• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সিলেটের দক্ষিণ সুরমা এলাকার কিনব্রিজের নিচে সুইপার কলোনী যেন ধীরে ধীরে পরিণত হচ্ছে মাদকের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে   ডিবি (উত্তর) অভিযানে ১ কেজি ৫০০গ্রাম গাঁজাসহ ৪ জন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আশুলিয়া জামগড়ার শীর্ষ সন্ত্রাসী হিমেল মীরকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪ বুড়িচং এ ৪৭তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত রাজশাহীর তানোরে বাম্পার বোরো ফলন সোনালী স্বপ্নে বিভোর কৃষক, তবে দুশ্চিন্তায় বাজার ও মৎস্যজীবীরা বিদায় অনুষ্ঠানে আবেগঘন মুহূর্ত, ভান্ডারিয়ায় সংবর্ধিত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকবৃন্দ আনোয়ারায় তীব্র বিদ্যুৎ সংকট, দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা! ডিবি (উত্তর)-এর পৃথক অভিযানে ১.৫ কেজি গাঁজাসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আনোয়ারায় সংস্কারের অভাবে বেহাল দশা সড়কের, জনদুর্ভোগের শেষ নেই অনলাইন গণমাধ্যমের ভূমিকা: সম্ভাবনা, সংকট ও দায়বদ্ধতার নতুন দিগন্ত

সিলেটের দক্ষিণ সুরমা এলাকার কিনব্রিজের নিচে সুইপার কলোনী যেন ধীরে ধীরে পরিণত হচ্ছে মাদকের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে  

Reporter Name / ৭৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬

দক্ষিণ সুরমা থানা প্রতিনিধি সিলেটঃ

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন দিন-রাত এখানে প্রকাশ্যে চলছে ইয়াবা, গাঁজা ও দেশীয় মদের বেচাকেনা, আর এ নিয়ে প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেই।

অভিযোগ রয়েছে, সুইপার কলোনীর একটি সরকারি ঘরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে এই মাদক বাণিজ্য। সেখানে দীর্ঘদিন ধরে নান্টু লাল নামে এক ব্যক্তি তার সহযোগীদের নিয়ে অবাধে মাদক বিক্রি করে আসছেন। স্থানীয়দের দাবি, দিনের আলো থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সেখানে মাদকসেবীদের আনাগোনা লেগেই থাকে, যা এলাকার স্বাভাবিক পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একসময় এলাকাটি শান্ত ছিল। কিন্তু এখন মাদক ব্যবসার বিস্তারের কারণে চুরি, ছিনতাইসহ ছোট-বড় অপরাধ বেড়ে গেছে। পরিবার-পরিজন নিয়ে নিরাপদে বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে যুবসমাজ মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ায় অভিভাবকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, নান্টু লাল দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবসা চালিয়ে আসলেও তার বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং নান্টুলাল এখন আরো বেপরোয়া , তার সাথে বিললু লাল, রিপন লাল তাদের মাদকের রাজ্য ও ছোবল থেকে রক্ষা পাচ্ছে না যুবক ও কিশোররা। সাগর, ইমন ও স্বপনের ইয়াবা ব্যবসায় আসক্ত যুবসমাজ।

নান্টুলাল অতীতে মাদকসহ আটক হলেও রহস্যজনক কারণে তিনি দ্রুত ছাড়া পেয়ে আবারও একই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারি ঘরটি ব্যবহার করে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে, যা আইনের দৃষ্টিতে গুরুতর অপরাধ। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী ইয়াবা, গাঁজা ও অন্যান্য মাদকদ্রব্যের সংরক্ষণ, বিক্রয় ও পরিবহন শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এছাড়া সরকারি সম্পত্তি অবৈধভাবে ব্যবহার করাও দণ্ডনীয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিষয়টি একাধিকবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হলেও কার্যকর কোনো অভিযান পরিচালনা করা হয়নি। ফলে এলাকাবাসীর মধ্যে হতাশা বাড়ছে। তারা দ্রুত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে এলাকা থেকে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড নির্মূলের দাবি জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, প্রশাসন দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে কিনব্রিজের নিচের এই মাদক আস্তানাকে উচ্ছেদ করবে এবং এলাকাকে অপরাধমুক্ত করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd