শামিম রেজা
আমি ভিনদেশি নই, আমি অবিনাশী বাঙালী।
আমি সবুজ বৃক্ষের সেই আমরন্ত পাতাগুলি,
আমি বাংলার মাটি,বাংলার নদী,সমুদ্রের ঢেউ।
আমি ৭১-এ যুদ্ধ করা কনো এক শহিদের কেউ,
আমি পদ্না, আমি মেঘনা, আমি যুমানার জল।
অবিরাম হিল্লোলে বাংলাকে করা সেই উওল।
আমি আত্নঘাতি, আমি সংঘবদ্ধ, আমি সংযম।
আমি নজরুলের কবিতা লেখার প্রতিবাদি কলম,
আমি রবি ঠাকুর,জসিম উদ্দিনের কাব্যগুলি
আমি জাহানারা ইমামের লেখা ৭১- এর দিনগুলি।
আমি বৈশাখ, আমি শীত, হেমন্তের আগমন,
আমি খাল, আমি বিল আর পাহারের দূর্গম।
আমি সোনালী আঁশ,আমি সোনালী ধানের খেত।
আমি অজয়,আমি দূর্জয় আমি হার না মানা জেদ,
আমি গোলাপ , আমি পদ্ন, আমি শাপলার কুরি।
আমি রুপকার, আমি গল্পকথক আমি চাদের বুড়ি।
আমি একান্ন আমি ঊনষত্তর আমি ছিষষ্টির ৬ দফা।
আমি কালনেঘ ভেদ করে আসা সূর্যের লাল আভা।
আমি ষাটগম্বুজ, আমি পাহারপুর, রমনার বটমূল।
আমি সূর্যের দিকে তাকিয়ে ফোটা সেই সূর্যমূখি ফুল,
আমি আক্ষয়,আমি অনন্ত, আপসহীন নির্ভিক যোদ্ধা,
আমি মুজিব শত শহস্র মানবের ত্বরে রয়েছে যার শ্রদ্ধা।
আমি মেঠোপথ,আমি দূর্গত, আমি চলন্ত পথ বহুদূর।
আমি শীতের সকালে ভেসে আসা অতিথি পাখির সূর!
আমি বুধা, আমি জাহানারা ইমামের ছেলে হারা মা,
আমি কায়েদি,প্রতিবাদের ত্বরে জেলে পরিয়াছে যার পা।
আমি প্রতিবাদি বুলেট, আমি বাঙ্কার, আমি মুক্তির সংগ্রাম,
আমি বঙ্গজমিনে পরতে থাকা কর্মশালা কৃষকের ঘাম।
আমি জনাক পঙ্খি, অধার পথের পাচরে জ্বলে যার বাতি
আমি শর্শ ফুলের ডগায় বসে থাকা সেই রঙিন পজাপতি,
আমি নৌকা, আমি গরুর পাল, আমি হুক্কার উরন্ত ধোয়া,
আমি রখালের বাশির শুর হৃদয়ের পরসে শিতল হাওয়া।
আমি বাংলা চর্যাপদ আমি উনপঞ্চাশ অক্ষরের ভাষা
মাতৃভূমির মুখপানে চেয়ে জাগাই অগ্নি সাহসের আশা।
আমি উড়ন্ত,আমি জীবন্ত, আমি অনন্ত বাংলার প্রতাকা,
আমি ছবি, সাত কোটি শিল্পির নয় মাসে যার চিত্র আকা।
আমি আজন্ম, আমি অবিরাম, আমি অফুরুন্ত অশেষ
বুঝেছো আমি কে? আমিই যে বাংলাদেশ।