• বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
ডিসি অফিসের মিটিংয়ের অজুহাতে অফিসে অনুপস্থিত? তানোর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে ঘিরে জনমনে প্রশ্ন সাংবাদিক রেজার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় জামিন, তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্ন আশুলিয়ায় হত্যা মামলার আসামি আওয়ামীলীগ নেতা হালিম গ্রেফতার ২৬৫ পিস ইয়াবাসহ ঢাকা জেলা ডিবি (উত্তর)-এর অভিযানে ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার সিলেটে সন্ধ্যা ৭ টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধ না করলে আইনগত ব্যবস্থা: এসএমপি কমিশনার বিএনপি শুধু প্রতিশ্রুতি দেয় না, বাস্তবায়নে বিশ্বাস করে: ড. জিয়াউদ্দিন তানোরে এক যুগ ধরে একে অপরকে জড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছে পাইকর ও খেজুর গাছ সিলেটে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, সহযোগী দুইজন পলাতক বাগেরহাটের রামপালে দূর্বৃত্তের হামলায় সাবেক যুবলীগ নেতা ইখলাস নিহত মধ্যনগরে ইসলামি ছাত্র পরিষদ বংশীকুন্ডা- এর উদ্যোগে ১০২ জন হাফেজকে সংবর্ধনা প্রদান

ডিসি অফিসের মিটিংয়ের অজুহাতে অফিসে অনুপস্থিত? তানোর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে ঘিরে জনমনে প্রশ্ন

Reporter Name / ১৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬

হামিদুর রহমান, তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি:

রাজশাহীর তানোর উপজেলা কৃষি অফিসের উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহমেদের নিয়মিত অফিস কার্যক্রম নিয়ে স্থানীয় কৃষক ও সেবাপ্রার্থীদের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, তিনি প্রায়ই জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ে মিটিংয়ের কথা বলে অফিসে অনুপস্থিত থাকেন, যার ফলে কৃষি বিভাগের বিভিন্ন সেবা গ্রহণে সাধারণ কৃষকরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১ জুন ও ২ জুন টানা দুই দিন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অফিসে উপস্থিত ছিলেন না। এ সময় বিভিন্ন প্রয়োজনে কৃষি অফিসে আসা কৃষক ও সেবাপ্রার্থীরা কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করতে না পেরে হতাশ হয়ে ফিরে যান। অফিসে যোগাযোগ করলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীরা জানান, “স্যার দুই দিন ধরে অফিসে আসেননি।” তবে তিনি কোথায় আছেন বা কখন অফিসে ফিরবেন সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেননি তারা। এদিকে বিষয়টি সম্পর্কে বক্তব্য জানার জন্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহমেদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার অনুপস্থিতির কারণ কিংবা অভিযোগের বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় কয়েকজন কৃষক জানান, কৃষি সংক্রান্ত বিভিন্ন পরামর্শ, প্রণোদনা, কৃষি উপকরণ বিতরণ, মাঠ পর্যায়ের সমস্যা এবং সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচি সম্পর্কে জানতে প্রায়ই উপজেলা কৃষি অফিসে যেতে হয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে না পাওয়ায় তাদের সময় ও অর্থ দুটোই নষ্ট হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কৃষক বলেন, “আমরা কৃষি অফিসে গেলে অনেক সময় কর্মকর্তাকে পাই না। শুনি মিটিংয়ে গেছেন। কিন্তু যদি দিনের পর দিন অফিসে না থাকেন, তাহলে কৃষকদের সমস্যার কথা শুনবেন কে? সচেতন মহলের দাবি, সরকারি দায়িত্বে থাকা একজন কর্মকর্তার নিয়মিত অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে কৃষিপ্রধান এলাকার কৃষকদের সেবা প্রদানের স্বার্থে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যক্রম আরও জবাবদিহিতার আওতায় আনা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় কৃষক, সেবাপ্রার্থী ও সচেতন নাগরিকরা। তারা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার অনুপস্থিতির প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান এবং অফিস কার্যক্রমে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।তবে সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুযায়ী, অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহমেদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd