• বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৩:১০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
তানোরের চান্দুরিয়া ইউনিয়ন বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রমমুক্ত ঘোষণা, সচেতনতা ধরে রাখার আহ্বান বাংলাদেশ সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কুমিল্লা জেলা কমিটি অনুমোদন, মো. শাহজাহান বাশার নির্বাহী সদস্য মনোনীত কুমিল্লায় ১১১ সদস্য বিশিষ্ট সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি অনুমোদন দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশের অভিযানে ১০০ (একশত) পিস ইয়াবাসহ ০১ (এক) জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার: সুইপার কলোনিতে নান্টুর মাদক সাম্রাজ্য সচল রেখেছে ভাই রিপন লাল নিউজ প্রকাশ করায় সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ ব্রাহ্মণপাড়া মোশারফ হোসেন খান চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত সিলেটে রহস্যজনক ভাবে স্ত্রীর সন্তান নিখোজ পুলিশের অভিযোগ ভান্ডারিয়ায় প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে তাৎক্ষণিক সহায়তা ১০ দিনেই উঠে যাচ্ছে নতুন রাস্তার পিচ! ফকিরহাটে নির্মাণকাজ নিয়ে প্রশ্ন, ধসে পড়েছে অংশবিশেষ— ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

কারখানা বন্ধে বাড়ছে বেকারত্ব, সরকারের নীরবতায় প্রশ্ন : জুলকারনাইন সায়ের

Reporter Name / ৪৮৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

মোঃ শাহজাহান বাশার

দেশে শিল্পকারখানা বন্ধের হার আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে অভিযোগ করেছেন সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪০০টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, ফলে চাকরি হারিয়েছেন প্রায় দেড় লাখ শ্রমিক।

বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই তথ্য তুলে ধরেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলোর বেশিরভাগই গার্মেন্টস, টেক্সটাইল ও স্পিনিং মিলস সংশ্লিষ্ট, যার মধ্যে রপ্তানিনির্ভর শিল্পও রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রত্যেক শ্রমিকের ওপর যদি তিনজন করে নির্ভরশীল সদস্য ধরা হয়, তাহলে প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষের জীবন-জীবিকা সরাসরি হুমকির মুখে পড়েছে। অথচ এই সংকট মোকাবিলায় সরকারের কার্যকর কোনো উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়।

জুলকারনাইন সায়ের আরও জানান, সরকারের নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য দেশের সব টেক্সটাইল মিল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক ছাত্র সংগঠনগুলো রাজনৈতিক ইস্যুতে যেভাবে সোচ্চার, শ্রমিকদের এই দুর্দশায় তাদের তেমন কোনো কার্যকর ভূমিকা চোখে পড়ছে না। এতে করে ‘ক্ষমতা না জনতা’ স্লোগানের বাস্তবতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd