• সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
শ্রীপুর থানা প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি ঘোষণা: সভাপতি আশরাফুল, সম্পাদক ফরহাদ, সাংগঠনিক আশিকুর চৌহাট্টায় নির্মাণাধীন ট্রাফিক পুলিশ বক্সের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করলেন এসএমপি কমিশনার বাগেরহাটে মধুদিয়া ইচ্ছাময়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দুই দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত ভাণ্ডারিয়ায় জ্বালানি তেল সরবরাহ ও মূল্য স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ১৬ বছরের সংগ্রাম কাঁধে ঝাঁকা ডালি, স্বপ্ন শুধু পরিবারের সঙ্গে শেষ জীবন দৌলতখানে জেলেদের চালে ‘থাবা’ বরাদ্দ ৮০ কেজি, পেলেন মাত্র ৫০! আনোয়ারায় এখন তিনটি সার কারখানায় বন্ধ (ডিএপি) কুমিল্লার বুড়িচংয়ে অবৈধ অকটেন বিক্রি: জরিমানা, তেল জব্দ সিলেটের আলমপুর এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ০৫ জন গ্রেফতার! বুড়িচং প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ  ফুটবল টুর্নামেন্ট  অনুষ্ঠিত

কুমিল্লা টাওয়ার হাসপাতালে দায়িত্বহীনতা: রোগী ভোগান্তির চরম উদাহরণ

Reporter Name / ৪৬৫ Time View
Update : শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

মোঃ শাহজাহান বাশার, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার

আজ (তারিখ) দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় প্রমাণিত হলো—কুমিল্লা টাওয়ার হাসপাতালে রোগীরা চরম অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বহীনতার শিকার। পরিবারের একজন অসুস্থ থাকায় হাসপাতালে উপস্থিত হই।

দুপুর ২টায় সিরিয়াল পাওয়ার পর আধা ঘণ্টার মধ্যেই সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, হেল্প ডেস্কের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি একই সঙ্গে রক্ত সংগ্রহের কাজ করায় পাঁচ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। হেল্প ডেস্কে গিয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, তাঁর দুটি কাজ থাকায় ডেস্কে বসা সম্ভব হয় না।

এরপর ইনচার্জ হিসেবে পরিচয় পাওয়া গিয়াস সাহেবকে খুঁজে রিপোর্ট রুমে যাই। মাথায় টুপি ও সুন্নতি পোশাকে দাড়িওয়ালা ভদ্রলোক নিজেকে গিয়াস সাহেব পরিচয় দিয়ে জানান, তিনি বিষয়টি দেখছেন। আমার সাংবাদিক পরিচয় জানার পর তিনি নরম সুরে শান্ত থাকার অনুরোধ করেন এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।

তবে মূল প্রশ্ন হচ্ছে—ডাক্তাররা রোগীদের চিকিৎসায় মনোযোগী হতে চাইলে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মচারীদের দায়িত্বহীনতার কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না। এর ফলে হাসপাতালের বদনাম দিন দিন বেড়েই চলছে। এটি কেবল কুমিল্লা টাওয়ার নয়, বাংলাদেশের প্রায় সব হাসপাতালেই একই চিত্র দেখা যায়।

যদি স্থানীয় সাংবাদিক, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সহকর্মীরা প্রতিদিন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে একটু নজর রাখেন, তাহলে কিছুটা হলেও এই অনিয়ম ও দালালচক্র বন্ধ হতে পারে। সাংবাদিকদের অনুসন্ধানী কাজের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উঠে আসলে রোগীরা সঠিক চিকিৎসা পাবেন, ডাক্তাররা নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন এবং হাসপাতালের মালিকগণও সঠিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত হবেন।

বিশেষ অনুরোধ:
কুমিল্লা টাওয়ার হাসপাতাল নিয়ে অনেক অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সিনিয়র ও সহকর্মী ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। দেশ ও মানুষের কল্যাণে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখবেন এবং সাধারণ মানুষকে সঠিক চিকিৎসা প্রদানে কার্যকর উদ্যোগ নেবেন—এটাই প্রত্যাশা। হাসপাতালের মালিকদের কাছেও অনুরোধ, আপনাদের প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সঠিক তথ্য জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd