• শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নাগেশ্বরী উপজেলা শাখার উদ্যোগে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ধামসোনা ইউনিয়ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইসরাফিলের গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারণা ঢাকা জেলায় ডিবির পৃথক অভিযানে ৭০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ​পৌরসভার আর্থিক সংকট কাটাতে আইন অনুযায়ী কর আদায়ের বক্তব্যকে অপপ্রচার বলে দাবি তানোরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে জিআর পরোয়ানাভুক্ত দুই কুখ্যাত অপরাধী গ্রেফতার দক্ষিণ সুরমায় কিশোর গ্যাং প্রধান অন্তরের ত্রাস: অধরা ‘রাঘববোয়াল’, বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতিতে যা বলা হলো বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন নাগেশ্বরী উপজেলা শাখার উদ্যোগে গণমিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে দৌলতখানে জামায়াতের গণমিছিল, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি জুলাই বিপ্লবের মহানায়ক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, শহীদ ও আহত পরিবার পাবেন মিরপুরে ফ্ল্যাট – গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী

দক্ষিণ সুরমায় কিশোর গ্যাং প্রধান অন্তরের ত্রাস: অধরা ‘রাঘববোয়াল’,

Reporter Name / ৪০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬

আহমেদ আকবর

সিলেট

লোকদেখানো অভিযানে ক্ষুব্ধ সচেতন মহল, সিলেটের দক্ষিণ সুরমার ক্বিন ব্রিজের প্রবেশদ্বার সংলগ্ন কদমতলী কুমিল্লা পট্টি এবং পার্শ্ববর্তী সুইপার কলোনি (মেথর পট্টি) এলাকা এখন অপরাধের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। স্থানীয় কিশোর গ্যাং প্রধান, কুখ্যাত জুয়ার এজেন্ট ও পাইকারি মাদক ডিলার অন্তরের নেতৃত্বে এখানে গড়ে উঠেছে এক বিশাল অপরাধ সিন্ডিকেট।

মাস খানেক আগে স্থানীয় সচেতন নাগরিক, যুবসমাজ ও প্রশাসনের উপস্থিতিতে অন্তরকে আটক করা হলেও, জেল থেকে ছাড়া পেয়ে সে আরও দ্বিগুণ বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।দৈনিক লাখ লাখ টাকার বাণিজ্য, নিজস্ব ‘লাঠিয়াল বাহিনী’অনুসন্ধানে জানা গেছে, দক্ষিণ সুরমার এই কুমিল্লা পট্টিতে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ লক্ষ টাকার মাদক ও জুয়ার অবৈধ বাণিজ্য চলে। এই বিশাল অপরাধ সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখতে এবং বড় বড় মাদকের চালান নিরাপদে ‘হ্যান্ডওভার’ করতে অন্তরের রয়েছে একটি নিজস্ব ‘লাঠিয়াল বাহিনী’।

এই বাহিনীর পেছনেই প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা খরচ করা হয়। এই লাঠিয়াল বাহিনীর মূল কাজই হচ্ছে জুয়ার আসর পাহারা দেওয়া এবং মাদক কারবারিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।মসজিদের কাছেই অপরাধের নিরাপদ আস্তানা ‘মিনি কাষ্ঠঘর’স্থানীয়রা জানান, ঐতিহ্যবাহী বারথখলা এলাকার সুনাম ক্ষুণ্ন করছে এই সিন্ডিকেট। বারথখলা জামে মসজিদের মাত্র ৩০ গজ দূরে অবস্থিত সুইপার কলোনিটি এখন অপরাধীদের কাছে ‘মিনি কাষ্ঠঘর’ নামে পরিচিত। এটি মাদক কারবারি ও ছিনতাইকারীদের সবচেয়ে নিরাপদ আস্তানায় পরিণত হয়েছে। দক্ষিণ সুরমার যত বড় বড় অপরাধের সিন্ডিকেট, তার মূল নিয়ন্ত্রণ হয় এই কুমিল্লা পট্টি ও মেথর পট্টি থেকেই।প্রশাসনের অভিযান নিয়ে ‘আইওয়াশ’ ও ‘পেছনের দরজা’র অভিযোগএলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দক্ষিণ সুরমার সচেতন নাগরিক ও মসজিদ বাজার এলাকার ব্যবসায়ীরা।

তাদের মতে, মাঝেমধ্যে প্রশাসন যে অভিযান চালায়, তা কেবলই ‘আইওয়াশ’ বা লোকদেখানো।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “মূল হোতারা যতক্ষণ অধরা থাকবে, ততক্ষণ শুধু রিকশাচালক বা চুনোপুঁটি ধরে মাদক ও অপরাধ বন্ধ করা যাবে না। প্রশাসন সামনের দরজা বন্ধ করে অভিযান চালালে অপরাধীরা পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যায়।”আগামী প্রজন্মকে বাঁচানোর আকুতিস্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, রাজনৈতিক বা প্রভাবশালী মহলের ‘বড় গাছের ছায়া’ (খুঁটির জোর) ছাড়া দক্ষিণ সুরমার বুকেই এত বড় মাদকের স্পট চালানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়। তাই এই ধরনের লোকদেখানো অভিযান বন্ধ করে, অপরাধের মূল হোতা কিশোর গ্যাং প্রধান অন্তরসহ পর্দার আড়ালের ‘রাঘববোয়ালদের’ অতিদ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায়, ধ্বংসের মুখে পড়বে এলাকার আগামী প্রজন্ম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd