• বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
তানোর উপজেলার কলমা ইউনিয়নের মাদকাসক্ত ছেলের বিরুদ্ধে মাকে মারধরের অভিযোগ দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমে আলোচিত যে মানুষটি, হাতেম তাই’ উপমায় তিনি মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী বুড়িচং মডেল স্কুল এন্ড কলেজ এসএসসির ফলাফলে সেরাদের সেরা ইউএনও নাঈমা খানের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ, সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মেলেনি শিক্ষার নামে আমরা আসলে কী তৈরি করছি? মুখস্থনির্ভরতা, কোচিং-নির্ভরতা ও বৈষম্যের ফাঁদে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ফকিরহাটে এসএসসি-দাখিলে ভালো ফল, ভোকেশনালে হতাশা; জিপিএ-৫ পেল ১১৫ জন দক্ষিণ সুরমায় মাদকবিরোধী অভিযানের সমর্থনে এলাকাবাসীর বিশাল মানববন্ধন নাগেশ্বরীতে ইউএনওর সঙ্গে অনলাইন প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সমন্বিতভাবে কাজের নির্দেশ ডিআইজি আশিক সাঈদের অপপ্রচার মোকাবিলায় দৌলতখানে জমজমাট বিতর্ক ও সচেতনতামূলক আলোচনা

দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমে আলোচিত যে মানুষটি, হাতেম তাই’ উপমায় তিনি মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী

Reporter Name / ৩৬ Time View
Update : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬

মোঃ শাহজাহান বাশার

শিক্ষা বিস্তার, মানবসেবা, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা এবং জনকল্যাণমূলক নানা কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে অবদান রেখে চলেছেন কুমিল্লার বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজহিতৈষী মোশারফ খান চৌধুরী। শিক্ষা ও মানবসেবায় তাঁর অবদানের কারণে স্থানীয়ভাবে তিনি একজন আলোকিত মানুষ হিসেবে পরিচিত। তাঁর এসব কর্মকাণ্ড নিয়ে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক গণমাধ্যমে একাধিকবার সংবাদ ও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তাঁর শিক্ষা, সমাজসেবা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে লেখালেখি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

সম্প্রতি আরজে কিবরিয়ার মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম SOCA-তে এক সাক্ষাৎকারে মোশারফ খান চৌধুরীর দীর্ঘদিনের শিক্ষা ও মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে জনপ্রিয় উপস্থাপক আরজে কিবরিয়া তাঁকে ‘এই যুগের হাতেম তাই’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তাঁর এই মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে মোশারফ খান চৌধুরীর শিক্ষা ও মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ড নতুন করে আলোচনায় আসে।

বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে তাঁর উদ্যোগ ও প্রতিষ্ঠায় গড়ে উঠেছে একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বহু শিক্ষার্থী শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন এবং এলাকার শিক্ষা বিস্তারে প্রতিষ্ঠানগুলো ভূমিকা রাখছে।

মোশারফ খান চৌধুরীর প্রতিষ্ঠিত উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে মোশারফ হোসেন খান চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, আব্দুল মতিন খসরু মহিলা ডিগ্রি কলেজ, ব্রাহ্মণপাড়া, আব্দুর রাজ্জাক খান চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়, ধান্যদৌল, মুমু-রোহান চাইল্ড কেয়ার প্রি-ক্যাডেট স্কুল, ধান্যদৌল এবং আশেদা যোবেদা ফোরকানিয়া মাদ্রাসা, ধান্যদৌল।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি জনকল্যাণ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানেও রয়েছে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান। তিনি ব্রাহ্মণপাড়া ডায়াবেটিক হাসপাতালের জমিদাতা, প্রফেসর পাড়া জামে মসজিদের জমিদাতা এবং মোশারফ হোসেন খান চৌধুরী হাফিজিয়া মাদ্রাসার জমিদাতা হিসেবে ভূমিকা রেখেছেন।

একজন মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ তার নিজের জন্য নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য—এমন দর্শনের প্রতিফলন দেখা যায় তাঁর এসব উদ্যোগে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে যেমন নতুন প্রজন্মকে শিক্ষার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে, তেমনি হাসপাতাল, মসজিদ ও মাদ্রাসার জন্য জমি দিয়ে তিনি সামাজিক ও ধর্মীয় অবকাঠামো গড়ে তুলতেও ভূমিকা রেখেছেন।

তাঁর শিক্ষা ও মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ড স্থানীয় পর্যায়ের গণ্ডি পেরিয়ে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক, আঞ্চলিক পত্রিকা, অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও অন্যান্য গণমাধ্যমে তাঁর কর্মকাণ্ড নিয়ে বহুবার সংবাদ ও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। একইভাবে দেশের বাইরের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পর্যায়ের গণমাধ্যমেও তাঁর শিক্ষা ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে লেখালেখি ও আলোচনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

ঐতিহাসিকভাবে হাতেম তাই তাঁর উদারতা, দানশীলতা ও মানবিকতার জন্য সুপরিচিত। মানুষের কল্যাণে দান ও উদারতার কারণে তিনি যুগ যুগ ধরে দানশীলতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছেন। সেই ঐতিহাসিক উপমা থেকেই আরজে কিবরিয়া তাঁর সাক্ষাৎকারে মোশারফ খান চৌধুরীকে ‘এই যুগের হাতেম তাই’ বলে অভিহিত করেন।

স্থানীয়দের মতে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা, মানুষের চিকিৎসাসেবার সুযোগ তৈরি, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে সহযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য শিক্ষার পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ একজন মানুষের দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক দায়বদ্ধতার পরিচয় বহন করে। তাঁর প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এলাকার শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলেও মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

মোশারফ খান চৌধুরীর কর্মকাণ্ডের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো—তিনি শুধু ব্যক্তিগতভাবে দান-অনুদান দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেননি; বরং প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মাধ্যমে মানুষের জন্য দীর্ঘস্থায়ী সুযোগ সৃষ্টি করার উদ্যোগ নিয়েছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা, হাসপাতাল ও মসজিদের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মেরও কাজে আসবে।

আরজে কিবরিয়ার ‘এই যুগের হাতেম তাই’ মন্তব্য তাঁর দীর্ঘদিনের শিক্ষা, দানশীলতা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের প্রতি একটি প্রশংসাসূচক মূল্যায়ন হিসেবে সামনে এসেছে। বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়ার মানুষের কাছে তিনি যেমন একজন পরিচিত শিক্ষানুরাগী ও সমাজহিতৈষী, তেমনি তাঁর কর্মকাণ্ড নিয়ে গণমাধ্যমে ধারাবাহিক আলোচনা তাঁকে বৃহত্তর পরিসরেও পরিচিত করে তুলেছে।

সব মিলিয়ে শিক্ষা বিস্তার, মানবসেবা ও জনকল্যাণে অবদান রাখার মাধ্যমে মোশারফ খান চৌধুরী বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়ার সামাজিক ও শিক্ষাঙ্গনে একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছেন। আর তাঁর এই কর্মকাণ্ডের মূল্যায়ন করতে গিয়ে আরজে কিবরিয়ার দেওয়া সেই বিশেষণ—‘এই যুগের হাতেম তাই’—এখন নতুন করে আলোচনায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd