মাগুরা জেলা প্রতিনিধি :
মাগুরায় এলজিইডির সড়ক নির্মাণে কাজে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের শুভংকরের ফাঁকিঃ দেখার কি কেউ নেই।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন ৩ বছরের মধ্যে রাস্তা নষ্ট হলে রাস্তার কাজ সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে বুঝিয়ে দিতে হবে।
মাগুরা সদর উপজেলার মঘী ইউনিয়নের বড়খড়ি-ছয়চার সড়ক নির্মাণকাজে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। সড়কের একটি অংশে পিচ ও পাথরের আস্তরণ উঠে গিয়ে নিচের স্তর দৃশ্যমান হওয়ার ছবি পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় কাজের মান, নির্মাণপ্রক্রিয়া ও প্রকল্প তদারকি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী আ.ন.ম.ওয়াহিদুজ্জামান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাগুরা সদর উপজেলার বড়খড়ি-ছয়চার সড়কে প্রায় ১ হাজার ৩০০ মিটার দৈর্ঘ্যের নির্মাণকাজ চলছে। কাজটির মূল ঠিকাদার বাকিরুল বলে জানিয়েছেন নির্মাণকাজে নিয়োজিত মিস্ত্রি অন্তর হোসেন। তাঁর ভাষ্য, তাঁরা নান্নুর কাছ থেকে সাব-কন্ট্রাক্টে কাজটি নিয়েছেন।
সরেজমিনে আজ মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর বিকাল ৪ টার সময় যেয়ে দেখা যায় সড়কের একটি অংশে পিচ ও পাথরের স্তর ভাঙা এবং উঠে যাওয়া অবস্থায় দেখা যায়। কয়েকটি স্থানে নিচের স্তরও উন্মুক্ত রয়েছে। নির্মাণকাজে কী ধরনের ত্রুটি হয়েছে, কী পরিমাণ উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে কিংবা কাজটি নির্ধারিত প্রকৌশলগত মান অনুসরণ করে সম্পন্ন হয়েছে কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। কাজের স্থানে ছবিটির তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের উপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এ কাজের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর উপস্থিতিতে সরেজমিন পরিদর্শন, নির্মাণসামগ্রীর মান পরীক্ষা এবং প্রকল্পের কার্যাদেশ ও প্রাক্কলন যাচাই এর অভিযোগ উঠেছে।
নির্মাণকাজের বিষয়ে এলজিইডির সংশ্লিষ্ট উপসহকারী প্রকৌশলী (এসও) মো.আব্দুস সাত্তার জানান, সড়কটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১ হাজার ৩০০ মিটার। তবে কাজটির চুক্তিমূল্য কত, সে বিষয়ে তিনি তথ্য দিতে পারেননি বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রকল্পের মোট ব্যয়, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম, কার্যাদেশের শর্ত এবং কাজ শেষ করার নির্ধারিত সময় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে নির্মাণকাজের মান ও ব্যয়ের বিষয়ে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া সম্ভব হবে।
সড়ক নির্মাণে নির্ধারিত মান অনুযায়ী উপকরণ ব্যবহার, যথাযথভাবে বিটুমিন প্রয়োগ, স্তরগুলোর মধ্যে প্রয়োজনীয় বন্ধন নিশ্চিত করা এবং সঠিকভাবে রোলার দিয়ে কম্প্যাকশন করা গুরুত্বপূর্ণ। এসব ক্ষেত্রে ঘাটতি থাকলে সড়কের পৃষ্ঠ দ্রুত উঠে যাওয়া, পাথর আলগা হয়ে পড়া কিংবা সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বড়খড়ি-ছয়চার সড়কের ক্ষেত্রে।
হামলার বিষয়ে মাগুরা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন ইকরাম জানান, মাগুরা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মিরাজ আহমেদের উপর আক্রমণ করেছে। এবিষয়ে সাংবাদিক মিরাজ আহমেদ জানান আমার সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর রহমানের উপর হামলা হয়েছে।