• শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:৫৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সাভারে আর্জেন্টিনার জার্সি পড়ে ৪০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ৩ সিলেটের মোহাম্মদপুর থেকে আ ট ক পারভেজ ও রিপন সিলেট খাদিম পাড়া বহর কলোনীতে ইয়াবার রমরমা ব্যবসা বুড়িচংয়ে কথিত কিশোর গ্যাং ‘বিকেজি’র লিডার ছাব্বির আটক বিশ্বব্যাপী বিভ্রাটে সাময়িকভাবে অচল ফেসবুক, ভোগান্তিতে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা দক্ষিণ সুরমায় মাদক ও জুয়ার আস্তানায় পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত তানোরে চা বিক্রেতার মেয়ের মেডিকেলের পড়া লিখা কি টাকার অভাবে বন্ধ হয়ে যাবে ? মধ্যনগরে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ভাবনা প্রদর্শনী ব্রাহ্মণপাড়ায় একাধিক মামলার আসামি শাহীন গ্রেপ্তার সিলেটে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: মাদক ও অস্ত্রসহ আটক শতাধিক

তানোরে ৩০ ফুট গভীরে পড়ে ২ বছরের শিশু, জীবন-মরণের লড়াই

Reporter Name / ১৬০ Time View
Update : বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫

হামিদুর রহমান,

তানোর রাজশাহী প্রতিনিধি

: রাজশাহীর তানোর উপজেলায় মাটির প্রায় ৩০ ফুট নিচে বরিংয়ের গর্তে পড়ে এক ২ বছরের শিশুর জীবন-মরণের লড়াই চলছে। শিশুটিকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনাটি স্থানীয় এলাকাজুড়ে ব্যাপক উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার সৃষ্টি করেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে, তানোর উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট উত্তর পাড়ায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন আগে ওই এলাকায় গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য মাটিতে বরিং করা হয়। তবে প্রয়োজনীয় পানির স্তর (লেয়ার) না পাওয়ায় বরিংয়ের কাজ বন্ধ করে গর্তটি মাটি দিয়ে ভরাট করা হয়।
পরবর্তীতে সাম্প্রতিক অনাকাঙ্ক্ষিত বন্যার পানিতে ভরাট করা মাটি ধুয়ে গিয়ে গর্তটি আবারও গভীর হয়ে পড়ে। এর ফলে বরিংয়ের গর্তটি প্রায় ৩০ ফুট গভীরে পরিণত হয়, যা বাইরে থেকে বোঝা কঠিন হয়ে ওঠে।
এ সময় গর্তটির পাশেই খেলাধুলা করছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা রাকিবের ২ বছরের শিশু সন্তান সাজিদ। খেলতে খেলতে একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত শিশুটি বরিংয়ের গর্তে পড়ে যায়।
ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে এলাকাবাসী শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন এবং দ্রুত তানোর ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, শিশুটিকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য গর্তে অক্সিজেন সরবরাহ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মাটি সরিয়ে নিরাপদভাবে উদ্ধারের লক্ষ্যে ডেজার (এক্সকাভেটর) মেশিন আনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে কাজ করছেন, যাতে শিশুটির কোনো ক্ষতি না হয়।
ঘটনাস্থলে শিশুদের স্বজন, স্থানীয় বাসিন্দা ও উৎসুক জনতার ভিড় জমেছে। সবার চোখে-মুখে উৎকণ্ঠা, একটাই প্রার্থনা—সাজিদকে জীবিত ও সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হোক।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে। প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিস পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd