• বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সুন্দর প্রত্যাবর্তন বিশ্বকাপে লজ্জার রেকর্ড গড়লেন মেসি ষড়যন্ত্র মূলক অপপ্রচারের শিকার ঝালকাঠির নবাগত পুলিশ সুপার বদরুল আলম তানোরে তসলিমা ইলেক্ট্রনিক্স ও ওয়ালটন শোরুমে জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আমিন খান সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মুরগিটোলায় জবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১৩ তানোরে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপন বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভান্ডারিয়ায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত রাজধানীতে শাহাদাত-এ কারবালা মাহফিল মোহাম্মদপুরে সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার দৈনিক যুগান্তর বাংলাদেশের দুই সাংবাদিক

মিরপুরে যাত্রীদের নামিয়ে বাসে আ*গুন-গু*লি

Reporter Name / ২২৬ Time View
Update : শুক্রবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৫

মো: রাফি হাসান

ঢাকা জেলা প্রতিনি

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ বাসে চলাচল করেন। সেই ব্যস্ত নগরীর অন্যতম জনবহুল এলাকা মিরপুরে ঘটে গেল এক ভয়াবহ ঘটনা, যা সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

ঘটনাটি ঘটে যখন আলিফ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়মমতো সড়কে চলছিল। হঠাৎ একদল দুর্বৃত্ত বাসটির পথরোধ করে। তারা প্রথমে যাত্রীদের দ্রুত নেমে যেতে বাধ্য করে। যাত্রীরা নিরাপত্তার খোঁজে আতঙ্কিত হয়ে রাস্তার দুই পাশে ছুটোছুটি শুরু করেন। যাত্রীদের নামানোর পর দুর্বৃত্তরা বাসে নির্বিচারে গুলি চালায়। মুহূর্তেই গোলাগুলির শব্দে আশেপাশে ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
গোলাগুলির পর দুর্বৃত্তরা সেখানে থেমে থাকেনি। তারা বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়। অল্প সময়ের মধ্যে আগুন দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে এবং কালো ধোঁয়ায় চারপাশ ঢেকে যায়। স্থানীয় মানুষ দ্রুত এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নেভালেও পুরো বাসটি ভস্মীভূত হয়ে যায়।

এই ঘটনার ফলে এলাকায় এক ধরনের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বাসযাত্রী ও স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়। মানুষ মনে করে, যখন দিনের আলোয় ব্যস্ত নগরীতে এ ধরনের নৃশংস ঘটনা ঘটতে পারে, তখন যে কেউ যেকোনো সময় বিপদের মুখে পড়তে পারে।
এ ধরনের সহিংস কর্মকাণ্ড কোনো সভ্য সমাজে কাম্য নয়। বাসে আগুন দেওয়া বা গুলি চালানো শুধু সম্পদের ক্ষতি করে না, এটি মানুষের প্রাণহানির ঝুঁকিও বাড়িয়ে তোলে। এমন ঘটনা মানুষের স্বাভাবিক চলাচলকে ব্যাহত করে এবং দেশে অস্থিরতা ছড়িয়ে দেয়।
আমাদের সবার উচিত এসব ঘটনার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ানো। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কঠোর হতে হবে এবং অপরাধীদের চিহ্নিত করে দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে। একইসাথে নাগরিকদের মধ্যেও সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে, যেন জনগণ সবাই মিলে একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তুলতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd