• শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রায় কুড়িগ্রামের তিন প্রতিনিধি নিয়োগ ​দৌলতখানে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা: ২ সমর্থক গ্রেপ্তার, আদালতের মাধ্যমে কারাগারে রাজশাহীতে নির্মাণাধীন তিন ফ্লাইওভার পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক রিটন ভাণ্ডারিয়ায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর বিশ্বায়নের যুগে মানসম্মত শিক্ষার বিকল্প নেই’ নাগেশ্বরীতে পিপিআর রোগের টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন নাগেশ্বরীতে ‘নির্মল বায়ু ও পরিবেশ রক্ষা মঞ্চ’-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু ‎ছাত্রলীগ নেতাকে থানা থেকে ছাড়াতে বিএনপি নেতা মিন্টুর তদবির ২৫ বছর ধরে মেধার সন্ধানে মুকুন্দপুরের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা, ৩১ অক্টোবর মেধাবৃত্তি পরীক্ষা নাগেশ্বরীতে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হোসাইনের পাশে সমাজসেবা কর্মকর্তা জামাল হোসেন কচাকাটায় ৯৪ পিস ভারতীয় ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

ভালোবাসা, সম্মান ও ভাতৃত্ববোধ: সম্পর্কের অটুট শক্তি হয় তাহলে কেন এত হিংসা বিদ্বেষ

Reporter Name / ৩৮০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫

মোঃ শাহজাহান বাশার, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার

সমাজের সম্পর্কের ভিত্তি হিসেবে যে তিনটি শব্দ সবচেয়ে শক্তিশালী—ভালোবাসা, সম্মান এবং ভাতৃত্ববোধ—এগুলোই মানুষকে একত্রিত করে, জীবনের প্রতিটি পথচলাকে অর্থবহ করে। অথচ বাস্তব জীবনে আমরা প্রতিদিনই হিংসা, বিদ্বেষ, দ্বন্দ্ব এবং দূরত্বের সাক্ষী হই। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন ওঠে, সম্পর্কের অটুট শক্তি হওয়া সত্ত্বেও কেন মানুষ এত বিভাজন সৃষ্টি করে?

সম্পর্কের মধ্যে সম্মান ও ভালোবাসার অভাব হলো হিংসা ও বিদ্বেষের মূল কারণ। যখন মানুষ একে অপরের অবস্থান, অনুভূতি এবং বিশ্বাসকে গুরুত্ব দেয় না, তখন ছোট ছোট ভুলবুঝাবুঝি বড় দ্বন্দ্বে পরিণত হয়। আধুনিক জীবনের ব্যস্ততা, স্বার্থপরতা এবং প্রতিযোগিতার পরিবেশ মানুষকে একে অপরের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখতে বাধ্য করে। ফলশ্রুতিতে, ভাতৃত্ববোধের জায়গায় হিংসা এবং আত্মকেন্দ্রিক মনোভাব প্রবল হয়ে উঠে।

ধর্ম, জাতি, পেশা বা অর্থনৈতিক অবস্থার ভিন্নতা মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বিভাজন তৈরি করে। অনেক সময় মানুষ নিজের স্বার্থ বা নিরাপত্তার জন্য অন্যকে দোষারোপ করে বা অবহেলা করে। এর ফলে সম্পর্কের মূল ভিত্তি—ভালোবাসা ও সম্মান—ধসে পড়ে। সমাজে এই ধরনের হিংসা ও বিদ্বেষ একটি সংকটের চিহ্ন, যা কেবল ব্যক্তি নয়, সামগ্রিক সামাজিক সম্পর্ককেও ক্ষতিগ্রস্ত করে।

তবে, আশার কথা হলো, মানুষ সচেতন হলে এই হিংসা ও বিদ্বেষকে কমিয়ে আনতে পারে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা এবং ন্যায্য আচরণ প্রতিষ্ঠা করলে সম্পর্কের শক্তি পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হয়। ছোট ছোট উদ্যোগ—পরস্পরের প্রতি সহানুভূতি দেখানো, ভুল বোঝাবুঝি সমাধান করা, এবং সংলাপের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান—সমাজে ভালোবাসা ও ভাতৃত্ববোধ ফিরিয়ে আনতে পারে।

আমাদের দায়িত্ব হলো নিজ নিজ জীবন ও আচরণে সম্মান, ভালোবাসা ও ভাতৃত্ববোধ বজায় রাখা। এই মূল্যবোধগুলো সমাজে ছড়িয়ে দিলে হিংসা ও বিদ্বেষের প্রকোপ কমানো সম্ভব। সম্পর্কের অটুট শক্তি, যা মূলত ভালোবাসা ও ভাতৃত্ববোধে নিহিত, তা পুনরায় সক্রিয় করা যায় সচেতনতা, সহমর্মিতা এবং মানবিক মূল্যবোধকে অঙ্গীকার করার মাধ্যমে।

শেষবারে বলা যায়, সম্পর্কের শক্তি শুধুমাত্র ভালোবাসা, সম্মান এবং ভাতৃত্ববোধে নিহিত। হিংসা ও বিদ্বেষ থেকে মুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে আমাদের সকলকে সচেতন, সহমর্মী এবং মানবিক হতে হবে। সমাজে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফেরাতে সম্পর্কের এই মূল ভিত্তি সবাইকে মেনে চলা আবশ্যক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd