• বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন, খুলছে টোলমুক্ত সার্ভিস সেতু নবনিযুক্ত রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে ডিআইজি আশিক সাঈদের সৌজন্য সাক্ষাৎ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ কুমিল্লা-৫-এর শিক্ষাবিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জনমানুষের নেতা অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনুস: একটি নাম, একটি ইতিহাস সব ক্ষমতার একমাত্র মালিক আল্লাহ শিক্ষায় বিনিয়োগ ৫ শতাংশে উন্নীত করতে চান প্রধানমন্ত্রী: শিক্ষামন্ত্রী বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী রাজশাহীতে পতাকা উত্তোলন, পায়রা ও বেলুন-ফেস্টুন উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন তানোরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সিলেটে ‘সিনিয়র-জুনিয়র’ দ্বন্দ্বে তরুণকে ছুরিকাঘাত, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওসমানিতে ভর্তি বর্তমান সরকার দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে নিরলস কাজ করছে – গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী

সাবেক সেনাপ্রধান ইকবালের সতর্কবার্তা: র‌্যাবে মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান

Reporter Name / ২৬৮ Time View
Update : রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫

মোঃ শাহজাহান বাশার,

সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ

ঢাকা: সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়া তার ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেছেন, র‌্যাবে কর্মরত থাকাকালে মেজর জেনারেল (বরখাস্ত) জিয়াউল আহসান কীভাবে সাধারণ নাগরিক, রাজনৈতিক কর্মী ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের অপহরণ ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।

ইকবাল করিম লিখেছেন, তরুণ অফিসারদের র‌্যাবে পাঠানো হতো, সেখানে তারা এমন এক চরিত্র ধারণ করত যেন পেশাদার খুনি। তিনি সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর এই প্রবণতা বন্ধ করার চেষ্টা করেছিলেন এবং প্রধানমন্ত্রীকেও বিষয়টি অবগত করেছিলেন। তবে বাস্তবে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

সাবেক সেনাপ্রধান আরও লিখেছেন, কর্নেল (পরে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ও ডিজি এসএসএফ) মুজিবকে নির্দেশ দিয়েছিলেন জিয়াউল আহসানকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে। কিছুদিন ক্রসফায়ারের ঘটনা কমলেও পরে তা পুনরায় ঘটে। জিয়াউল আহসান র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার দায়িত্ব গ্রহণের পর তার আচরণ আরও উচ্ছৃঙ্খল হয়ে ওঠে। তিনি তার আবাসিক টাওয়ারে অস্ত্র রাখতেন, গার্ড বসাতেন এবং সিসিটিভি স্থাপন করতেন।

জিয়াউল আহসান বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর ২৪তম লং কোর্সের কর্মকর্তা। ২০০৯ সালে র‌্যাব-২ তে যোগদান করেন এবং পরবর্তী সময়ে র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) ও ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ইকবাল করিম ভূঁইয়ার বর্ণনায় জানা যায়, জিয়াউল আহসান হত্যাকাণ্ড ও গুমের ঘটনায় সরাসরি জড়িত ছিলেন। গুম কমিশনের সূত্রে জানা গেছে, জিয়াউল আহসানের টিম এক হাজার ৩০ জনকে গুম ও হত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিল। এছাড়া, তিনি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ পর্যবেক্ষণ, কল রেকর্ড ও নিরাপত্তা বাহিনীর মাধ্যমে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করাতেও যুক্ত ছিলেন।

সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া তার লেখায় সতর্কবার্তা দিয়েছেন, জিয়াউল আহসান এমন একজন কর্মকর্তা ছিলেন যাকে নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত কঠিন ছিল এবং তার আচরণ সেনাবাহিনী ও সাধারণ মানুষের জন্যও ভয়ঙ্কর পরিণতি ডেকে এনেছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd