• বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সততা ও কর্মের প্রতি শ্রদ্ধাবোধই মানুষের শ্রেষ্ঠ পরিচয় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে দলীয়করণ নয়, বাদ যাবে না কোনো পরিবার,,,,,,,,গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর নাগেশ্বরীতে ত্যাগী তৃণমূল বিএনপির বিক্ষোভ, ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দক্ষিণ সুরমায় পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবকের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা, অল্পের জন্য রক্ষা ভাণ্ডারিয়ায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত মিথ্যা সংবাদ আর ভিত্তিহীন অপপ্রচারের নির্মম শিকারে পরিনত হয়েছে গৌরিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব হাবিবুর রহমান ভাণ্ডারিয়ায় বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজির পূজামণ্ডপ পরিদর্শন নাগেশ্বরীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহ বিষয়ে সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত রাইস ট্রান্সপ্লান্টারে আধুনিক ধান চাষ: ডুমুরিয়ায় মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হাটহাজারীতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রমশন দিবস পালিত

ঢাকা-৮ আসনে উত্তাপ চরমে, প্রকাশ্য বিতর্কে মির্জা আব্বাস ও নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীকে আহ্বান মেঘনা আলমের

Reporter Name / ৪৭৯ Time View
Update : বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

মোঃ শাহজাহান বাশার

জাতীয় নির্বাচনের ভোটের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই জমে উঠছে নির্বাচনী আমেজ। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনী হাওয়া এখন রীতিমতো উত্তপ্ত। বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর মধ্যকার প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভোটারদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

সম্প্রতি নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী ও তার সমর্থকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, মির্জা আব্বাসের সমর্থকেরা তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে আলোচনা, পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও নানা বিতর্ক।

এমন পরিস্থিতিতে ঢাকা-৮ আসনের আরেক প্রার্থী, আলোচিত মডেল ও সাবেক মিস আর্থ বাংলাদেশ মেঘনা আলম দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীকে একসঙ্গে প্রকাশ্য বিতর্কে বসার আহ্বান জানিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব মেঘনা আলম তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পোস্টে বলেন,
“মির্জা আব্বাস ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে মানুষকে কমপেয়ার করার সুযোগ দেই—কাজে ও কথায় আসলে কে বেশি পারদর্শী।”

আরেক পোস্টে তিনি লেখেন,
“শ্রদ্ধেয় মির্জা আব্বাস ও স্নেহের নাসিরউদ্দিনকে আহ্বান জানাচ্ছি—আসুন উন্নত বিশ্বের মতো পাবলিকের সামনে একসাথে গঠনমূলক ডিবেট করি।”

মেঘনা আলমের এই আহ্বান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কেউ এটিকে ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ এটিকে নির্বাচনী কৌশল হিসেবেও বিবেচনা করছেন।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ডিসেম্বর গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে দলের প্রাথমিক সদস্য ফরম পূরণ করেন মেঘনা আলম। একই দিনে তিনি দলটির পক্ষ থেকে ঢাকা-৮ আসনের মনোনয়ন ফরমও সংগ্রহ করেন, যা তার নির্বাচনী প্রস্তুতিকে আরও স্পষ্ট করেছে।

এর আগে ঢাকা-৮ আসন নিয়ে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মেঘনা আলম বলেছিলেন, তিনি এই এলাকাকে বাংলাদেশের মধ্যে নারীদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে চান। এর ব্যাখ্যায় তিনি বলেন,
“ঢাকা-৮ এলাকায় নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আধুনিক ও কার্যকর বিশেষ সিসিটিভি ব্যবস্থা চালু করা হবে, যাতে পথ চলাচলের সময় কোনো নারী স্ট্রিট হ্যারাসমেন্ট বা অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শের শিকার না হন।”

তিনি আরও জানান, ঢাকা-৮ এলাকায় একটি বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে তার। এতে করে মানুষ নিরাপদে হেঁটে চলাচল করতে পারবে এবং সাইকেল ব্যবহারের সুযোগ পাবে। পাশাপাশি এলাকার মানুষের পুষ্টিচাহিদা নিশ্চিত করা, পরিচ্ছন্ন জীবনযাপন গড়ে তোলা এবং সামাজিক ও আইনগত সচেতনতা বৃদ্ধি—এই বিষয়গুলোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এর আগে দেওয়া একাধিক বক্তব্যে মেঘনা আলম বলেন, অভিজ্ঞতার দিক থেকে মির্জা আব্বাসের বিশ্রাম নেওয়ার সময় এসেছে, আর নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর আরও শেখার সুযোগ রয়েছে। তবে এসব মন্তব্যের পরও এখন পর্যন্ত মির্জা আব্বাস কিংবা নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী—কেউই তার আহ্বান বা বক্তব্য নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।

ঢাকা-৮ আসনে ত্রিমুখী আলোচনার এই রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ভোটারদের মধ্যে কৌতূহল ও আগ্রহ আরও বাড়িয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। প্রকাশ্য বিতর্কের আহ্বান বাস্তবায়িত হয় কি না, সেদিকেই এখন নজর সবার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd