• মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
মুরগিটোলায় জবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১৩ তানোরে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপন বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভান্ডারিয়ায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত রাজধানীতে শাহাদাত-এ কারবালা মাহফিল মোহাম্মদপুরে সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার দৈনিক যুগান্তর বাংলাদেশের দুই সাংবাদিক মোহাম্মদপুরে সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার দৈনিক যুগান্তর বাংলাদেশের দুই সাংবাদিক কুমিল্লা লালমাইয়ে গৃহবধূর কোপে যুবকের মৃত্যু: আত্মরক্ষার দাবি, ঝুমনার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার অঙ্গীকার কুমিল্লা জেলা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার পক্ষ থেকে নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক রোজী আক্তারকে ক্রেস্ট প্রদান করে শুভেচ্ছা মধ্যনগরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও ধানবীজ বিতরণ

‎বগুড়ায় সেচে চুরি-চাঁদাবাজির রাজত্ব বেড়েই চলছে  তিন মাসে ৭৮টি ট্রান্সফরমার উধাও,  ‎জিম্মি কৃষক

Reporter Name / ২২১ Time View
Update : শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

‎রবিউল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টারঃ
‎বগুড়ায় গভীর নলকূপের বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার ও মিটার চুরি ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে। চলতি বছরের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত জেলাজুড়ে ৭৮টি ট্রান্সফরমার ও ২৩টি মিটার চুরি হয়েছে। এতে সেচ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা।
‎সবচেয়ে বেশি ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে শিবগঞ্জ উপজেলায়। অভিযোগ রয়েছে, সংঘবদ্ধ একটি চক্র গভীর নলকূপকে টার্গেট করে পরিকল্পিতভাবে এই চুরি চালাচ্ছে।
‎চুরির কৌশলই বলে দিচ্ছে—এটি সাধারণ চুরি নয়, বরং খোলামেলা চাঁদাবাজি। মিটার চুরির পর ঘটনাস্থলে চোরেরা মোবাইল ও বিকাশ নম্বর রেখে যাচ্ছে। টাকা পাঠালেই মিটার ফেরত, না দিলে উধাও।
‎ট্রান্সফরমারের ক্ষেত্রে চিত্র আরও ভয়াবহ। চোরেরা ট্রান্সফরমারের তামার তার খুলে নিয়ে খোলস ফেলে যাচ্ছে, ফলে সেটি সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে যাচ্ছে। এতে নলকূপ মালিকদের লাখ লাখ টাকার ক্ষতি হচ্ছে।
‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নলকূপ মালিক জানান, শিবগঞ্জ উপজেলার মাঝিহট্ট ইউনিয়নের কয়েকজন ব্যক্তি এই চুরি চক্রের মূল হোতা। তার দাবি, টাকার বিনিময়ে উদ্ধার হওয়া অধিকাংশ মিটার মাঝিহট্ট ইউপির দাঁমগাড়া গ্রাম থেকে বের হয়েছে। নিরাপদ থাকতে বছরে দুইবার মোটা অংকের চাঁদা দিতে হয়—না দিলে রাতের মধ্যেই মিটার বা ট্রান্সফরমার উধাও।
‎মোবাইল ও বিকাশ নম্বর থাকার পরও চক্রটি ধরাছোঁয়ার বাইরে। কৃষকদের অভিযোগ, থানায় এজাহার দিতে গেলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মামলা নেওয়া হচ্ছে না।
‎কৃষকদের প্রশ্ন স্পষ্ট—এই চুরি-চাঁদাবাজির পেছনে কারা? আর প্রশাসনের এই নীরবতা কতদিন?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd