• মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
ষড়যন্ত্র মূলক অপপ্রচারের শিকার ঝালকাঠির নবাগত পুলিশ সুপার বদরুল আলম তানোরে তসলিমা ইলেক্ট্রনিক্স ও ওয়ালটন শোরুমে জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আমিন খান সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মুরগিটোলায় জবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১৩ তানোরে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপন বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভান্ডারিয়ায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত রাজধানীতে শাহাদাত-এ কারবালা মাহফিল মোহাম্মদপুরে সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার দৈনিক যুগান্তর বাংলাদেশের দুই সাংবাদিক মোহাম্মদপুরে সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার দৈনিক যুগান্তর বাংলাদেশের দুই সাংবাদিক কুমিল্লা লালমাইয়ে গৃহবধূর কোপে যুবকের মৃত্যু: আত্মরক্ষার দাবি, ঝুমনার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

সিসিক’র অনিয়ম দুর্নীতি ও দেড় মাসে মেয়র সিন্ডিকেট নিয়োগ বাণিজ্য ছিলো ০৪ কোটি টাকা

Reporter Name / ১১৭ Time View
Update : শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫

মোতালেব খা

স্টাফ রিপোর্টারঃ

সিলেট সিটি কর্পোরেনে (সিসিক) অনিয়ম দুর্নীতির তালিকায় যোগ হয়েছে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ বাণিজ্য।

অস্থায়ী ভিত্তিতে এ বাণিজ্যের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন মেয়র ও তার নিয়োগ সিন্ডিকেট।

কাজ নেই,’চেয়ার নেই, টেবিল নেই, টোল নেই বসারও জায়গা নেই।

তবুও প্রত্যেক মেয়াদে চলে লোকবল নিয়োগ বাণিজ্য।

কাজের চেয়ে’১৫% বেশি জনবল রয়েছে সিলেট সিটি কর্পোরেশনে।

সূত্রমতে সরকারি অনুমোদন না থাকায় প্রতিবারই দৈনিক মজুরিতে লোকবল নিয়োগ দিয়ে থাকে সিটি কর্পোরেশন।

আর এ নিয়োগে অঢেল টাকা বাণিজ্য হয় মেয়রসহ নিয়োগ সিন্ডিকেট সদস্যদের।

এভাবে বৃদ্ধি পেতে পেতে বর্তমানে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ৮০ ভাগই হয়ে গেছেন সিন্ডিকেট কর্তৃক নিয়োগের মাধ্যমে।

এক হিসেব মতে বর্তমানে মাস্টার রোল তথা অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগকৃত লোকবলের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮০৫ জনে। তন্মধ্যে সম্প্রতি ৪৪ জনকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

মেয়র পালিয়ে যওয়ায় তাদের ফাইল অনুমোদন না হওয়ায় তারা বাদ পড়েছেন বলে জানা গেছে।

সূত্রমতে ২০২৪ সালের ২১ জুন আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী মেয়রের দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই সক্রিয় হয়ে উঠে তার অনুগত নিয়োগ বাণিজ্য সিন্ডিকেট।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত মাত্র দেড় মাস সময়ের মধ্যে মাস্টার রোলে অস্থায়ী চাকরি দেওয়া হয় ১৭৫ জনকে।

তাদের মধ্যে অনেক আওয়ামী লীগ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ভেভিলও রয়েছেন।

দলীয় ভিত্তিতে নিয়োগপ্রাপ্ত অনেকেই আবার নিয়োগ বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েন।

মেয়রে দলীয় ও ঘনিষ্ট লোকজনছাড়া অন্যদের কাছে থেকে মোটা অঙ্কের টাকাও নেওয়া হয়।

পদ ভেদে প্রত্যেকের কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেওয়া হয়।

এতে করে চলতি সেশনেই মেয়র, মেয়রের পিএস, এপিএস-সহ নিয়োগ সিন্ডিকেটের ঘুষবাণিজ্য হয়েছে প্রায় চার কোটি টাকা।

আর এ নিয়োগ বাণিজ্যে জড়িত ছিলেন আনোয়ারুজ্জামানের ঘনিষ্টজন আওয়ামী ডেভিল সাজলু লশকর, শংকর দাশ, শামীম, একলিমসহ কয়েকজন।

এদের মাধ্যমেই চাকরী প্রার্থীদের নিয়ে আসা হতো এবং ঘুষের টাকা আদায় করা হতো বলে অভিযোগে প্রকাশ।

গত বছরের ৫ আগস্ট পট পরিবর্তনের ফলে পালিয়ে যান মেয়র এবং পরে অপসারিত হন।

কম সময়ের মধ্যে ৪৪ জন মেয়রের অনুমোদন না পাওয়ায় তারা চাকরি থেকে বাদ পড়ে যান।

নিয়োগে একমাস পরই তাদের ছাটাই করা হলেও নিয়োগে দেওয়া টাকা আর ফেরত পাননি তারা।

তাই তারা আর্থিক ও পারিবারিক ভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্থ হলেও আর্থিক ভাবে লাভবান হয়েছেন মেয়র ও তার নিয়োগ সিন্ডিকেট।

সূত্র জানায় যে ৪৪ জন কর্মচারীকে বাদ দেওয়া হয়েছে তারা সিসিকের বিভিন্ন সেকশনে মাস্টাররোলে কর্মরত ছিলেন। তারা একমাস কাজ করেছিলেন।

একমাসের বেতনও নিয়েছেন। আর যেহেতু এ বিষয় সরাসরি মেয়র দেখেন।

যেহেতু মেয়র পদ নেই বিধায় তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়ার ফাইল অনুমোদন হয়নি।

তাই তাদেরকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে তাদেরকে কাজে ফিরিয়ে আনতে জোর চেষ্টা চালাচ্ছে সিসিকে নিয়োগপ্রাপ্ত একদল লোক।

তারা ইতোমধ্যে কর্মচারি সংগঠন ও নির্বাচন করে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে সূত্রে প্রকাশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd