মময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি লুৎফর রহমান রাজীব
বিস্তারিত : ফ্যাসিবাদের পতন হলেও, পতন হয়নি তাদের শিকড়ের, পতন হয়নি তাদের প্রেতাত্মা দের। একটি সুনির্দিষ্ট সিন্ডিকেট পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে অস্থিতিশীল করতে চাইছে দেশের আভ্যন্তরিন শৃঙ্খলা রক্ষায় সবচেয়ে গুরুতপুর্ন বাহিনীকে তথা বাংলাদেশ কে পুলিশকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় ১৫-২০ জন ওসি পদমর্যাদার অফিসার থেকে শুরু করে শতশত এসআই রা শিকারে পরিনত হচ্ছে হলুদ মিডিয়ার আগ্রাসী আক্রমনে। জন্মের পর থেকেই পুলিশকে কখনো সোজা হয়ে দাড়াতে দেয়নি কোন সরকারই। বিগত প্রতিটি সরকারই পুলিশকে একপ্রকার লাঠিয়াল বাহিনীর মত ব্যবহার করে এসেছে শুধুমাত্র গদি রক্ষার জন্য। অথচ আনলিমিটেড ডিউটি তে নিয়োজিত এই বাহিনীকেই দিতে সাজতে হয় কখনো বলির পাঠা বা কখনো কোরবানির জন্য। আর তেমনি এক নির্মম অপপ্রচারের শিকারের টার্গেটে পরিনত হয়েছে সৎ ও সাহসী অফিসার ইনচার্জ গৌরিপুর এর ওসি হাবিবুর রহমান। কি অপরাধ তার ১৯ পিস ইয়াবা সহ আটক করেছিলেন সাংবাদিক নামের দুজন কলঙ্কিত কে। তারই প্রেক্ষাপটে আজ লাগাতার মিথ্যা অপপ্রচার এর লজ্জাকর ঘানি মাথায় নিয়ে অসহায় এর মত এখনো করে যাচ্ছে শান্তি শপথে বলীয়ান এর গুরুতপুর্ন দায়িত্ব। কিন্ত কতদিন টিকতে পারবেন হাবিবুর এর মত সততার আদর্শে গড়া লড়াকু সৈনিক রা।প্রায় অধিকাংশ জায়গায়ই মিথ্যা অপবাদ মাথায় নিয়ে কেউ হয়তো হচ্ছেন ” সংযুক্ত বা প্রত্যাহারের শিকলে আবার কেউ হয়তো নীরবে ফেলছে চোখের জল। গত দুদিন আগে দেখলাম খুলসী থানার কুখ্যাত অপরাধী ৩২ টি মামলার আসামী ” বগা” নামের মুজিববাদী কোর্তা খুলে নব্য জাতীয়তাবাদ এর লেবাস পড়া এক অপরাধী কে ধরতে গিয়ে বদলির শিকার হয়েছেন ওসি আ: রহিম। হয়তো কাল দেখতে হবে বড় হেডলাইনে” গৌরিপুর এর ওসি বদলের কৃত্রিম নাটক”।
তবে সরকারকে কঠাের হতে হবে, সাংবাদিকেরা লিখতে পারে তবে সেই লেখা যেন হয় সত্যের পোষাক আর প্রমানের অলংকারে সজ্জিত। যেন আর কোন আব্দুল রহিম কিংবা গৌরিপুর এর হাবিবুর রহমান কে মিথ্যা বলীর শিকার না হতে হয়।