স্টাফ রিপোর্টার্স সেলিম রেজা :
আশুলিয়ায় ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে একটি সুপার মার্কেটে হামলা, ব্যাপক ভাঙচুর এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি চক্রের বিরুদ্ধে। গত ২৯শে মার্চ (রবিবার) রাতে ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়া মীর বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. মোস্তফা মীর (৫৫) বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জামগড়া মীর বাড়ি এলাকার মোস্তফা মীর সুপার মার্কেটের মালিক মোস্তফা মীরের কাছে বিগত ৩ মাস ধরে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল স্থানীয় মো. হিমেল মীর (২৮) ও তার সহযোগীরা। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা মার্কেটের ব্যবসায়ীদের ব্যবসা করতে দেবে না বলে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৯শে মার্চ রাত আনুমানিক ৯টার দিকে হিমেল মীরের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোস্তফা মীরের বাড়িতে অর্তকিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা বাড়ির জানালার গ্লাস এবং পাশে থাকা মোস্তফা মীর সুপার মার্কেটের ১২টি দোকান ঘর ভাঙচুর করে। এতে প্রায় ১২ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, হামলা চলাকালীন আসামিরা মোস্তফা মীরের বড় ছেলের স্ত্রীকে একা পেয়ে শ্লীলতাহানি করে এবং তার পরনের কাপড় টানা-হেঁচড়া করে। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
এ ঘটনায় ৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন— মো. হিমেল মীর (২৮), মো. ইউসুফ (২০), মো. খাইরুল (৩০), মো. জামাল (৪২) এবং মোছাঃ নুপুর বেগম (২৬)।
ভুক্তভোগী মোস্তফা মীর জানান, “চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে আমাকে হয়রানি করছে। চাঁদা না দেওয়ায় তারা আমার মার্কেটে হামলা ও পরিবারের সদস্যদের লাঞ্ছিত করেছে। আমি প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার ও জানমালের নিরাপত্তা চাই।
আশুলিয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।