• শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
গ্রীণ লাইফ সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের নাগেশ্বরী উপজেলা শাখার সহ-সাধারণ সম্পাদক হলেন মো: নুর মোহাম্মদ নারীূদের প্রতারনার ফাঁদে ফেলার অন্যতম সিন্ডিকেট এর মুলহোতা ” বিল্লাল ফারদিন ” নেপথ্যে : অসাধু কিছু হলুদ মিডিয়ার আগ্রাসী সমর্থন!!! কাউন্টারে টিকিট নেই, ডাবিং’ করে কালোবাজারি করছে কুলাউড়ার নাছির সিন্ডিকেট দৌলতখানে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল দৌলতখান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় নাগেশ্বরীতে প্রধানমন্ত্রীর ইশতেহার বাস্তবায়নে বৃক্ষরোপণ, চারা ও চেক বিতরণ জুয়েলার্স মালিক সমিতির সঙ্গে আরএমপি পুলিশ কমিশনারের মতবিনিময় নাগেশ্বরীতে অসহায় সাজিরন বেওয়ার পাশে নাগেশ্বরী উপজেলা প্রশাসন কিশোরী মেয়েকে ধ/র্ষ/ণে/র অভিযোগে বাবা গ্রে/প্তা/র, দৃষ্টান্তমূলক শা/স্তি/র দাবি আসিফ মাহমুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করবে দুদক সিলেটে যুবক নূর ইসলাম হ/ত্যা: ই/য়া/বা কেনাবেচার ৫০০ টাকার জেরে খু/ন

কাউন্টারে টিকিট নেই, ডাবিং’ করে কালোবাজারি করছে কুলাউড়ার নাছির সিন্ডিকেট

Reporter Name / ২৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আহমেদ আকবর

সিলেট

সিলেট, শ্রীমঙ্গল ও শায়েস্তাগঞ্জ রুটের ট্রেনের টিকিট সাধারণ যাত্রীদের কাছে এখন সোনার হরিণ। কাউন্টারে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়েও মিলছে না টিকিট। অথচ নেপথ্যে সক্রিয় রয়েছে একটি শক্তিশালী কালোবাজারি চক্র। এই চক্রের অন্যতম হোতা মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার স্থানীয় বাসিন্দা নাছির মিয়া। সে ও তার সিন্ডিকেট ট্রেনের মূল টিকিট ‘ডাবিং’ (ডুপ্লিকেট বা জাল) করে একাধিক ব্যক্তির কাছে চড়া দামে বিক্রি করে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে।দীর্ঘদিন ধরে সিলেট-ঢাকা, শায়েস্তাগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল রুটের টিকিট ব্ল্যাকে বিক্রি করে বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এই চক্র। ভুক্তভোগী সাধারণ যাত্রীরা এই টিকিট জালিয়াতি ও কালোবাজারি চক্রের সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগে জানা গেছে, নাছির মিয়া একা নয়, তার পেছনে রয়েছে একটি বিশাল টিকিট কালোবাজারি সিন্ডিকেট। তারা তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার করে বা কাউন্টারের কিছু অসাধু চক্রের সহায়তায় টিকিট সংগ্রহ করে। এরপর সেই টিকিটের কপি ‘ডাবিং’ বা ডুপ্লিকেট তৈরি করে একই টিকিট একাধিক সাধারণ যাত্রীর কাছে চড়া মূল্যে বিক্রি করে। অনেক সময় সরল বিশ্বাসে টিকিট কিনে ট্রেনে উঠে যাত্রীরা চরম বিপাকে পড়েন, যখন দেখেন একই সিটের একাধিক দাবিদার রয়েছে।

ভুক্তভোগী যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা কাউন্টারে গেলে বলা হয় টিকিট শেষ। অথচ বাইরে দ্বিগুণ-তিনগুণ টাকা দিলে নাছির সিন্ডিকেটের কাছে টিকিট পাওয়া যায়। এই ডাবিং টিকিটের কারণে ডিজিটাল রেলওয়ে ব্যবস্থার নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।”রেলওয়ে আইনের নিয়ম অনুযায়ী, ট্রেনের টিকিট হস্তান্তর, জালিয়াতি বা কালোবাজারি করা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং দণ্ডনীয় অপরাধ।

সচেতন মহল মনে করছেন, কুলাউড়ার নাছির মিয়ার এই সিন্ডিকেটকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা না হলে সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি আরও চরম আকার ধারণ করবে। এই চক্রের মূল উপড়ে ফেলতে রেলওয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী জনসাধারণ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd