মোঃ আব্দুল মোতালিব খান
স্টাফ রিপোর্টার সিলেট
দক্ষিণ সুরমায় তীর জুয়ার সিন্ডিকেট দিনে দিন লাগামহীন বেপরোয়া হয়ে উঠছে। পুলিশ প্রশাসন বার বার এসকল জুয়ারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রেখেছেন আর জুয়ারীরা ও বার বার জায়গা পরিবর্তন করে তাদের অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে তীর জুয়া এমন একটি খেলা যা নিজের হাতের মোবাইলে পরিচালনা করা যায় যে খানে সে খানে বসে ও এর কর্মকাণ্ড চালানো সম্ভব শুধু মোবাইলে whatsapp খোলা থাকলেই চলে আর বিকাশ account। সকল ব্যবসায় যেমন খুচরা ও পাইকারী ব্যবসা করা যায় ঠিক তীর জুয়ার ও তেমন পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা করা যায়। পাইকার মানে সিন্ডিকেটের মূল হোতা মোবাইল নিয়ে বসে থাকেন বাস টানমিনাল থেকে নিরাপদ দূরত্বে আর খুচরা কারবারীরা টার্মিনাল এলাকার ভিতরে বিভিন্ন বাসের পিছনে বিভিন্ন খালি বাসে বসে বিভিন্ন চিপা চাপা পরিতাত্ত্ব জায়গায় বসে কাস্টমারদের কাছ থেকে খেলার গুটি নিয়ে তীর জুয়ার মুল হুতার whatsapp নাম্বারে গুটি পাঠান বর্তমানে এভাবেই চলছে বাস টার্মিনাল এলাকায় তীর জুয়ার ব্যবসা খুচরা যারা খেলা নেয় এরা সবাই বেতন ভোগী কর্মচারী সিন্ডিকেটের মুলহুতা গডফাদার থাকেন সব সময় নিরাপদ দূরত্বে। বর্তমানে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ অপরাধ অপকর্মে বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করছেন অপরাধী দের আইনের আওতায় আনছেন যেমন বুংগারী দের বুংগার মাল সহ দরে আইনের আওতায় আনছেন ফ্যসিস আওয়ামিলীগের নিষিদ্ধ সংগঠন ছাএ লীগের তত্য পেলেই দরে আইনের আওতায় আনছেন যে সকল হোটলে নৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগ ছিল অভিযান চালিয়ে সতস্য পেলেই আইনের আওতায় আনছেন এবং হোটেল সিলগালা করে দিচ্ছেন আর জুয়ারী দের দরে আইনের আওতায় আনছেন ও জুয়ার বোড ভেঙ্গে দিচ্ছেন তীর জুয়ার কঠিন কোন আইন না থাকায় জুয়ারীরা আটক হওয়ার পরের দিন বা ৩/৪ দিন পরে জামিনে বেরিয়ে এসে ঠিক আবার তাদের অপকর্ম শুরু করে দেয়। এত কঠোর অভিযানের মাঝে ও জসিম সিন্ডিকেটের তীর জুয়ার দৌরাত্ব কমানো যাচ্ছে না। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় দক্ষিণ সুরমা পুলিশ ফাঁড়ির উল্টা পাশে শতাব্দী কমপ্লেক্সের এর রাস্তার মুখে জননী কুরিয়ার সার্ভিসের পাশে ও একটি খালি বাসে বসে জসিম সিন্ডিকেটের সদস্যরা তীর জুয়া খেলা পরিচালনা করছে। জনমনে প্রশ্ন ওঠাটা স্বাভাবিক জসিমের বাড়ী চাঁদ পুরে তার বড় ভাই আক্তারের হাত ধরে এই তীর জুয়ার ব্যবসায় এসেছে এরা তো বাহিরের জেলা থেকে এসে সিলেটের পরিবেশ নষ্ট করছে।
গত ০৩/১১/২০২৫ তারিখ আনুমানিক বিকাল ১৭.০৫ মিনিটে সিলেট মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি)পুলিশ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনানের শতাব্দী কমপ্লেক্স গলির ভিতর অভিযান পরিচালনা করে তীর জুয়া খেলার সময় জসিমের বাতিজা সহ ৪ (চার) জন কে গ্রেফতার করে আসামিদের কোর্টে সোপর্দ করা হয় পরে তারা জামিনে বেরিয়ে এসে আবার তাদের তীর জুয়ার ব্যবসা শুরু করে দেয়। এরকম তীর জূয়ার বিরুদ্ধে অনেক দিন যাবত নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিজে ও অনেক অভিযান পরিচালনা করে তীর জুয়ার অনেক বোড ও ভেঙ্গে দিয়েছেন। কিন্তুু জসিম সিন্ডিকেটের এত দুঃসাহস হল কি করে পুলিশ প্রশাসন যখন সকল অবৈধ ব্যবসা-বাণিজ্য সহ সকল অপকর্মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন এই সময় দক্ষিণ ফাঁড়ির খুব কাছে বসে তীর জুয়া খেলা দে দারছে চালাচ্ছে দক্ষিণ সুরমা বাস স্ট্যান্ড কর্তৃপক্ষ কি এই তীর জুয়ারী দের বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে বিতাড়িত করতে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন কারন এই জুয়ারীরা পুরো বাস স্ট্যান্ড এলাকায় তাদের তীর জুয়া ছড়িয়ে দিয়েছে বাসস্ট্যান্ডের চিপা চাপা খালি বাস সে খানেই সুযোগ পায় ঠিক সে খানেই শুরু করে দেয়। এই তীর জুয়া খেলা মানুয গুলো একে বারে সর্বস্বান্ত হয়ে যখন পকেটে আর কোন টাকা থাকে না তখনই নানা ধরনের অপকর্মে জড়িয়ে পড়ে। তাই এই তীর জুয়া বন্ধে শুধু পুলিশ প্রশাসনের উপর সব দায়ভার না চাপিয়ে সবাই মিলে সামাজিক ভাবেই একটা পতিকার গড়ে তুলি এবং তারা যে সকল জায়গায় বসে খেলা পরিচালনা করে যেমন বাসস্ট্যান্ড এলাকা রেল স্টেশান এলাকা এসকল জায়গার দায়িত্বে যারা আছেন তারা তাদের দিক থেকে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে যাতে করে তাদের এলাকায় ঢুকে তীর জুয়া খেলা পরিচালনা করতে না পারে সকলের নিজ নিজ অবস্থান থেকে তীর জুয়া বন্ধে এগিয়ে আসি আর কে কোথায় বসে খেলা চালাচ্ছে এটা তো এমন এক খেলা সহজে সবাই বুঝতে পারে না তাই সবাই মিলে তীর জুয়ারী কে চিহ্নিত করতে পুলিশ প্রশাসনকে সহায়তা করি বা নিজের দরে আইনের হাতে তুলে দেই আর আসুন সবাই মিলে যুব সমাজটাকে রক্ষা করি।
চেষ্টা করব আগামী সংবাদ প্রচারে দক্ষিণ সুরমার তীর জুয়ার সিন্ডিকেটের মুখোশ উন্মোচন করতে।