মোঃ ইলিয়াছ খান
বিশেষ প্রতিনিধি:
ময়নার বাবা বিদেশ থাকায় মা পরকীয়া য় জড়িত ছিল ময়নার চাচার সাথে। গত তিনদিন আগে যেদিন ময়নার নিখোঁজ খবর প্রকাশ পেল ওই দিন দুপুরবেলা ময়না তার মা ও চাচাকে উলঙ্গ অবস্থায় খারাপ কাজ করতে দেখে ফেলে। ময়না তাদের আকাম প্রকাশ করে দিবে বলেই এই ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য তার মা প্রথমে তার একটি কান কাটেন তারপরও দেয়ালের সাথে তাকে একাধিকবার আঘাত করতে থাকেন। এতেও যখন ময়না মরে না। তখন তার চাচা ময়নার লজ্জাস্থানে ভিতর রড ঢুকিয়ে দেন তখন ময়না মুহূর্তের মধ্যেই মৃত্যুর পরে ঢলে পড়েন। তারপর তার চাচা মসজিদের হুজুরকে ফাঁসানোর জন্য মসজিদে ময়নার লাশ রেখে আসেন। মসজিদের ছাদে লাশ পাওয়া যাওয়ায় প্রশাসন গ্রেপ্তার করেন মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে। এদিকে ময়নার বাবা বিদেশ থেকে চলে আসেন, ময়নার আকর্ষিক মৃত সংবাদ পেয়ে। বাবা সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, আমার মেয়ে কোন একটা বিষয় জেনে গিয়েছে। যার ফলে মেয়ে আমাকে ফোনে কথা বলতেই দ্রুত বাড়িতে আসার জন্য বলতো। এবং বাবা নিজেও চাচার সহ বেশ কয়েকজন কে মেয়ের হত্যার সাথে জড়িত আছেন বলে ধারণা করছেন। শাহবাজপুরের একটি প্রতিনিধি থেকে এই বিষয়গুলি জানতে পারলাম। এমন নিষ্ঠুর মা কারো যেন আর না হয়। আল্লাহ আপনি এই নিষ্ঠুর মাকে জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে ফেলে দিন এটা এলাকাবাসী সহ সকলের দাবি।