মারুফ হাসান
ফটো সাংবাদিক
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তার মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) জামালপুরের সরিষাবাড়ী আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তাফিজুর রহমান এ আদেশ দেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, জামালপুর-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও তৎকালীন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান এক ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজের টকশোতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তার মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ করা হয়।
মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, এসব মিথ্যাচার, অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের কারণে তারেক রহমান ও জাইমা রহমানের ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে এবং দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এ ঘটনায় জামালপুর জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সহসভাপতি ও সাবেক ছাত্রদল নেতা লায়ন রুমেল সরকার বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ডা. মুরাদ হাসানের পাশাপাশি টকশোর উপস্থাপক চট্টগ্রামের পটিয়া পৌর এলাকার এটিএম আবুল কাশেমের ছেলে মহি উদ্দিন হেলাল নাহিদকেও আসামি করা হয়েছে।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনিরুজ্জামান জানান, গত বছরের ২৪ মে সরিষাবাড়ী আমলি আদালতের তৎকালীন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রুকসানা পারভীন মামলাটি আমলে নিয়ে দুই আসামির বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। তবে সমন জারির পরও তারা আদালতে হাজির না হয়ে পলাতক থাকায় আদালত তাদের হাজির হওয়ার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
আদালতের আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরও আসামিরা আদালতে আত্মসমর্পণ না করলে তাদের অনুপস্থিতিতেই মামলার বিচারকার্য পরিচালিত হবে।