আহমেদ আকবর
দক্ষিণ সুরমা প্রতিনিধি সিলেট
সিলেট মহানগর ও আশপাশের এলাকায় বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার নিয়ে গ্রাহক ভোগান্তি ও অসন্তোষ চরম আকার ধারণ করেছে। সম্প্রতি প্রিপেইড মিটারগুলোতে রিচার্জ করার পর কোনো কারণ ছাড়াই অস্বাভাবিকভাবে টাকা কেটে নেওয়া এবং ব্যালেন্স দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় শত শত গ্রাহক। ভুক্তভোগীদের দাবি, কোনো আগাম নোটিশ বা যৌক্তিক কারণ ছাড়াই মিটার থেকে যেন ‘জাদুকরী’ উপায়ে টাকা উধাও হয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা চলছে। সিলেটের জনপ্রিয় আঞ্চলিক সংবাদ মাধ্যম ‘Sylhetview’ এর একটি ফেসবুক পোস্টে দেখা যায়, গ্রাহকরা এই অস্বাভাবিক টাকা কাটার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।
গ্রাহকদের ভোগান্তি ও অভিযোগ:
সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, আগে যেখানে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট টাকা রিচার্জ করলে পুরো মাস চলে যেত, এখন সেখানে রিচার্জ করার কয়েকদিনের মাথায় ব্যালেন্স শূন্য হয়ে যাচ্ছে। জরুরি ব্যালেন্স নিলেও তার ওপর মাত্রাতিরিক্ত চার্জ বা জরিমানা কেটে নেওয়া হচ্ছে। [1]
নগরীর এক ভুক্তভোগী গ্রাহক জানান, “মিটারে টাকা রিচার্জ করার পরপরই দেখা যায় বড় একটি অংশ ভ্যাট, ডিমান্ড চার্জ বা অন্যান্য হিডেন চার্জের নামে কেটে নেওয়া হচ্ছে। বিদ্যুৎ ব্যবহার না করলেও টাকা কাটার এই হার কোনোভাবেই স্বাভাবিক নয়।”
নতুন ট্যারিফ ও টোকেন জটিলতা:
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সম্প্রতি বিদ্যুতের নতুন মূল্যহার বা ট্যারিফ পরিবর্তনের কারণে এবং মিটার রিচার্জে দীর্ঘ ২২০ ডিজিটের টোকেন নাম্বার জটিলতার পর থেকেই এই ভোগান্তির শুরু। অনেক গ্রাহকের ধারণা, নতুন ট্যারিফ আপডেটের পর মিটারের সফটওয়্যার বা সার্ভার জটিলতার কারণে গ্রাহকদের অ্যাকাউন্ট থেকে বাড়তি টাকা কেটে নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া একসঙ্গে এত বড় ডিজিট মিটারে প্রবেশ করাতে গিয়ে সামান্য ভুল হলেই মিটার ‘লক’ হয়ে যাচ্ছে, যার ফলে গ্রাহকদের বিদ্যুৎহীন অবস্থায় দিন কাটাতে হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষের বক্তব্য:
গ্রাহকদের এমন ক্ষোভ ও অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) সিলেট অঞ্চলের কর্মকর্তারা জানান, প্রিপেইড মিটারে অতিরিক্ত টাকা কাটার কোনো সুযোগ নেই। সরকারের ট্যারিফ পরিবর্তন ও বকেয়া অ্যাডজাস্টমেন্টের কারণে হয়তো রিচার্জের সময় কিছু