• বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সততা ও কর্মের প্রতি শ্রদ্ধাবোধই মানুষের শ্রেষ্ঠ পরিচয় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে দলীয়করণ নয়, বাদ যাবে না কোনো পরিবার,,,,,,,,গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর নাগেশ্বরীতে ত্যাগী তৃণমূল বিএনপির বিক্ষোভ, ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দক্ষিণ সুরমায় পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবকের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা, অল্পের জন্য রক্ষা ভাণ্ডারিয়ায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত মিথ্যা সংবাদ আর ভিত্তিহীন অপপ্রচারের নির্মম শিকারে পরিনত হয়েছে গৌরিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব হাবিবুর রহমান ভাণ্ডারিয়ায় বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজির পূজামণ্ডপ পরিদর্শন নাগেশ্বরীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহ বিষয়ে সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত রাইস ট্রান্সপ্লান্টারে আধুনিক ধান চাষ: ডুমুরিয়ায় মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হাটহাজারীতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রমশন দিবস পালিত

আওয়ামী লীগের ভোটব্যাংক টানার চেষ্টা-বিএনপি-জামায়াতের প্রচারণা তাণ্ডব, 

Reporter Name / ২৮৫ Time View
Update : শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

মোঃ শাহজাহান বাশার

গাজীপুর চৌরাস্তার মোড়ের পাশে একটি ছোট চায়ের দোকান। নির্বাচনী সময় হওয়ায় দোকানের পাশের বেঞ্চে দুই ব্যক্তি নিয়ে আলোচনা গর্জন করছে। হাতে রয়েছে একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকা। চোখে চোখ রাখে রাজনৈতিক খবর, কথায় কথায় মিলছে ভোটের আগের উত্তাপ।

আলোচনার সূত্রপাত হয় এলাকার ভোট পরিস্থিতি থেকে। স্থানীয়রা একমত, এবারের নির্বাচনে সরকার গঠনের ছবি এখনও পরিষ্কার নয়। যদিও বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের জনসমাবেশে উপস্থিতি বেশ চোখে পড়ে, তবে জামায়াত কতটা সংগঠিতভাবে ভোট সংগ্রহ করতে পেরেছে, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা। গাজীপুরের বেশিরভাগ আসনই বিএনপির দখলে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।

চায়ের দোকানের আলাপচারীদের মধ্যে একজন আলমগীর হোসেন বলেন,এবার নির্বাচনে দুই পক্ষই প্রচারণা চালাচ্ছে। মানুষকে ভোট দেওয়ার জন্য আকৃষ্ট করা হচ্ছে। বিএনপি এগিয়ে আছে, তবে আওয়ামী লীগের ভোটাররা যদি কেন্দ্রে যান, ভোটের ফলাফল অন্যরকম হতে পারে। জামায়াত কিছুটা পাবে, কিন্তু মূল চাপে আছে বিএনপি। আওয়ামী লীগের নেতারা তো বহুদিন ধরে পলাতক। পরিচিত কর্মীরাও নেই।”

আলোচনার আরেক ব্যক্তি রিপন হোসেন যোগ করেন,সব প্রার্থীই প্রচারণায় ব্যস্ত। নির্বাচনের দিনকে ঘিরে কে জিতবে তা বলা কঠিন। জামায়াতও আঁটসাঁটভাবে মাঠে নেমেছে, তাই ফলাফলের নিশ্চয়তা নেই।”

স্থানীয় ভোটার মমতা বেগম বলেন,আমি দীর্ঘদিন এই এলাকায় ভোট দিই। এবারের নির্বাচনে ধানের শীষ বা দাঁড়িপাল্লা, উভয়ই ভোট চেয়েছে। আমি অবশ্য ভোট দিতে যাবো।”

আরেক ভোটার খলিল মিয়া জানান,এলাকায় শিল্প কারখানা আছে। ভোটের সময় কারখানা বন্ধ থাকবে। তখন বাড়িতে গেলে ভোট দেবো। আগে মুজিবুর সাহেব (বিএনপি প্রার্থী) সভা করতে পারেননি, এখন সবাই সমর্থন দিচ্ছে। বিএনপির নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়েছে।”

গাজীপুর-১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৭ লাখ ২০ হাজার ৯৩৯। এর মধ্যে পুরুষ ৩ লাখ ৬০ হাজার ২৩৪, নারী ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬৯৩ এবং হিজড়া ১২ জন। আসনটি কালিয়াকৈর উপজেলা ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ১–১৮ নং ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত।

স্থানীয়দের মূল চাহিদা যানজট নিয়ন্ত্রণ, চুরি ও ছিনতাই প্রতিরোধ, মাদক নির্মূল, গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ও শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি। তবে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগের ভোটব্যাংক এখনও শক্তিশালী। নেতারা পলাতক থাকলেও স্থানীয় অনুসারীরা ভোটের মাধ্যমে প্রভাব ফেলতে পারেন।

জামায়াতের প্রার্থী মো. শাহ্ আলম বকশী বলেন”ভোটাররা নানা কারণে কেন্দ্রে যাবে বা যাবে না। শ্রমিকদের ভোট পাওয়ার ব্যাপারে আমরা আশাবাদী। নির্বাচিত হলে দুর্নীতি ও মাদক নির্মুলের উদ্যোগ নেব। আওয়ামী লীগ-বিএনপির ভোটও আমাদের কিছুটা পাওয়ার আশা রয়েছে।”

এদিকে বিএনপির প্রার্থী সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা যায়নি। গাজীপুরের রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এবারের নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতের প্রচারণা ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে। আওয়ামী লীগের ভোটাররা যদি কেন্দ্রে যান না, তাহলে তাদের ভোটব্যাংক যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে পারবে না। সেক্ষেত্রে বিএনপি-জামায়াতের জন্য সুযোগ সৃষ্টি হবে।

স্থানীয়দের নজরেও প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো ভোটারদের কেন্দ্রে আসার উৎসাহ বৃদ্ধি করা। যেকোনো সময় এই আসনে রাজনৈতিক হালচালের ছবিই পুরো নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত করতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd