• বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সুন্দর প্রত্যাবর্তন বিশ্বকাপে লজ্জার রেকর্ড গড়লেন মেসি ষড়যন্ত্র মূলক অপপ্রচারের শিকার ঝালকাঠির নবাগত পুলিশ সুপার বদরুল আলম তানোরে তসলিমা ইলেক্ট্রনিক্স ও ওয়ালটন শোরুমে জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আমিন খান সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মুরগিটোলায় জবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১৩ তানোরে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপন বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভান্ডারিয়ায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত রাজধানীতে শাহাদাত-এ কারবালা মাহফিল মোহাম্মদপুরে সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার দৈনিক যুগান্তর বাংলাদেশের দুই সাংবাদিক

আওয়ামী ফ্যসিসের তৈরি লোকমান পুলিশ ও ডিবির নামে চাঁদাবাজীতে আবার ও চেষ্টা।

Reporter Name / ২৮০ Time View
Update : রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৫

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

 

আওয়ামী ফ্যসিসের তৈরি লোকমান সিলেট নগরীতে পুলিশের সদস্য পরিচয়ে চাঁদ বাজী করে দাবিয়ে বেড়িছে পনের বছর লোকমান নামের এই চাঁদ বাজ কে সবাই তাকে পুলিশের ক্যাশিয়ার হিসাবে চিনে ওজানে। আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সময় আওয়ামী লীগের দালালী ও ছএ ছায়ায় থেকে নগরীর সুরমা মাকেট কুদরত উল্লাহ মাকেট হাসান মাকেট সিটি মাকেট লালবাজার জিন্দ বাজার সহ আশপাশের সকল মাকেটের সামনের ফুটপাতে পুলিশ ও ডিবির নামে চাঁদা উত্তোলন করতো লোকমান। তার বিরুদ্ধে কোন সাংবাদিক কিংবা কোনো প্রতিবাদী মানুষ প্রতিবাদ করলে মিথ্যা ওসাজানো মামলায় জেল হাজতে যেতে হত। পুলিশের সাথে সখ্যতা থাকায় যে কোন ব্যবসায়ী বাধ্য হত।
কে এই লোকমান।
খোঁজ নিয়ে জানা যায় প্রায় ২০ বছর আগে কুমিল্লা থেকে সিলেট নগরীতে এসেছিল কাজের সন্ধানে। এসে নিজে ফুটপাতে পাপোশের ব্যবসা শুরু করে তার লেখা পড়া না থাকলেও সে খুব দুরন্দর চালাক ফুটপাতে নিজে ব্যবসা করার সুবাদে প্রথমে ফুটপাতে হকারদের কাছ থেকে দৈনিক চাঁদা তুলে বন্দরবাজার ফাঁড়িতে দিতো সেই থেকে সে বন্দরবাজার ফাঁড়ির খুব বিশ্বস্ত লোক হয়ে যায় বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির বিতর্কিত ইনচার্জ রায়ান হত্যার মূল আসামি আকবর এসআই আকবর তাকে পুলিশের নামে ফুটপাতে দৈনিক বকরা আদায়ের সুযোগ করে দিয়েছিল। আকবর জেলে থাকায় কিছুদিন লোকমান খুব অর্থ কষ্টের দিনকাল কাটাচ্ছিল লোকমান। পরবর্তীতে আবার নিজের প্রতারণার মেধায় ফিরে যায় আসল জায়গায়। তখন থেকেই তারা আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি শাহপরান এলাকায় জায়গা কিনে তৈরি করেছে বিশাল বাড়ী প্রতিদিন সন্ধ্যায় ফেরিওয়ালা বা ফুটপাতের দোকানদারের কাছ থেকে পুলিশ ডিবির নাম করে যে পরিমাণ টাকা সে উত্তোলন করত তা দেখলে যে কারো মাথা নষ্ট হওয়ার মত।
সে পুলিশ ও ডিবির বিশ্বস্ত সোর্স হিসেবে দীর্ঘ আওয়ামী লীগের কয়েক বছর ধরে কাজ করায় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও তাকে সমীহ করে কথা বলতেন কারন সে পুলিশের হয়ে কাজ করে আবার আওয়ামী লীগের দালালী করতো লোকমান কখন ও নিজেকে পুলিশে সদস্য আবার কখন ও ডিবির সদস্য পরিচয়ে নিজেকে জাহির করতো।
সিলেট সিটির ভিতরে যত ফুটপাত আছে যত জোয়ার বোর্ড ছিল যত হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ হত সব কিছু থেকে চাঁদ আদায় করতো এবং কিছু আওয়ামী লীগের দুষ্কৃতী কারী কিছু পুলিশ ছিল তাদের মেনেজ করে এসব করতো আওয়ামী সরকারের আমলে লোকমান ভারতীয় চিনি কসমেটিক চোরাচালানির লাইনম্যান হিসেবে কাজ করেছে বলে বিশ্বস্ত একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। লোকমানের আন্ডারে বহু ধরনের অপরাধী আছে যার মধ্যে মোবাইল চিনতাই কারী সি এন জিতে করে যারা চিনতাই করে মোট কথা সিলেট সিটির যত দরনের অপরাদী চক্র আছে সবার সাথে সে জড়িত।সে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যুবলীগের নেতা হিসাবে পরিচয় দিত এবং আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে সোর্স গিরি করে বিএনপি জামাতের অনেক নেতাকর্মীকে পুলিশে ধরিয়ে দিয়ে কামিয়েছে লাখ লাখ টাকা। আবার অনেককে ধরিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে হাতিয়ে নিয়েছে মোটা অংকের টাকা। ৫ আগস্টে আওয়ামী লীগের সাথে সেও পালিয়ে গিয়েছিল দীর্ঘদিন তাকে সিলেট শহরে দেখা যায় নাই কিন্তুু হঠাৎ করেই সে আবার সিলেট শহরে হাজির শুধু শহরে না বন্দরবাজার ফাড়ি ও কোতোয়ালি থানায় সব সময় থাকে দেখা যাচ্ছে সকল অপরাধী দের অপকর্মের সুযোগ করে দিতে লোকমান খুব তৎপর আশ্চর্যজনক বিযয় যেখানে আওয়ামী লীগের বড় বড় নেতা ও বহু সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীরা এলাকা ছাড়া দেশ ছাড়া কিন্তুু আওয়ামী লীগের দুসর লোকমান আবার থানা ফাড়ী দাবিয়ে বেড়াচ্ছে কি এমন বিশাল শক্তি আছে লোকমানের যে এখন ও সে থানা ফাড়িতে দাবিয়ে বেড়াচ্ছে গত রাত ১১.৫০ মিনিটে তাকে কতোয়ালী থানার ভিতর গুরাগুরি করতে দেখা যায়।
এ ব্যপারে লোকমানের বক্তব্য জানতে চাইলে নিউজ না করার দাবি জানিয়ে বলেন ভাই নিউজ করে লাভ নেই আমার সাথে হাত মিলান আপনিও ভালো টাকা পাবেন নিউজ করে কোন লাভ হবে না আমি প্রশাসন ম্যানেজ করি অবৈধ ব্যবসায়ীদের লাইন ঘাট করে দেই। ৫ আগস্টের পরে ভুক্তভোগীরা ভেবেছিল এই মনে হয় লোকমান নামের এক চাঁদ বাজ এর হাত থেকে রক্ষা পেলাম কিন্তুু এখন দেখা যায় চাঁদ বাজ লোকমান আবার এই ৩৬০ আউলিয়ার স্মৃতি বিজড়িত পণ্যভূমি সিলেটের পবিত্রতা নষ্ট করতে এবং অপরাধী দের অপকর্মের পূর্ণবাসন করতে সিলেটে হাজির। লোকমানের অপরাধ জগতের অপরাধ করার সুযোগ যে বা যারা করে দেওয়ার চেষ্টা করবে তাদের ও আইনের আওতায় আনা হোক।
পরিশেষে একটা প্রশ্ন রাখব।
প্রতারক চাঁদাবাজ লোকমান তো পুলিশ প্রশাসনের কেউ না তাহলে সে কি করে থানা ফাড়িতে এখনো ঘোরাঘুরি করে সে যে দরনে অপরাধের সাথে জড়িত ঠিক একই রকম অপরাধের কারনে বহু সরকারী কমকর্তা কমচারিরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে আর লোকমানের মত অপরাধীরা কি সরকারের থানা ফাঁড়িতে গুরবে এটা মেনে নেওয়া কি ৫ আগষ্টের সাথে বেইমানি না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd