদের সমস্যার কথা মন খুলে বলতে পারেন।
ইসরাফিল হোসেনের সার্বিক সহযোগিতা আর নিজ খরচে ভাদাইল প্রাইমারি ক্লাবের উদ্দ্যোগে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে শত বাধাবিপত্তি ডিঙিয়ে তৈরি করেছেন যাত্রী ছাউনি, যার সুবিধা ভোগ করছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। আগে যেখানে ছিল চাঁদাবাজীর আখড়া সেখানেই আজ যাত্রীদের বিশ্রামের এক নিবিড় পরিবেশ তৈরি করে ইসরাফিল হোসেন মন কেড়েছেন সকলের।
ঘনবসতিপূর্ণ ভাদাইলের রাস্তাঘাট তথা ধামসোনা ইউনিয়নের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ইসরাফিল হোসেন এর চিন্তা সত্যিই এক চমৎকার উদাহরণ।