• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সিলেটের দক্ষিণ সুরমা এলাকার কিনব্রিজের নিচে সুইপার কলোনী যেন ধীরে ধীরে পরিণত হচ্ছে মাদকের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে   ডিবি (উত্তর) অভিযানে ১ কেজি ৫০০গ্রাম গাঁজাসহ ৪ জন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আশুলিয়া জামগড়ার শীর্ষ সন্ত্রাসী হিমেল মীরকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪ বুড়িচং এ ৪৭তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত রাজশাহীর তানোরে বাম্পার বোরো ফলন সোনালী স্বপ্নে বিভোর কৃষক, তবে দুশ্চিন্তায় বাজার ও মৎস্যজীবীরা বিদায় অনুষ্ঠানে আবেগঘন মুহূর্ত, ভান্ডারিয়ায় সংবর্ধিত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকবৃন্দ আনোয়ারায় তীব্র বিদ্যুৎ সংকট, দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা! ডিবি (উত্তর)-এর পৃথক অভিযানে ১.৫ কেজি গাঁজাসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আনোয়ারায় সংস্কারের অভাবে বেহাল দশা সড়কের, জনদুর্ভোগের শেষ নেই অনলাইন গণমাধ্যমের ভূমিকা: সম্ভাবনা, সংকট ও দায়বদ্ধতার নতুন দিগন্ত

ডেমাজানী কাছারী বাড়ি: শাজাহানপুরের ঐতিহ্যের এক প্রাচীন নিদর্শন

Reporter Name / ১৬৮ Time View
Update : বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫

মোঃ ফারুক সরকার,

জেলা প্রতিনিধি বগুড়া

বগুড়া জেলার শাজাহানপুর উপজেলার ডেমাজানী গ্রামে অবস্থিত ডেমাজানী কাছারী বাড়ি প্রায় তিন শতাধিক বছরের পুরনো এবং এটি শাজাহানপুরের অন্যতম ঐতিহাসিক স্থাপনা।
***প্রতিষ্ঠাতা ও পরিবার
ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী, বাড়িটি প্রতিষ্ঠা করেন জমিদার নৃসিংহ চক্রবর্তী, যিনি বলিহার রাজপরিবারের একজন প্রধান সদস্য ছিলেন। এই কাছারী বাড়ি মূলত প্রশাসনিক কাজের কেন্দ্র হিসেবে নির্মিত হয়েছিল। জমিদার নৃসিংহ চক্রবর্তী এখান থেকে এলাকার গ্রাম ও খাজনা প্রশাসন দেখাশোনা করতেন।
তার পরে বাড়ি পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন তাঁর উত্তরসূরিরা:
রাজেন্দ্র চক্রবর্তী
গোবিন্দ চক্রবর্তী
প্রেমনাথ চক্রবর্তী
তাঁরা স্থানীয় প্রশাসনিক কাজ ও ন্যায়বিচার, জমির হিসাব এবং কর আদায়ের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। বাড়ির আশেপাশে কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের থাকার জন্য পৃথক কক্ষ ছিল।

ব্যবহার ও গুরুত্ব
ডেমাজানী কাছারী বাড়ি শুধু জমিদার পরিবারের আবাসস্থল নয়; এটি ছিল প্রশাসনিক কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। স্থানীয় গ্রামবাসী এখানেই খাজনা পরিশোধ করতেন এবং নানা ধরনের প্রশাসনিক সমস্যা সমাধান হতো।
এ বাড়ির স্থাপত্যে পাকা দেয়াল, খিলান আকৃতির দরজা এবং প্রাচীন কারুকাজ ছিল। পাশাপাশি বাড়ির পাশেই ছিল একটি দিঘি এবং ছোট একটি মন্দির, যা আজও আংশিকভাবে দৃশ্যমান।

পরবর্তী ইতিহাস ও বর্তমান অবস্থা
১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর জমিদার পরিবার ভারতে চলে যান। এরপর বাড়িটি পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে এবং পরবর্তীতে সরকারি খাসজমি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
বর্তমানে এটি ঐতিহাসিক স্থাপনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং সরকারি দপ্তরের উদ্যোগে সংরক্ষণ বা পুনঃনির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

উপসংহার
ডেমাজানী কাছারী বাড়ি শাজাহানপুরের ইতিহাস ও সংস্কৃতির এক গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। জমিদার নৃসিংহ চক্রবর্তী এবং তাঁর উত্তরসূরিদের পরিচালনায় এই বাড়ি প্রায় তিন শতাব্দী ধরে গ্রামীণ প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করেছে। এটি আজও স্থানীয় ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করছে এবং সরকারের সংরক্ষণ উদ্যোগের মাধ্যমে ঐতিহ্য হিসেবে সংরক্ষণ করার দাবি এলাকাবাসীর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd