• মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
চরফ্যাশনে ৯৩ পিস ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী আটক ভাণ্ডারিয়ায় নুরুল ইসলাম মঞ্জুরের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ফকিরহাটে চিংড়ী শিল্প রক্ষায় প্রান্তিক চাষীদের সংবাদ সম্মেলন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে তানোরবাসীকে সার্কেল এএসপি আব্দুস সালামের শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ ​দৌলতখানে জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ শাজাহানের পরিবারে জামায়াতের ঈদ উপহা পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন সাংবাদিক রিয়াদুল ইসলাম জামাল মধ্যনগরে বিজিবি সদস্যের ওপর হামলা মামলার ২ নম্বর আসামি জিয়ারুল গ্রেফতার সোনারগাঁও থানা পুলিশ কর্তৃক দুর্ধর্ষ ডাকাত সর্দার রিমন ওরফে সিলাই লিমন গ্রেফতার পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন আবুল খায়ের মৃধা সাংবাদিক ফরহাদ হোসেন রাজের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

ফকিরহাটে চিংড়ী শিল্প রক্ষায় প্রান্তিক চাষীদের সংবাদ সম্মেলন

Reporter Name / ১৫ Time View
Update : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬

মোঃ হাফিজুর রহমান বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি :

বাগেরহাটের ফকিরহাটে চিংড়ী পেনা সংকট, চিংড়ী খাত ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে, চিংড়ী শিল্প রক্ষায় সরকারের দৃষ্টি কামনা করে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন প্রান্তিক চাষীরা।

দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি চিংড়ি শিল্প আজ চরম সংকটে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন চিংড়ি চাষীরা। নদী থেকে চিংড়ির পোনা আহরণ, পরিবহন, ক্রয় ও বিক্রয়ের ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞার কারণে এই শিল্প ধ্বংসের মুখে পড়েছে বলে দাবি করে অবিলম্বে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান চাষীরা।

সোমবার (২৫ মে) বেলা ১১টায় ফকিরহাট নেু মার্কেটে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে প্রান্তিক চাষীদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি শেখ কামরুল ইসলাম গোরাা।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বাগেরহাটের ফকিরহাট, মোল্লাহাট, চিতলমারী, রামপাল, মোংলা, খুলনার তেরখাদা, রূপসা, দিঘলিয়া এবং সাতক্ষীরাসহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলের লাখো মানুষ চিংড়ি চাষের ওপর নির্ভরশীল। প্রায় দুই দশক আগে ফকিরহাটের ফলতিতা চিংড়ি মার্কেট “বাংলার কুয়েত” হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। একসময় ‘সাদা সোনা’ খ্যাত এই চিংড়ি খাত থেকে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হলেও বর্তমানে শিল্পটি টিকে থাকাই কঠিন হয়ে পড়েছে।

দেশে বিদ্যমান হ্যাচারিগুলো মোট চাহিদার মাত্র ৫ থেকে ৭ শতাংশ পোনা সরবরাহ করতে সক্ষম। তাও মানসম্মত নয়। ফলে অধিকাংশ চাষীকেই নদীর প্রাকৃতিক পোনার ওপর নির্ভর করতে হয়। কিন্তু পোনা আহরণের পর থেকেই জেলেদের পথে পথে হয়রানি, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতি চলতে থাকলে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে চিংড়ি খাত থেকে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ৫ শতাংশে নেমে আসতে পারে। এখনও পর্যন্ত চাষীরা প্রয়োজনীয় পোনার ১০ শতাংশও ঘেরে ছাড়তে পারেননি।”

নদীর জীববৈচিত্র্য রক্ষার নামে বাস্তবতা বিবেচনা না করেই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তাদের দাবি, পোনা সংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে চিংড়ির পোনা আলাদা করে অন্যান্য মাছের পোনা নদীতে ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করলে একই সঙ্গে জীববৈচিত্র্য ও চিংড়ি শিল্প দুই-ই রক্ষা করা সম্ভব।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, দেশের প্রান্তিক ও স্বল্পশিক্ষিত মানুষের শ্রম ও উদ্যোগে অনাবাদি জমিকে ঘিরে গড়ে উঠেছে এই সম্ভাবনাময় শিল্পখাত। অথচ এখন নানা বিধিনিষেধ ও নীতিগত জটিলতায় শিল্পটি অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে।

এসময় বক্তারা সরকারের প্রতি জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, চিংড়ি সেক্টরের ঘের থেকে শুরু করে রপ্তানিকারক পর্যন্ত ৭ থেকে ৮টি স্তরে দক্ষিণাঞ্চলের কয়েক লাখ মানুষের জীবন-জীবিকা জড়িত। শতভাগ রপ্তানিমুখী এই শিল্পকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে না দিয়ে আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা ও টেকসই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আরও সমৃদ্ধ করার আহ্বান জানান তারা। #


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd