স্টাফ রিপোর্টারঃ মোঃ আব্দুল মোতালেব খা
সিলেটের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু এখন এক নাম— লোকমান। একসময় সাধারণ ভ্যানচালক হিসেবে জীবনযাপন করা এই ব্যক্তি আজ কোটি টাকার মালিক, রয়েছে একাধিক আলিশান বাড়ি, দামি গাড়ি, ব্যাংক একাউন্ট ভর্তি টাকা। প্রশ্ন উঠছে— কীভাবে এত অল্প সময়ের মধ্যে এত বিপুল সম্পদের মালিক হলো লোকমান? জানতে চায় সিলেটবাসী।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী ফ্যাসিস্ট শাসনামলে লোকমান নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। এলাকায় চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, মাদক ব্যবসা, জমি দখলসহ অসংখ্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সে রাতারাতি ধনবান হয়ে ওঠে। বর্তমানে তার প্রভাব-প্রতিপত্তি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, আইনকানুন যেন তার কাছে তুচ্ছ।
অভিযোগ রয়েছে, লোকমান এখনো এলাকায় নৈরাজ্য সৃষ্টি করে চলেছে। স্থানীয় কয়েকজন তথাকথিত সাংবাদিককে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে নিজের পক্ষের সংবাদ প্রকাশ করাচ্ছে। এই “হলুদ সাংবাদিকতা”র মাধ্যমে সে সাধারণ মানুষের চোখে ধুলো দিচ্ছে এবং নিজের অপরাধ ঢাকতে ব্যস্ত।
জনমনে প্রশ্ন— কে দিচ্ছে লোকমানকে আশ্রয়-প্রশ্রয়? কেন এখনো তাকে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে না? সিলেটের সাধারণ মানুষ দাবি তুলেছে— অতিদ্রুত লোকমানের সমস্ত অবৈধ সম্পদ তদন্ত করে বাজেয়াপ্ত করা হোক এবং তাকে কঠোর আইনের আওতায় এনে জবাবদিহিতার মুখোমুখি করা হোক।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জনগণের একটাই প্রত্যাশা— অতিদ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে সিলেটবাসীকে লোকমানের নৈরাজ্য থেকে মুক্তি দেওয়া হোক।