• শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৮:২১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
কাভার্ডভ্যান ভর্তি প্লাস্টিক দানা আত্মসাৎ: চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার ৩ জন, মালামাল উদ্ধার তানোরে ডাসকো ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন কোন দেশের সাথে প্রভুত্ব নয়—রাষ্ট্রের স্বার্থেই চাই বন্ধুত্ব ফজলুল উলুম মাদরাসার কমিটি গঠন: সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন আছমত আলী ক্যাশ বাংলাদেশের নির্বাচনে পুনরায় সহ-সভাপতি নির্বাচিত হলেন আলহাজ্ব ডা. এম. এ কাদের খাঁন তানোরে জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানে ১৮টি বকনা বাছুর বিতরণ সোশাল মিডিয়ায় ভুয়া ফেইক আইডি দ্বারা অপপ্রচার গোমতী নদীর পাড় সুরক্ষা ও ভাঙ্গন রোধে প্রয়াত এমপির প্রচেষ্টা ট্রেনের টয়লেট থেকে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ উন্মুক্ত টেন্ডারের নামে জালিয়াতি করে হাট বরাদ্দের অভিযোগ !

ধামরাইয়ে প্রস্তাবিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দানকৃত জমি দখল, তিন যুগেও স্কুল না হওয়ায় স্বপ্ন ভেঙেছে এলাকাবাসীর

Reporter Name / ২৪৭ Time View
Update : রবিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৫

মাহবুবুল আলম রিপন

স্টাফ রিপোর্টার

ধামরাইয়ের কুশুরা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে তিন যুগ ধরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য অপেক্ষা করছেন এলাকাবাসী। তবে স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য বরাদ্দকৃত জমি দখল করে নিয়েছেন জমি দাতার ছেলে, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান। জমিতে টানানো প্রস্তাবিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাইনবোর্ড ফেলে দিয়ে সে জমি এখন আবাদ করছেন তিনি।

স্থানীয়রা জানান, রামদাইর এলাকার মো. রোস্তম আলী খান ও আব্দুল মান্নান খান তাদের পৈতৃক জমি থেকে ১১ শতাংশ জমি জহির উদ্দিন খানের নামে লিখে দেন। পরে জহির উদ্দিন খান ১১ শতাংশ সহ মোট ৩৩ শতাংশ জমি ১৯৯৪ সালে রামদাইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য শিক্ষা সচিবকে দানপত্র দলিল করে দেন (দলিল নং: ১০৭৩৬)।

তবে জহির উদ্দিন খানের ছেলে আব্দুর রহমান স্কুল প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে আসছেন। স্থানীয়রা জানান, আব্দুর রহমান প্রায় ১০ বছর আগে স্কুলের জন্য বরাদ্দকৃত জমি দখল করে টিনের ঘর নির্মাণ করেছেন।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, রামদাইর গ্রামে সরকারি স্কুলের জন্য ৩৩ শতাংশ জমি দেওয়া হয়। এরমধ্যে ২২ শতাংশ জমি দেয় আব্দুর রহমান খানের বাবা জহির উদ্দিন খান। তবে জমি দেওয়ার পর থেকেই জহির উদ্দিন খানের ছেলে আব্দুর রহমান স্কুলের বিরোধিতা করে আসছেন। কারণ স্কুল না হলে জমি ফিরিয়ে নিবে তাই আব্দুর রহমান বিরোধিতা করেছেন। একপর্যায়ে ১০ বছর আগে তার বাবার দেওয়া জমি দখল করে টিনের ঘর নির্মাণ করেন তিনি। তার বিরোধিতার জন্যই এলাকায় স্কুল হয়নি।

হাশেম খান বলেন, “আমাদের এলাকায় কোনো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বা কিন্ডারগার্টেন নেই। গ্রামের ছোট শিশুদের অনেক দূরে গিয়ে পড়তে হয়। আমরা চাই গ্রামের মধ্যে একটি সরকারি স্কুল হোক, যাতে বাচ্চাদের পড়াশোনা সহজ হয়।”

অবৈধ দখলের বিষয়ে আব্দুর রহমান জানান, “জমি আমাদের দখলে আছে। স্কুল হয়নি, তাই আমরা মামলা করে জমি ফিরিয়ে নিয়েছি। ভবিষ্যতে স্কুল করতে চাইলে নিজে আয়োজন করব। প্রয়োজন হলে আরও জমি দেব।”

তার বাবা স্কুলের নামে কতো শতাংশ জমি দিয়েছিলেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার বাবা কতো শতাংশ জমি দিয়েছিল তা বলতে পারবো না। আমি তখন এলাকার বাইরে চাকরি করছি। তিনজনে মিলে স্কুলের নামে ৩৩ শতাংশ জমি দিয়েছিল। এলাকার দুই জন আমার বাবার নামে জমি দেয়। আমার বাবা আবার পুরো জমিটা স্কুলের নামে দেয়। স্কুলটা অলরেডি চলছিল। স্কুল পরে বন্ধ হয়ে যায়। স্কুলটা বন্ধ হয়ে গেলে এটার আর কার্যকারিতা থাকে না। যার যার জমি তার তার দখলেই আছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd