• মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
ধামসোনা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইসরাফিলের গণসংযোগ, জনপ্রিয়তায় তুঙ্গে সাভার ডিবির বিশেষ অভিযানে ১১০ পিস ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেফতার ভোলায় সামাজিক সংগঠন ‘স্বপ্নীল’র কমিটি গঠন মোহাম্মদ আলী নিরব বন্যাদুর্গত ৩০০ পরিবারের মাঝে ঢেউটিন, নির্মাণসামগ্রী ও খাদ্য সহায়তা বিতরণ ‎প্রতিমন্ত্রীর নাম ও সিল ব্যবহার করে তদবির বাণিজ্য, চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার ভাণ্ডারিয়ায় সীমানা নিয়ে বিরোধের জেরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে জখম॥ গ্রেপ্তার-১ তেজগাঁও কলেজে দুই দিনব্যাপী ‘লাল জুলাই’ উদযাপন, প্রশাসনের অনুপস্থিতি নিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ এমপিকে উপেক্ষা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন উদ্বোধনের অভিযোগে তানোরে জামায়াতের বিক্ষোভ বরুড়ায় ট্রাকভর্তি মাদক উদ্ধার আশুলিয়ায় নব্য মেরামতকৃত রাস্তায় ভয়াবহ দুর্ঘটনা ​

বাংলাদেশ-পাকিস্তানে ‘ধর্মীয় নিপীড়নের’ শিকার সংখ্যালঘুদের ভারতের নতুন আইনে ছাড়

Reporter Name / ৪১৯ Time View
Update : বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

মোঃ শাহজাহান বাশার ,সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার

বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে অথবা নিপীড়নের আশঙ্কায় ভারতে আশ্রয় নেওয়া সংখ্যালঘুদের জন্য বিশেষ ছাড় ঘোষণা করেছে ভারত সরকার। ‘অভিবাসন ও বিদেশি আইন, ২০২৫’ নামে নতুন আইনটি ১লা সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে।

ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একগুচ্ছ গেজেট নোটিফিকেশন জারি করে এ আইন কার্যকর করা হয়। যদিও আইনটি গত এপ্রিল মাসেই দেশটির সংসদে পাস হয়েছিল।

এর আগে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনে (CAA) বলা হয়েছিল— ২০১৪ সালের ৩১শে ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেশী তিন দেশ থেকে নিপীড়নের শিকার হয়ে ভারতে প্রবেশ করা সংখ্যালঘুরাই আশ্রয় পাওয়ার অধিকারী হবেন। কিন্তু নতুন আইনে সময়সীমা ১০ বছর বাড়ানো হয়েছে। এখন ২০২৪ সালের ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত যারা ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন, তারাও একই সুবিধার আওতায় আসবেন।

নতুন আইনে বলা হয়েছে, প্রতিবেশী দেশগুলোর ধর্মীয় সংখ্যালুরা বৈধ পাসপোর্ট বা ভিসা ছাড়াই ভারতে আশ্রয় নিতে পারবেন। নিপীড়নের কারণে সীমান্ত পাড়ি দেওয়াকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে না। ফলে তারা ‘অবৈধ অভিবাসী’ হিসেবে গ্রেফতার বা প্রত্যর্পণের ঝুঁকি ছাড়াই ভারতে থাকতে পারবেন।

অন্যদিকে, এই আইনে অবৈধ অভিবাসীদের আটক, প্রত্যর্পণ এবং দেশজুড়ে বিদেশি ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। অর্থাৎ যাদের ওপর ধর্মীয় নিপীড়নের অভিযোগ প্রযোজ্য হবে না, তাদের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আইনটি কার্যকর হওয়ার পর বিশেষত বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি অনুভব করবেন বলে মনে করা হচ্ছে। ভারতে আশ্রয় নেওয়া এইসব মানুষের জন্য এটি স্বস্তির হলেও প্রতিবেশী দেশগুলোর কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে ইতোমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এ পদক্ষেপ ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক কূটনীতিতেও নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd