• সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
ভান্ডারিয়ায় প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে তাৎক্ষণিক সহায়তা ১০ দিনেই উঠে যাচ্ছে নতুন রাস্তার পিচ! ফকিরহাটে নির্মাণকাজ নিয়ে প্রশ্ন, ধসে পড়েছে অংশবিশেষ— ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী কবিতাঃ ভুলিনি মুক্তিযুদ্ধ সংবাদ প্রকাশের জেরে আশুলিয়ায় সাংবাদিক খোকন হাওলাদার কে হুমকি ৭ নম্বর ওয়ার্ডে মোহাম্মদ সেলিম মিয়া ওরফে “ল্যাংড়া সেলিম” গ্রেপ্তার সরকারি রেল ইস্টাপ নানটু লালের মাদকের সাম্রাজ্য সুইপার কলোনী কামরাঙ্গীরচরে বাসায় চুরির অভিযোগ, একজন আটক—অন্যজন পলাতক বুড়িচং.পারুয়ারা আবদুল মতিন খসরু কলেজের বার্ষিক দোয়া ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে সাংবাদিক পরিবারের ৩৪ শতক পৈত্রিক জমি দখলের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ তদন্ত চলছে ভান্ডারিয়া সমন্বিত কৃষিতে সফলতার দৃষ্টান্ত, বার্ষিক আয় প্রায় ১৫ লাখ

১০ দিনেই উঠে যাচ্ছে নতুন রাস্তার পিচ! ফকিরহাটে নির্মাণকাজ নিয়ে প্রশ্ন, ধসে পড়েছে অংশবিশেষ— ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

Reporter Name / ৩৪ Time View
Update : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬

মোঃ হাফিজুর রহমান বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি

বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার ব্রাহ্মণরাকদিয়া গ্রামে সরকারি অর্থায়নে নির্মিত একটি নতুন পাকা সড়ক উদ্বোধনের অল্প সময়ের মধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, নির্মাণ শেষ হওয়ার মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই রাস্তার বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে যেতে শুরু করেছে। একই সঙ্গে সড়কের একটি অংশ ধসে পড়ার ঘটনাও এলাকাজুড়ে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিংগাতি মোড় থেকে খান জাহানপুর মোহাম্মাদিয়া সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার সামনে হয়ে ব্রাহ্মণরাকদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কিছুটা সামনে পর্যন্ত সড়কটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন করা হয়। দীর্ঘদিনের ভোগান্তির পর এলাকাবাসী একটি টেকসই সড়ক পাওয়ার আশা করেছিলেন। তবে নির্মাণ শেষ হওয়ার পর অল্প সময়েই দৃশ্যমান ত্রুটি দেখা দেওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে কাজের মান নিয়ে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাস্তার উপরিভাগে দেওয়া কার্পেটিং অত্যন্ত দুর্বল হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে সহজেই পিচ উঠে যাচ্ছে। তাদের দাবি, বাইরে থেকে রাস্তা নতুন ও মানসম্মত মনে হলেও বাস্তবে প্রয়োজনীয় মান ও পরিমাণে বিটুমিন ব্যবহার করা হয়নি। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের কারণেই অল্প সময়ের মধ্যে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কারিগরি তদন্ত ছাড়া চূড়ান্তভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।
শুধু পিচ উঠে যাওয়া নয়, স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী রাস্তার একটি অংশ পাশের পুকুরের দিকে ধসে পড়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ওই অংশে রাস্তা সুরক্ষায় স্থায়ী প্রতিরোধব্যবস্থা গ্রহণ না করে অস্থায়ীভাবে সুপারি গাছ ও বাঁশ ব্যবহার করা হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে পারেনি।
এছাড়াও স্থানীয়দের দাবি, সড়কের একটি অংশ পুরোনো একটি কালভার্টের ওপর নতুনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। তাদের আশঙ্কা, বহু বছরের পুরোনো ওই কাঠামোর সক্ষমতা যাচাই ছাড়া নতুন রাস্তা নির্মাণ করায় ভবিষ্যতে এটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন,
“দীর্ঘদিন কষ্ট করার পর আমরা একটি ভালো ও টেকসই রাস্তার প্রত্যাশা করেছিলাম। কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই যদি রাস্তার পিচ উঠে যায় এবং অংশ ধসে পড়ে, তাহলে সাধারণ মানুষ উন্নয়নের সুফল পাবে কীভাবে?”
এলাকাবাসী দ্রুত তদন্ত করে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি নির্মাণকাজে কোনো অনিয়ম, অবহেলা বা দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। তাদের প্রত্যাশা— সরকারি অর্থে বাস্তবায়িত উন্নয়ন প্রকল্পে গুণগত মান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হোক, যাতে জনগণ প্রকৃত উন্নয়নের সুফল পায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd