• শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:২৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
​কৃষক মজুর সংহতির কেন্দ্রীয় বর্ধিত সভায় নাগেশ্বরীর সাইফুর রহমান দুলাল-এর গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য ও অংশগ্রহণ ভান্ডারিয়ায় কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি গঠন,সভাপতি জাহিদ সম্পাদক শামীম রাজধানীর বসুন্ধরা থেকে জনপ্রিয় অভিনেত্রীর ম/র/দে/হ উদ্ধার বুড়িচংয়ের কণ্ঠনগরে জানাজার নামাজের স্থান সংস্কারে সমাজসেবক আলহাজ্ব ওমর ফারুকের উদ্যোগ এক দিন পরই বাড়ল সোনার দাম, আজ ভরিতে ২,১৫৮ টাকা ব্রাহ্মণপাড়ায় মাদক সেবনের দায়ে ৩ জনকে কারাদণ্ড বাংলাদেশের রাজনীতিতে কি একজন খলনায়ক থাকতেই হবে? নাগেশ্বরীতে মাদকমুক্ত সমাজ গরতে গিরার পাড় তরুণ সংঘের কঠিন হুশিয়ারি সিলেটে পুলিশের বড় ধাক্কা: বিশেষ ক্ষমতাবলে সাবেক ২ ওসিসহ ৫৬ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে পরকীয়ায় জড়িয়ে মা/দ/কা/স/ক্ত, আবিদের ঝুলন্ত ম/রা/দে/হ উদ্ধার

ভালোবাসা, সম্মান ও ভাতৃত্ববোধ: সম্পর্কের অটুট শক্তি হয় তাহলে কেন এত হিংসা বিদ্বেষ

Reporter Name / ৩৫২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫

মোঃ শাহজাহান বাশার, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার

সমাজের সম্পর্কের ভিত্তি হিসেবে যে তিনটি শব্দ সবচেয়ে শক্তিশালী—ভালোবাসা, সম্মান এবং ভাতৃত্ববোধ—এগুলোই মানুষকে একত্রিত করে, জীবনের প্রতিটি পথচলাকে অর্থবহ করে। অথচ বাস্তব জীবনে আমরা প্রতিদিনই হিংসা, বিদ্বেষ, দ্বন্দ্ব এবং দূরত্বের সাক্ষী হই। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন ওঠে, সম্পর্কের অটুট শক্তি হওয়া সত্ত্বেও কেন মানুষ এত বিভাজন সৃষ্টি করে?

সম্পর্কের মধ্যে সম্মান ও ভালোবাসার অভাব হলো হিংসা ও বিদ্বেষের মূল কারণ। যখন মানুষ একে অপরের অবস্থান, অনুভূতি এবং বিশ্বাসকে গুরুত্ব দেয় না, তখন ছোট ছোট ভুলবুঝাবুঝি বড় দ্বন্দ্বে পরিণত হয়। আধুনিক জীবনের ব্যস্ততা, স্বার্থপরতা এবং প্রতিযোগিতার পরিবেশ মানুষকে একে অপরের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখতে বাধ্য করে। ফলশ্রুতিতে, ভাতৃত্ববোধের জায়গায় হিংসা এবং আত্মকেন্দ্রিক মনোভাব প্রবল হয়ে উঠে।

ধর্ম, জাতি, পেশা বা অর্থনৈতিক অবস্থার ভিন্নতা মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বিভাজন তৈরি করে। অনেক সময় মানুষ নিজের স্বার্থ বা নিরাপত্তার জন্য অন্যকে দোষারোপ করে বা অবহেলা করে। এর ফলে সম্পর্কের মূল ভিত্তি—ভালোবাসা ও সম্মান—ধসে পড়ে। সমাজে এই ধরনের হিংসা ও বিদ্বেষ একটি সংকটের চিহ্ন, যা কেবল ব্যক্তি নয়, সামগ্রিক সামাজিক সম্পর্ককেও ক্ষতিগ্রস্ত করে।

তবে, আশার কথা হলো, মানুষ সচেতন হলে এই হিংসা ও বিদ্বেষকে কমিয়ে আনতে পারে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা এবং ন্যায্য আচরণ প্রতিষ্ঠা করলে সম্পর্কের শক্তি পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হয়। ছোট ছোট উদ্যোগ—পরস্পরের প্রতি সহানুভূতি দেখানো, ভুল বোঝাবুঝি সমাধান করা, এবং সংলাপের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান—সমাজে ভালোবাসা ও ভাতৃত্ববোধ ফিরিয়ে আনতে পারে।

আমাদের দায়িত্ব হলো নিজ নিজ জীবন ও আচরণে সম্মান, ভালোবাসা ও ভাতৃত্ববোধ বজায় রাখা। এই মূল্যবোধগুলো সমাজে ছড়িয়ে দিলে হিংসা ও বিদ্বেষের প্রকোপ কমানো সম্ভব। সম্পর্কের অটুট শক্তি, যা মূলত ভালোবাসা ও ভাতৃত্ববোধে নিহিত, তা পুনরায় সক্রিয় করা যায় সচেতনতা, সহমর্মিতা এবং মানবিক মূল্যবোধকে অঙ্গীকার করার মাধ্যমে।

শেষবারে বলা যায়, সম্পর্কের শক্তি শুধুমাত্র ভালোবাসা, সম্মান এবং ভাতৃত্ববোধে নিহিত। হিংসা ও বিদ্বেষ থেকে মুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে আমাদের সকলকে সচেতন, সহমর্মী এবং মানবিক হতে হবে। সমাজে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফেরাতে সম্পর্কের এই মূল ভিত্তি সবাইকে মেনে চলা আবশ্যক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd