মোঃ ইলিয়াছ খান ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি
দৈনিক যুগান্তর বাংলাদেশ পত্রিকা:
বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও দ্রুত সুস্থতা কামনায় ফরিদপুরের মধুখালিতে দোয়া মাহফিল ও ব্যাপক জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শক্রবার দুপুরে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে উপজেলা সদরের কেন্দ্রীয় মাঠে এ আয়োজনে বিএনপির কেন্দ্রীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ঢল নামে।
সমাবেশ শুরু হওয়ার আগেই বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে এসে নেতাকর্মীরা মাঠে জড়ো হন। সমাবেশস্থলে খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় নানান প্ল্যাকার্ড, ব্যানার ও ফেস্টুন প্রদর্শিত হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম। তিনি বলেন, “দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রতীক। তাঁর সুস্থতা দেশের ১৮ কোটি মানুষের প্রত্যাশা। সরকার যদি মানবিক বিবেচনায় বিদেশে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ দিতো তবে আজ তিনি আরও দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে পারতেন।”
সমাবেশের প্রধান বক্তা ও ফরিদপুর-১ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার নাসিরুল ইসলাম বলেন, “খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি গণতন্ত্রের আপসহীন লড়াকু সৈনিক। তাঁর অসুস্থতা আমাদের সকলকে ব্যথিত করেছে। এ দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে আমরা তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।”
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—
সৈয়দ মোদাররেছ আলি ইছা, আহবায়ক, ফরিদপুর জেলা বিএনপি
কিবরিয়া স্বপন, সদস্যসচিব, ফরিদপুর জেলা বিএনপি
আব্দুল আলীম মানিক, সাধারণ সম্পাদক, মধুখালি উপজেলা বিএনপি
কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন, সাবেক সদস্য, কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটি
বিশেষ অতিথিরা বলেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক সুস্থতা ও মুক্তি আজ দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের প্রধান দাবি। তাঁরা আরও বলেন, দেশনেত্রী সুস্থ থাকলে বিএনপির আন্দোলন আরও বেগবান হবে এবং জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার সংগ্রাম জোরদার হবে।
আলোচনা শেষে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘায়ু, সুস্থতা ও শান্তির জন্য বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। দোয়া মাহফিলে দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও সাধারণ জনগণ অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শাহাবুদ্দিন আহমদ শাতেজ, সভাপতি, মধুখালি উপজেলা বিএনপি। তিনি বলেন, “মধুখালির বিএনপি সবসময় দেশনেত্রীর পাশে আছে এবং থাকবে। তাঁর সুস্থতা আমাদের সবার আকাঙ্ক্ষা।”
দোয়া মাহফিল ও জনসমাবেশ সফল করতে উপজেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সার্বিক সহযোগিতা করেন।