• বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
ব্রাহ্মণপাড়ায় “মদিনার কাফেলা” উপজেলা কমিটি গঠন কোনাবাড়ীতে বিপুল মাদক উদ্ধার, গাঁজা-বিদেশি মদসহ আটক ২ সাভারে সাংবাদিক ইমনকে অপহরণ চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে ইউএনও’র কক্ষে সন্ত্রাসী হামলায় আহত সাংবাদিক তানোরে আইনশৃঙ্খলা সভা যানজট নিরসনে থানার মোড় প্রশস্তকরণের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত সাংবাদিক সাখাওয়াত হাফিজের উপর হামলার প্রতিবাদে মানব বন্ধন ও প্রতিবাদ সভা বাঁধ ভেঙে এরনবিলে পানি প্রবেশ, কয়েকশো কৃষকের ক্ষতির আশংকা সাংবাদিক সাখাওয়াত হাফিজের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা বাঁধ ভেঙে এরনবিলে পানি প্রবেশ, কয়েকশো কৃষকের ক্ষতির আশংকা লাটুয়ার বাজারে ‘খাজনা সিন্ডিকেট’: প্রশাসনের চোখের সামনে চলছে অবৈধ বাণিজ্য

‎বগুড়ায় সেচে চুরি-চাঁদাবাজির রাজত্ব বেড়েই চলছে  তিন মাসে ৭৮টি ট্রান্সফরমার উধাও,  ‎জিম্মি কৃষক

Reporter Name / ১৫৫ Time View
Update : শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

‎রবিউল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টারঃ
‎বগুড়ায় গভীর নলকূপের বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার ও মিটার চুরি ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে। চলতি বছরের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত জেলাজুড়ে ৭৮টি ট্রান্সফরমার ও ২৩টি মিটার চুরি হয়েছে। এতে সেচ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা।
‎সবচেয়ে বেশি ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে শিবগঞ্জ উপজেলায়। অভিযোগ রয়েছে, সংঘবদ্ধ একটি চক্র গভীর নলকূপকে টার্গেট করে পরিকল্পিতভাবে এই চুরি চালাচ্ছে।
‎চুরির কৌশলই বলে দিচ্ছে—এটি সাধারণ চুরি নয়, বরং খোলামেলা চাঁদাবাজি। মিটার চুরির পর ঘটনাস্থলে চোরেরা মোবাইল ও বিকাশ নম্বর রেখে যাচ্ছে। টাকা পাঠালেই মিটার ফেরত, না দিলে উধাও।
‎ট্রান্সফরমারের ক্ষেত্রে চিত্র আরও ভয়াবহ। চোরেরা ট্রান্সফরমারের তামার তার খুলে নিয়ে খোলস ফেলে যাচ্ছে, ফলে সেটি সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে যাচ্ছে। এতে নলকূপ মালিকদের লাখ লাখ টাকার ক্ষতি হচ্ছে।
‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নলকূপ মালিক জানান, শিবগঞ্জ উপজেলার মাঝিহট্ট ইউনিয়নের কয়েকজন ব্যক্তি এই চুরি চক্রের মূল হোতা। তার দাবি, টাকার বিনিময়ে উদ্ধার হওয়া অধিকাংশ মিটার মাঝিহট্ট ইউপির দাঁমগাড়া গ্রাম থেকে বের হয়েছে। নিরাপদ থাকতে বছরে দুইবার মোটা অংকের চাঁদা দিতে হয়—না দিলে রাতের মধ্যেই মিটার বা ট্রান্সফরমার উধাও।
‎মোবাইল ও বিকাশ নম্বর থাকার পরও চক্রটি ধরাছোঁয়ার বাইরে। কৃষকদের অভিযোগ, থানায় এজাহার দিতে গেলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মামলা নেওয়া হচ্ছে না।
‎কৃষকদের প্রশ্ন স্পষ্ট—এই চুরি-চাঁদাবাজির পেছনে কারা? আর প্রশাসনের এই নীরবতা কতদিন?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd