• সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র আশুলিয়ায় থানা আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন ​বিষধর সাপের কামড়ে নিভল অসহায় জেলে বাবলুর জীবনপ্রদীপ তানোরে জমি নিয়ে সংঘর্ষের অভিযোগ লোহার সাবলের আঘাতে দু’জন আহত, পাঁচজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ মাসাসের পক্ষ থেকে কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাদুল বারী আবুকে ফুলেল শুভেচ্ছা ‎ ​দৌলতখানে এমপি’র ঐচ্ছিক তহবিলের অনুদান, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত বিশ্বশান্তির আহ্বানে নিউইয়র্কে ‘ইন্টারন্যাশাল পিস কনফারেন্স-২০২৬’ অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে শুরু সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬ ৮০ হাজার কোটি টাকার ঋণ ও শেয়ার জালিয়াতিতে চুপ্পুর কোম্পানিও জড়িত পদার্থে দুইটি ভুলের পর এবার রসায়ন পরীক্ষার ৮ সৃজনশীল এর ৪টিতেই ভুল শাহজালাল বিমানবন্দরের গেটের কাছে আগুন

৮০ হাজার কোটি টাকার ঋণ ও শেয়ার জালিয়াতিতে চুপ্পুর কোম্পানিও জড়িত

Reporter Name / ২৫ Time View
Update : রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬

মারুফ হাসান

ফটোসাংবাদিক

ইসলামী ব্যাংকের ৮০ হাজার কোটি টাকার ঋণ ও শেয়ার জালিয়াতিতে জড়িত ছিলেন সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ও তার কোম্পানি জেএমসি বিল্ডার্সসহ এস আলমের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো।

এ বিষয়ে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।

ইসলামী ব্যাংকের করা রিটের পর হাইকোর্টের বিচারপতি আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি ওয়ালিউল ইসলাম ২০২৫ সালের ১১ মার্চ তিনটি নির্দেশনা ও রুল জারি করেন।

তিনটি নির্দেশনা হলো- ৫ আগস্টের পর ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড ভেঙে দেওয়ার পূর্বের বোর্ড ডিরেক্টরগণ ঋণ জালিয়াতিতে জড়িত থাকায় আদালতের অনুমতি ছাড়া বিদেশ যেতে পারবেন না। এবং তাদের ব্যাংক হিসেব জব্দের নির্দেশ, এবং কোম্পানি জেএমসি বিল্ডার্সের কোনো শেয়ার হস্তান্তর করতে পারবে না।

পাশাপাশি বাংলাদেশ ফাইন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বিএফআইইউকে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরে ২০২৫ সালের ২৯ অক্টোবর প্রতিবেদন দাখিল করে বিএফআইইউ। কিন্তু দীর্ঘদিন এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়নি।

এ মামলায় ইসলামী ব্যাংকের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার মো. আব্দুল কাউয়ুম, বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার শামীম খালেদ আহমেদ।

ইসলামিক ইকোনমিক রিসার্চ ব্যুরোররপক্ষে ছিলেন জ্যৈষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনির।

এ বিষয়ে আইনজীবী শিশির মনির এ প্রতিবেদককে বলেন, ইসলামী ব্যাংক থেকে জেএমসি বিল্ডার্সের ২৪টি কোম্পানির নাম দিয়ে মোট ৮১ দশমিক ৯২ শেয়ার হস্তান্তর করেন। ২০১৭ সাল থেকে ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপতি হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সাহাবুদ্দিন চুপ্পু এসব শেয়ার জালিয়াতিতে জড়িত ছিলেন। কেননা তিনি তখন জেএমসি বিল্ডার্সের প্রতিনিধি ডিরেক্টর হিসেবে ইসলামী ব্যাংকের দায়িত্ব পালন করে এসব শেয়ার অনুমোদন করেন।

শিশির মনির বলেন, রিটে আমাদের চাওয়া এস আলমের কর্তৃক দখলকৃত শেয়ার তার উদ্যোক্তা শেয়ার হোল্ডার বা প্রকৃত মালিকদের নিকট ফিরিয়ে দেওয়া। এছাড়া ঋণ জালিয়াতি ও শেয়ার জালিয়াতির অপরাধে অভিযুক্ত যেই হোক তাকে বিচারের আওতায় নিয়ে আসা।

তিনি বলেন, একটি প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ১০ ভাগ শেয়ার নিতে পারে। কিন্তু এস আলম ও তাদের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ইসলামী ব্যাংক থেকে ৮১ দশমিক ৯২ ভাগ শেয়ার জালিয়াতির মাধ্যমে হস্তান্তর করে সর্বমোট ২ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ তুলে নেয়। তন্মধ্যে শুধুমাত্র জেএমসি বিল্ডার্স ২৪টি শেয়ার জালিয়াতির মাধ্যমে ৮০ হাজার কোটি টাকা উঠিয়ে নেয়।

আগামী বুধবার রুল প্রতিবেদনের ওপর শুনানি রয়েছে। বিচারপতি মুজিবুর রহমান মিয়া ও রেজাউল করিমের বেঞ্চে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd