• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদে মইনীয়া যুব ফোরামের মানববন্ধন, নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি তানোরে অনুমতি ছাড়াই গভীর রাতে মাটি উত্তোলন: প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ সিলেটের দক্ষিণ সুরমা এলাকার কিনব্রিজের নিচে সুইপার কলোনী যেন ধীরে ধীরে পরিণত হচ্ছে মাদকের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে   ডিবি (উত্তর) অভিযানে ১ কেজি ৫০০গ্রাম গাঁজাসহ ৪ জন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আশুলিয়া জামগড়ার শীর্ষ সন্ত্রাসী হিমেল মীরকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪ বুড়িচং এ ৪৭তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত রাজশাহীর তানোরে বাম্পার বোরো ফলন সোনালী স্বপ্নে বিভোর কৃষক, তবে দুশ্চিন্তায় বাজার ও মৎস্যজীবীরা বিদায় অনুষ্ঠানে আবেগঘন মুহূর্ত, ভান্ডারিয়ায় সংবর্ধিত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকবৃন্দ আনোয়ারায় তীব্র বিদ্যুৎ সংকট, দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা! ডিবি (উত্তর)-এর পৃথক অভিযানে ১.৫ কেজি গাঁজাসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

পত্নীতলায় বৃষ্টি হওয়ায় কৃষকদের মনে স্বস্তি

Reporter Name / ৭১১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০২৫

মোঃ সাজেদুর রহমান,

স্টাফ রিপোর্টার (নওগাঁ)

দেশের সিংহভাগ ধান উৎপাদন হয় উত্তরবঙ্গের নওগাঁ জেলায় বছরের পর বছর ধরে আমাদের দেশের কৃষি প্রধান জনগোষ্ঠী প্রকৃতির উপর অনেকাংশেই নির্ভরশীল। বিশেষ করে বর্ষাকালে ধান চাষের মৌসুমে নিয়মিত বৃষ্টি না হলে কৃষকের মুখে দুশ্চিন্তার ছাপ পড়ে। চলতি বছরের শুরুতে অনাবৃষ্টির কারণে কৃষক সমাজ একপ্রকার উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিল। ধান রোপণের উপযুক্ত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও মাটিতে প্রয়োজনীয় পরিমাণে পানির অভাবে অনেকেই জমি চাষ করতে পারছিল না।তবে হঠাৎ করেই আল্লাহর অশেষ রহমতে আশার বৃষ্টি নামে। টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে শুকনো জমিগুলো আবার সজীব হয়ে ওঠে। জমিতে জমে থাকা পানি ধানের চারা রোপণের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে দেয়। ফলে কৃষকদের মধ্যে বিরাজমান উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা কেটে গিয়ে এখন দেখা দিয়েছে স্বস্তির নিঃশ্বাস। মাঠে নেমে গেছে কৃষক, শুরু হয়েছে রোপণ কর্মযজ্ঞ।
নওগাঁ, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, জয়পুরহাটসহ উত্তরবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় ইতোমধ্যেই আমন চাষ শুরু হয়ে গেছে। কৃষকরা বলছেন—এই বৃষ্টিকে তাঁরা “আল্লাহর অশেষ করুণা” হিসেবেই দেখছেন। অনেকে মসজিদে মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন করেছেন।বৃষ্টির ফলে শুধু ধান চাষই নয়, সবজি ক্ষেত, মাছের ঘের, এবং অন্যান্য কৃষি কাজও সচল হয়ে উঠেছে। গবাদিপশুর জন্যও তাজা ঘাসের ব্যবস্থা হচ্ছে। অর্থাৎ, বৃষ্টি যে শুধু মাটি নয়, মানুষের মনেও সজীবতা ফিরিয়ে এনেছে—তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। সকলেই এখন প্রার্থনা করছেন, যেন এই বর্ষণ ধারাবাহিক থাকে এবং ভালো ফসল হয়।
আল্লাহর দয়া ও প্রকৃতির অনুকূল আচরণই একটি কৃষি নির্ভর দেশের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। এবারের বৃষ্টিপাত যেমন কৃষকদের মাঝে স্বস্তি ও আশার আলো এনে দিয়েছে, তেমনি দেশের খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও তা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেই আশা করা যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd