• মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
নাগেশ্বরীতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন গণসংহতি আন্দোলনের কুড়িগ্রাম জেলা আহ্বায়ক সাইফুর রহমান দুলাল ​ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভনে বিধবার স্বর্নালংকার হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর — প্রতিমন্ত্রী সোহেল মনজুর নাগেশ্বরীতে প্রধানমন্ত্রীর শারদীয় দুর্গোৎসবের উপহার সামগ্রী বিতরণ কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলায় অর্ধশতাধিক পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন জেলা ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ সান্তাহার স্টেডিয়াম আধুনিকায়নের উদ্যোগ, পরিদর্শনে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রকৌশলী আমতলীতে চাওড়া নদীর কচুরিপানা অপসারণ বন্ধ কেন, জানতে চেয়ে জনতার সমাবেশ বিয়ের আগের দিন বর সৌমিকের মৃ/ত্যু, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ পরিবারের বেলকুচিতে রাস্তার পাশে তালগাছের চারা ও বীজ রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন – পোরশায় পূজার ছুটিতে বাড়ি ফেরার পথে দস্যুতা, ২৪ ঘণ্টায় দুই আন্তজেলা ডাকাত গ্রেপ্তার

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে অর্থ আত্মসাতের মামলায় ব্যবস্থাপক রিজওয়ানা ফারজানা আবারো গ্রেপ্তার

Reporter Name / ৩৭৬ Time View
Update : সোমবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৫

সুকমল চন্দ্র বর্মন (পিমল)
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্সি শাখার ব্যবস্থাপক রিজওয়ানা ফারজানাক( ৩৫) কে গ্রহকের টাকা আত্মসাতের মামলায় আবারো গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বগুড়ার দুপচাঁচিয়ার তালোড়া এলাকা গতকাল রবিবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে আক্কেলপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গোলাম রব্বানী আজ সোমবার সকালে বলেন, গ্রেপ্তারকৃত রিজওয়ানা ফারজানাকে আদালতে পাঠানো হবে। মামলার আরও দুই আসামি পলাতক। পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

রিজওয়ানা আক্কেলপুর পৌর শহরের হাজিপাড়া মহল্লার বাসিন্দা। এজেন্ট ব্যাংক কার্যক্রম শুরুর পর থেকে তিনি আক্কেলপুর শাখায় কর্মরত। এজেন্ট ব্যাংকে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৫টি মামলা হয়েছে। আরও অন্তত ১০ থেকে ১২ জন গ্রাহক মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। এসব ভুক্তভোগীর দাবি, এখন পর্যন্ত তিন কোটির বেশি টাকা আত্মসাতের হিসাব পাওয়া গেছে।

পুলিশ ও অভিযোগকারীদের সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ মার্চ ইসলামী ব্যাংকের আক্কেলপুর এজেন্ট শাখায় গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের বিষয়টি ধরা পড়ে। ওই দিন ক্যাশিয়ার মাসুদ রানা গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের কথা স্বীকার করেন। তিনি তখন জানিয়েছিলেন, এসব টাকায় গ্রামে জমি কেনার পাশাপাশি বিভিন্ন সম্পদ অর্জন করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তাঁর স্বীকারোক্তির ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে। ওই রাতেই ব্যাংকটির কার্যালয় থেকে ক্যাশিয়ার মাসুদ রানা, ব্যবস্থাপক রিজওয়ানা ফারজানা ও এজেন্ট জাহিদুল ইসলামকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। পরে এক গ্রাহক ওই তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ওই মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এক দিন পরই তাঁরা তিনজন জামিনে মুক্তি পান।

ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা টাকা ফেরতসহ জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির দাবিতে ৯ এপ্রিল আক্কেলপুর পৌর শহর ও ১৩ এপ্রিল জয়পুরহাট শহরের ইসলামী ব্যাংকের সামনে মানববন্ধন করেন। তাঁরা ব্যাংকটির জেলা শাখায় ধরনা দিয়েও টাকা ফেরতের কোনো নিশ্চয়তা পাচ্ছেন না।

ভুক্তভোগী গ্রাহক ও আক্কেলপুর এফ ইউ পাইলট সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আবদুস ছালাম মণ্ডল বলেন, ‘এ পর্যন্ত তিন কোটির বেশি টাকা আত্মসাতের হিসাব পেয়েছি। এখনো অনেকেই তাঁদের ব্যাংক হিসেবের খোঁজ নিতে পারেননি। এজেন্টের জামানতের টাকাও ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নেই। এই টাকা তাঁরা কীভাবে সরালেন, সেটা ইসলামী ব্যাংক জয়পুরহাট শাখার কর্মকর্তাদের জানার কথা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd