• শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদে মইনীয়া যুব ফোরামের মানববন্ধন, নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি তানোরে অনুমতি ছাড়াই গভীর রাতে মাটি উত্তোলন: প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ সিলেটের দক্ষিণ সুরমা এলাকার কিনব্রিজের নিচে সুইপার কলোনী যেন ধীরে ধীরে পরিণত হচ্ছে মাদকের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে   ডিবি (উত্তর) অভিযানে ১ কেজি ৫০০গ্রাম গাঁজাসহ ৪ জন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আশুলিয়া জামগড়ার শীর্ষ সন্ত্রাসী হিমেল মীরকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪ বুড়িচং এ ৪৭তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত রাজশাহীর তানোরে বাম্পার বোরো ফলন সোনালী স্বপ্নে বিভোর কৃষক, তবে দুশ্চিন্তায় বাজার ও মৎস্যজীবীরা বিদায় অনুষ্ঠানে আবেগঘন মুহূর্ত, ভান্ডারিয়ায় সংবর্ধিত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকবৃন্দ আনোয়ারায় তীব্র বিদ্যুৎ সংকট, দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা! ডিবি (উত্তর)-এর পৃথক অভিযানে ১.৫ কেজি গাঁজাসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

চট্টগ্রামের র‍্যাব-৭ কার্যালয়ে এএসপির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার

Reporter Name / ২৩৯ Time View
Update : বুধবার, ৭ মে, ২০২৫

সালমান চৌধুরী, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম :

চট্টগ্রামের চাঁন্দগাও র‍্যাব-৭ কার্যালয় থেকে সহকারী পরিচালক (এএসপি) পলাশ সাহার গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি র‍্যাব-৭ এ কর্মরত ছিলেন। আজ বুধবার ৭ মে দুপুরে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। র‍্যাব-৭ এর সিইও লে. হাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পলাশ সাহা ৩৭তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে পুলিশে যোগ দেন। তার বাড়ি গোপালগঞ্জে। পুলিশ বলছে, পারিবারিক কলহের জেরে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে আত্মহত্যা করেছেন পলাশ সাহা।

সূত্রে জানা যায়, নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (উত্তর) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ঘটনাস্থলে পরিবারের বিষয়ে তার লেখা একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। সকালে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মুঠোফোনে কথাও বলেছেন তিনি। প্রাথমিকভাবে ধারণ করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পলাশ সাহার কক্ষে পাওয়া চিরকুটে লেখা রয়েছে, ‘আমার মৃত্যুর জন্য মা এবং স্ত্রী কেউ দায়ী না। আমিই নিজই দায়ী। কাউকে ভালো রাখতে পারলাম না। বউ যেন সব সোনা নিয়ে যায় এবং ভালো থাকে। মায়ের দায়িত্ব দুই ভাইয়ের ওপর। তারা যেন মাকে ভালো রাখে। স্বর্ণ বাদে যা আছে তা মায়ের জন্য। দিদি যেন কো-অর্ডিনেট করে।’

এই সমাজ খুবই স্বার্থপর কেউ যেন আপন নয়। নিজ পরিবারের কাজে একটি চিরকুট লিখে এই র‍্যাব সদস্য নিজেই আত্মহত্যা করেন। মানসিক শান্তি টা বড়ই অভাব বর্তমান সমাজের। নিজের পরিবার থেকে মানসিক শান্তি না পেলে, কর্মস্থলে, বা অন্য কোথাও মানসিক শান্তি পাওয়া যায় না। তাই একজন পরিবারের সদস্যের সব সময় তার পরিবারের কাছ থেকে মানসিক শান্তিটা পাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পরিবারের মানসিক শান্তিটা বড় সাপোর্ট।

রিপোর্ট : সালমান চৌধুরী, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম।
তাং: ০৭/০৫/২৫ইং।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd