• মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০১:১৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
তানোরে এক যুগ ধরে একে অপরকে জড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছে পাইকর ও খেজুর গাছ সিলেটে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, সহযোগী দুইজন পলাতক বাগেরহাটের রামপালে দূর্বৃত্তের হামলায় সাবেক যুবলীগ নেতা ইখলাস নিহত মধ্যনগরে ইসলামি ছাত্র পরিষদ বংশীকুন্ডা- এর উদ্যোগে ১০২ জন হাফেজকে সংবর্ধনা প্রদান বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ জিয়ার নেতৃত্বেই স্বাধীন বাংলাদেশের ভিত্তি সুদৃঢ় হয়েছে —- গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মনজুর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত বীর মুক্তিযোদ্ধা সুবেদার (অব.) হাফিজ উদ্দিন মাইঝাইল বেপারীপাড়ায় অনূর্ধ্ব-১৬ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন গোপালবাড়ী একাদশ বুড়িচংয়ে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উদযাপিত দৌলতখানে শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত ১৯৯১ এসএসসি ব্যাচ শশীদল ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

সালথায় উৎসবমুখর পরিবেশে হালি পেঁয়াজের চারা রোপন চলছে

Reporter Name / ৪১২ Time View
Update : শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

মোঃ ইলিয়াছ খান ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি

দৈনিক যুগান্তর বাংলাদেশ পত্রিকা:

পেঁয়াজের রাজধানী খ্যাত ফরিদপুরে সালথায় হালি পেঁয়াজে রোপনের ধুম পড়েছে। এখানকার কৃষকদের প্রধান অর্থকারী মসলা জাতীয় ফসল পিঁয়াজ। এর চাষ করে বছরের অর্থনৈতিক চাহিদা মিটিয়ে থাকেন তারা। যে কারণে তীব্র শীত আর ঘন কুয়াশা উপেক্ষা করে প্রতিদিন খুব সকালে মাঠে নামেন কৃষকেরা। সবগুলো জমিতে ই দল বেঁধে পেঁয়াজ উৎপাদনের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা মোটকথা দম ফেলানোর মত সময় পাচ্ছেন না কৃষকেরা।
সংশ্লিষ্ট কৃষি অফিসার সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি মৌসুমে সালথা উপজেলায় ১২০০ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ফরিদপুর জেলার মধ্যে সালথায় বেশি হালি পেঁয়াজ চাষ হয়ে থাকে। তবে গত বছর উৎপাদিত পেঁয়াজের আশানুরূপ দাম না পাওয়া কৃষকরা এবার অন্য ফসল আবাদ করছেন বলে জানা গেছে। সর জমিনে উপজেলার অনেক জায়গায় গিয়ে দেখা যায় ঠান্ডা কুয়াশা কে উপেক্ষা করে খুব সকালে একটা জমিতে দু একজন করে শ্রমিক ছোট হাত নাঙ্গল দিয়ে জমি ফোড়া মাটির ফাঁক দিয়ে দিচ্ছেন আর ২৫ – ৩০ থেকে জনের একদল শ্রমিক সারিবদ্ধ ভাবে বসে সেখানে পিঁয়াজের চারা রোপন করছেন। অন্যদিকে আরো এক দল শ্রমিক পেঁয়াজের চারা (হালি) উত্তোলন করে এনে জমিতে কর্মরত শ্রমিকদের হাতে ধরিয়ে দিচ্ছেন। এরপর জমিতে চারা রোপনের কাজ শেষ হবার সঙ্গে সঙ্গেই শ্যালো মেশিন দিয়ে জমিতে সেচ ও সার – ঔষধ ছিটিয়ে দেয়া হচ্ছে। এভাবেই চলছে পুরো এলাকায় পেঁয়াজ আমাদের কাজ। সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের নটখোলা গ্রামের হারুন ঠাকুর বলেন, এবার আমি ১৩ কেজি পেঁয়াজের বীর্য রোপন করেছিলাম। সেখান থেকে যে তারা উৎপাদিত হয়েছে, তা দিয়ে আমি ১৩ থেকে ১৪ বিঘা জমিতে হালি পেঁয়াজ রোপন করেছি। প্রতি বিঘা জমিতে ২০- ২৫ থেকে হাজার টাকা মত খরচ হচ্ছে। কিন্তু বাজারে পেঁয়াজের যে দাম, এই দাম চলমান থাকলে পেঁয়াজ আবাদ করে আমাদের লোকশান গুনতে হবে। আশা করি এবার পেঁয়াজের ফলন ও দাম ভালো পাবো।

উপজেলার আরেক কৃষক ফুকরা গ্রামের মোঃ বিলাল মাতুব্বর বলেন, আমাদের এলাকায় বেশিরভাগ মানুষ পাটও পেঁয়াজের ওপর নির্ভরশীল। এই দুটি ফসল ভালো হলে সারা বছর ভালো থাকি, আর খারাপ হলে আমরাও খারাপ থাক। গত বছর পেঁয়াজ আবাদ করে লোকশান হয়েছে আমাদের। তারপরেও এবার ঝুঁকি নিয়ে হালি পেঁয়াজ চাষ করছি।

সালথা উপজেলার কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সুদর্শন শিকদার বলেন, সালথা উপজেলা পেঁয়াজের জন্য বিখ্যাত। এই উপজেলায় এ বছর পেঁয়াজ আমাদের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১২০০০ হেক্টর। ধারণা করা হচ্ছে লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করবে। বর্তমানে চলছে পেঁয়াজের হালি রোপনের কাজ, আমরা প্রতিনিয়ত চাষীদের সব ধরনের পরামর্শ দিয়ে আসছি এবং ভবিষ্যতে ও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd