• রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
মধ্যনগরের বংশীকুন্ডা বাজারে চালু হলো সাপ্তাহিক গরু-ছাগলের হাট “সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় জুয়ার সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রক কাসেম রাজা” তানোরে বিসিআইসি ও বিএডিসি সার ডিলারদের সঙ্গে এমপি মুজিবুর রহমানের মতবিনিময় সভা বুড়িচংয়ের হরিনধরায় গোমতী নদী ও জৈন্তার খাল পরিদর্শন ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত আশুলিয়ায় ধামসোনা ইউনিয়ন বাসির আস্থার নাম মানবিক ইসরাফিল সাভার ডিবির বিশেষ অভিযানে ১ জন পেশাদার ছিনতাইকারী দলের সদস্য গ্রেফতার বুড়িচংয়ের নিমসারে গড়ে উঠছে আধুনিক সবজি সংরক্ষণাগার: কৃষকদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতে সরকারের উদ্যোগ—মন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে কঠোর আইন আসছে, ন্যূনতম ৫ বছরের কারাদণ্ড: শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদে মইনীয়া যুব ফোরামের মানববন্ধন, নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি তানোরে অনুমতি ছাড়াই গভীর রাতে মাটি উত্তোলন: প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ

“সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় জুয়ার সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রক কাসেম রাজা”

Reporter Name / ১০৫ Time View
Update : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

মো:আকবর আহমেদ

সিলেট দক্ষিণ সুরমা প্রতিনিধি

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমার থানার এলাকায় প্রকাশ্যে চলছে জুয়ার বোর্ড ও মাদক ব্যবসা। দিনের পর দিন এই অবৈধ কর্মকাণ্ড চললেও পুলিশের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেই। বরং স্থানীয়দের অভিযোগ—জুয়ার সিন্ডিকেটের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি অংশের দৃশ্যমান সখ্যই এই অপরাধ সাম্রাজ্যকে টিকিয়ে রেখেছে।

টামিনাল, হুমায়ুন চত্ত্বর, ক্বীন ব্রিজের নীচ, সাধুর বাজার বাশপালা মার্কেট, পুরাতন রেলওয়ে স্টেশন, নতুন রেলওয়ে স্টেশনের সামনে এলাকাগুলো এখন কার্যত শিলং তীর জান্ডিমুন্ডু জুয়ার ‘ওপেন জোনে’ পরিণত হয়েছে। এতসব জায়গায় প্রকাশ্যে জুয়া চললেও কদমতলী ফাঁড়ি পুলিশের আইসি বখরার রাজত্বে বন্দী? এছাড়াও তিন তাসের লাগামহীন প্রতারনাতো আরো বেপরোয়া।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টামিনাল এলাকার কদমতলী ফাঁড়ির ১০০ গজের মধ্যে বিআরটিসি কাউন্টারের পিছনে জুয়ারী নজরুলের দুই ভাই জুয়ার সাম্রাজ্য চালায়। এখানে প্রতিদিন ৫ লক্ষ টাকার শীলং তীর ও জান্ডুমুন্ড জুয়ার আসর দেদারসে চলছে। কিন্তু অদৃশ্য কারণে নেই পুলিশের নজরদারী।

বালুরমাট এলাকায় বাচনের জুয়ার রাজ্যে চলে হরেকরকম অবৈধ ব্যবসা,পাশা-পাশি শীলংতীর, জান্ডুমুন্ডর রমরমা বাণিজ্য। এখানেও দৈনিক ৩ লক্ষ টাকার জুয়া ও মাদকের প্রতারনা চলে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

দক্ষিণ সুরমার ক্বীন ব্রিজের নীচে সুরমা নদীর পাড়ে দীর্ঘদিন ধরে চলছে জুয়ারী জামালের নেতৃত্বে বেপরোয়া জুয়ার আসর। প্রতিদিন এখানে শিলং তীর ও জান্ডিমুন্ডু নামের জুয়ার মাধ্যমে হাতবদল হচ্ছে লাখ লাখ টাকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “এই জুয়ার বোর্ড পুলিশ দেখেও দেখে না। কারণ উপরের লাইন ঠিক আছে।” তাঁদের ভাষায়, কদমতলী পুলিশ ফাঁড়ির আইসির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদদেই জামাল নির্বিঘ্নে এই প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে।

সাধুর বাজার বাশপালা মার্কেটে জুয়ার মূকুটহীন সম্রাট আবুল কাশেমের জুয়ার রাজ্যে সুরমামহল আস্তানা। এখানে জুয়ার প্রতারনার পাশা-পাশি, মদ, ইয়াবা ও দেহব্যবসাও জমজাট। এখানে প্রতিদিন ৫/৭ লক্ষ টাকার জুয়ার প্রতারনা চলে।
স্থানীয়দের দাবি এসব অবৈধ জুয়া ও মাদকের আস্তানা থেকে ফাঁড়ির নামে সপ্তাহে ২ লক্ষ থেকে ৩ লক্ষ টাকা নিয়মিত বখরা আদায় করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, এই অর্থ সংগ্রহের দায়িত্বে আছেন আইসিির একজন সোর্স, স্থানীয়দের প্রশ্ন—যেখানে বখরা আসে নিয়মিত, সেখানে অভিযান আসবে কীভাবে?

বখরার বিষয়ে জানতে কদমতলী পুলিশ ফাঁড়ির আইসি এসআই আমির হোসেন এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন,“জুয়া ও মাদকের বিষয়ে আমাদের জিরো টলারেন্স। খোজঁ নিয়ে ব্যবস্থা নিবো, কিন্তু পুরোপুরি বন্ধ করা সময়সাপেক্ষ। তিনি আরো বলেন কেউ আমার নাম ব্যবহার করে সুবিধা নিলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নির্দিষ্ট স্থান, নির্দিষ্ট নাম, নির্দিষ্ট অঙ্ক—সবকিছু প্রকাশ্যে উঠে আসার পরও যদি জুয়ার বোর্ড বন্ধ না হয়, তাহলে প্রশ্ন একটাই—আইন কি এখানে কার্যকর, নাকি বখরার টাকায় আইন নিজেই জিম্মি? এই প্রশ্নের জবাব এখন সিলেট মহানগর পুলিশের কাছেই প্রত্যাশা করছে নগরবাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd