• শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০২:২৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন ভান্ডারিয়ার মনিরুল ইসলাম সোহাগ যুবদলের কমিটি ঘোষণা ১৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ এই কমিটির সভাপতি মুন্না সাধারণ সম্পাদক নয়ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে তানোরে ৪০০ দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে ৫ লাখ টাকা নগদ সহায়তা বিতরণ পুস্যাবের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি অনুমোদন কৃষ্ণপুর বায়তুল আমান দাখিল মাদ্রাসার একাডেমিক ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ কাজের শুভ উদ্বোধন ঢাকা জেলা ডিবি (উত্তর) বিশেষ অভিযানে ১ জন চোর দলের সদস্য গ্রেফতার লালমোহনে সালিশি বৈঠকের মাঝেই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ৭ ড্রেনে ফেনসিডিল ও স্কাপের বোতল এ কেমন সমাজ গড়ছি আমরা? তানোর উপজেলার করিমপুর গ্রামের সরকারি গোরস্থানের জমি দখলে চেষ্টার অভিযোগ, এলাকাজুড়ে উত্তেজনা ডিসি অফিসের মিটিংয়ের অজুহাতে অফিসে অনুপস্থিত? তানোর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে ঘিরে জনমনে প্রশ্ন

জয়পুরহাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে জলাতঙ্ক ভ্যাকসিনের রোগী

Reporter Name / ২১৪ Time View
Update : শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

সুকমল চন্দ্র বর্মন (পিমল)
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ

জয়পুরহাটে দিন দিন উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে জলাতঙ্ক ভ্যাকসিন নিতে আসা রোগীর সংখ্যা। প্রতিদিন গড়ে ৩০০ থেকে ৩৫০ জন রোগী জেলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে জলাতঙ্ক প্রতিরোধে টিকা নিচ্ছেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যকই বিড়ালের আঁচড় বা কামড়ে আক্রান্ত।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, জনবল সংকটের কারণে দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্স ও চিকিৎসকরা প্রচণ্ড চাপের মুখে পড়ছেন। সিনিয়র স্টাফ নার্স মাছুমা আক্তার বলেন, ‘২৫০ শয্যা হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে দেড় হাজার রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। এর মধ্যে জলাতঙ্ক ভ্যাকসিন দেয়ার রোগীই তিন শতাধিক। জনবল সংকটের কারণে সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।’

স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, শুধু কুকুর নয়, বিড়ালের কারণেও জলাতঙ্কে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা বাড়ছে। জয়পুরহাট শহরের বিশ্বাসপাড়া এলাকার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুমি আক্তার জানান, অসুস্থ বিড়ালের যত্ন নিতে গিয়ে কামড় খেয়ে তাকে জলাতঙ্ক ভ্যাকসিন নিতে হয়েছে। একই এলাকার শাহাদুল ইসলামের পরিবারের চারজনও বিড়ালের আঁচড়ে টিকা নিতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘শখের বসে বিড়াল পালনে বড় ঝুঁকিতে পড়তে হচ্ছে। তাই পোষা প্রাণীদেরও নিয়মিত টিকার আওতায় আনা উচিত।’

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শহীদ হোসেন বলেন, ‘ভ্যাকসিন পর্যাপ্ত থাকলেও রোগীর চাপ সামলানো কষ্টকর হয়ে পড়ছে। জলাতঙ্ক প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে হবে। শুধু কুকুর নয়, বিড়ালের আঁচড় বা কামড়ও সমান ঝুঁকিপূর্ণ। সময়মতো ভ্যাকসিন নেয়াই বাঁচার একমাত্র উপায়।’

প্রাণিসম্পদ বিভাগের ভেটেরিনারি অফিসার ডা. রুন্তম আলী বলেন, ‘বিড়ালের কামড় বা আঁচড় থেকেও জলাতঙ্ক ছড়ায়। তাই পোষা প্রাণীদের নিয়মিত টিকা দেয়া জরুরি।’

জয়পুরহাটের সিভিল সার্জন ডা. আল মামুন সতর্ক করে বলেন, ‘সময়মতো টিকা না নিলে জলাতঙ্কে মৃত্যুঝুঁকি শতভাগ। আক্রান্ত হলে দ্রুত ক্ষতস্থানে সাবান ও পানি দিয়ে ধুতে হবে এবং অবশ্যই ভ্যাকসিন নিতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd