• বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সততা ও কর্মের প্রতি শ্রদ্ধাবোধই মানুষের শ্রেষ্ঠ পরিচয় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে দলীয়করণ নয়, বাদ যাবে না কোনো পরিবার,,,,,,,,গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর নাগেশ্বরীতে ত্যাগী তৃণমূল বিএনপির বিক্ষোভ, ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দক্ষিণ সুরমায় পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবকের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা, অল্পের জন্য রক্ষা ভাণ্ডারিয়ায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত মিথ্যা সংবাদ আর ভিত্তিহীন অপপ্রচারের নির্মম শিকারে পরিনত হয়েছে গৌরিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব হাবিবুর রহমান ভাণ্ডারিয়ায় বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজির পূজামণ্ডপ পরিদর্শন নাগেশ্বরীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহ বিষয়ে সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত রাইস ট্রান্সপ্লান্টারে আধুনিক ধান চাষ: ডুমুরিয়ায় মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হাটহাজারীতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রমশন দিবস পালিত

কুমিল্লার গৌরীপুর বাজারে ভয়াবহ আগুন, ২৫টি দোকান পুড়ে ছাই

Reporter Name / ৩২৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

মোঃ শাহজাহান বাশার

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ভোররাত সাড়ে চারটার দিকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ঢাকা–হোমনা সড়ক সংলগ্ন বাজারের পূর্ব পাশের কাঠপট্টি এলাকায় ফার্নিচারের দোকান থেকে শুরু হওয়া আগুন মুহূর্তের মধ্যেই আশপাশের দোকানগুলো গ্রাস করে।

দাউদকান্দি, হোমনা ও চান্দিনা ফায়ার সার্ভিসের মোট নয়টি ইউনিট টানা আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় সকাল সাতটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে বাজারের প্রায় ২৫টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, আগুনের সূত্রপাত একটি ফার্নিচারের দোকান থেকে। দোকানে থাকা দাহ্য কেমিক্যাল ও রঙের কারণে আগুন দ্রুত ভয়াবহ আকার নেয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন চারপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।

ব্যবসায়ীদের দাবি অনুযায়ী, আগুনে অন্ততঃ ১০টি ফার্নিচারের দোকান, একটি ইলেকট্রিক ও এসি শোরুম, ২টি অটোরিকশা গ্যারেজ, ৪টি মুদি দোকান এবং চাল ও খেজুরের একটি গোডাউন সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে। ফার্নিচার ব্যবসায়ী আমির হোসেন বলেন,এই আগুনে আমাদের সব শেষ হয়ে গেছে। শুধু ফার্নিচার মার্কেটেই কয়েক কোটি টাকার মালামাল ছিল।”

প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৪ কোটি টাকার বেশি হতে পারে।কুমিল্লা ফায়ার সার্ভিসের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন,আগুন নিয়ন্ত্রণে আমাদের সব ইউনিট একযোগে কাজ করেছে। তবে সঠিক কারণ এখনো নিরূপণ করা যায়নি।”

দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবদুল হালিম জানান, গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা আগুন নেভাতে ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছেন। তিনি বলেন,ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নিরূপণে তদন্ত চলছে। ঘটনার সঠিক কারণও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, এ ধরনের বড় অগ্নিকাণ্ডে উপজেলা প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না, যা ভবিষ্যতে জরুরি ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার ক্ষেত্রে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে।

ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সম্মিলিত প্রচেষ্টা না থাকলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি হতে পারত। তবে স্থানীয়রা এখন তাদের ব্যবসার বড় ক্ষতির মুখোমুখি এবং পুনর্গঠন করতে বড় চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd