কামরুল হাসান জুলহাস ::
সিলেট জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে জাল বিবাহ নিবন্ধনের মাধ্যমে ৬৫ লাখ টাকার ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর শাহজাদা রিয়াদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি জেলা রেজিস্ট্রারের নিকাহ আইডি ব্যবহার করে মন্ত্রণালয়ে তিনটি জাল আবেদন পাঠান। মন্ত্রণালয় যাচাই করে আবেদনগুলো জাল প্রমাণিত হলে তা বাতিল করে দেয়।
এতে ক্ষুব্ধ হয়ে রিয়াদ জেলা রেজিস্ট্রার মো. জহুরুল ইসলামের কক্ষে ঢুকে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নিতে গেলে অফিসে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পরে সহকর্মীরা রেজিস্ট্রারকে উদ্ধার করেন।
অফিস সূত্রে জানা গেছে, রিয়াদ লন্ডন ও পর্তুগালের তিন প্রবাসীর কাছ থেকে মোট ৬৫ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন। রেজিস্ট্রারের আইডির পাসওয়ার্ড জেনে তিনি এসব আবেদন পাঠান।
শাহজাদা রিয়াদ আগে দলিল লেখক ছিলেন এবং রাজনৈতিক তদবিরে ২০১৮ সালে চাকরিতে যোগ দেন। অতীতে বিভিন্ন অনিয়মের কারণে তিনি একাধিকবার বদলিও হন।
একাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীর অভিযোগ—রিয়াদ ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ করেন না; বদলি, পদোন্নতি ও কাবিননামা সত্যায়নে লাখ লাখ টাকা লেনদেন করেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে রিয়াদ বলেন, “আমি আবেদন পাঠাইনি, এটা স্যারের আইডি থেকে গেছে।”
অন্যদিকে জেলা রেজিস্ট্রার জানান, “রিয়াদ আমার পাসওয়ার্ড জেনে তিনটি আবেদন পাঠিয়েছে। বিষয়টি মন্ত্রণালয় ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।”