শাহপরান
ক্রাইম রিপোর্টার
পটুয়াখালী জেলার চরবিশ্বাস ও চরকাজল অঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়া সমাজসেবক ও শিল্পপতি আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফা সাহেবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০০ সালে আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফা তাঁর প্রয়াত পিতার নামে প্রতিষ্ঠা করেন হাজী কেরামত আলী ডিগ্রি কলেজ। শিক্ষা বিস্তারের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত এই কলেজটি বর্তমানে চরবিশ্বাস ও চরকাজল ইউনিয়নের সর্ববৃহৎ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
প্রতিষ্ঠার পর কলেজটি ২০১১ সালে এমপিওভুক্ত হয়। এর আগে দীর্ঘ ১১ বছর যাবৎ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন তিনি নিজস্ব প্রতিষ্ঠান কে. আলী গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ থেকে পরিশোধ করেন।
এছাড়া তিনি নিজ মায়ের নামে সালেহা খাতুন দাখিল মাদ্রাসা, পিতার নামে কেরামতিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। শুধু তাই নয়, গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলার অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অসহায় মানুষের সহায়তায় তিনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ আলিম উজ্জামান কর্তৃক মিথ্যা তথ্যের আশ্রয়ে আবেদন ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন, আলিম উজ্জামান কলেজ প্রতিষ্ঠাতা ও কে. আলী পরিবারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছেন।
চরবিশ্বাস এলাকার একাধিক সচেতন নাগরিক ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা জানান,
যে মানুষ নিজের অর্থ ও শ্রমে শিক্ষা বিস্তারে এমন ভূমিকা রেখেছেন, তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা বা অপপ্রচার অত্যন্ত লজ্জাজনক।”
প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা আরও দাবি করেন, যদি এ ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তবে এটি হবে প্রতিষ্ঠাতা পরিবার ও সমগ্র চরবিশ্বাসবাসীর প্রতি অবিচার।
তারা প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফা সাহেবের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন, চরবিশ্বাস ও চরকাজল ইউনিয়নের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে একটি প্রকাশ্য সভা আয়োজন করে প্রজেক্টরের মাধ্যমে সত্য ঘটনা তুলে ধরার ব্যবস্থা নিতে।
স্থানীয় জনমনে ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা বলেন,
“হাজী কেরামত আলী ডিগ্রি কলেজ শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয়, এটি আমাদের গর্ব ও আমাদের প্রাণ। এর সুনাম রক্ষায় আমরা ঐক্যবদ্ধ।”
হাজী কেরামত আলী ডিগ্রি কলেজ প্রতিষ্ঠিত: ২০০০ সাল
এমপিওভুক্ত: ২০১১ সাল
প্রতিষ্ঠাতা: আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফা