• রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
তানোরে ভারী বৃষ্টিতে মাটির দোতলা বাড়ির দেয়াল ধসে গৃহবধূর মৃত্যু তানোরে সরকারি পানির পাম্পের তার কেটে বোরিং নষ্টের অভিযোগ নাগেশ্বরীতে এক ব্যাক্তির ম/র/দে/হ উদ্ধার করেছে পুলিশ সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কুমিল্লা জেলা শাখার মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কারাগারে বন্দিদের জন্য ভিডিও কল, সপ্তাহে একবার ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ফকিরহাটের ডহর মৌভগে নৌকা বাইচ অনুস্ঠিত হত্যা মামলায় প্রধান অভিযুক্ত মুশা,দীর্ঘদিনেও গ্রেপ্তার না হওয়ায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ধামসোনার নারী ভোটারদের সাথে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইসরাফিল হোসেন এর মতবিনিময় সভা খাড়াতাইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এমপি জসীম উদ্দিনকে সংবর্ধনা ও অভিভাবক সমাবেশ নাগেশ্বরীতে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের মঙ্গল শোভা যাত্রা

তানোরে শিব নদীর বাঁধ ঘেঁষে গড়ে উঠছে হাঁস খামার

Reporter Name / ৩৬৩ Time View
Update : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

হামিদুর রহমান,তানোর রাজশাহী প্রতিনিধি:

রাজশাহীর তানোর উপজেলার শিব নদীর বাঁধ ঘেঁষে গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি হাঁসের খামার। প্রাকৃতিক পরিবেশ ও বিলের উন্মুক্ত জলাশয়কে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় খামারিরা কম খরচে হাঁস পালন করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিলে ছেড়ে দেওয়া হয় হাঁসের ঝাঁক। সেখান থেকেই হাঁস খাবার সংগ্রহ করে বেড়ে উঠছে, ফলে অতিরিক্ত খাদ্য ব্যয় তুলনামূলক অনেক কম হচ্ছে।

আজ বুধবার (১৩ মে) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শিব নদীর বাঁধ সংলগ্ন বিলজুড়ে শত শত হাঁস দলবদ্ধভাবে খাবার খুঁজে বেড়াচ্ছে। খামারিদের ব্যস্ত সময় কাটছে হাঁস দেখভাল ও ডিম সংগ্রহে। স্থানীয়ভাবে এই উদ্যোগ এখন বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
খামারি মামুন ও লুৎফর জানান, তাদের বাড়ি তানোর উপজেলার কৃষ্ণপুর এলাকায়। তারা যৌথভাবে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ১ হাজার ৪০০ হাঁস পালন করছেন। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২৫০টি ডিম উৎপাদন হচ্ছে তাদের খামারে। এসব ডিম স্থানীয় বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করা হয়।
খামারি মামুন বলেন,
“আমরা সকালেই হাঁসগুলো বিলে ছেড়ে দিই। সারাদিন তারা প্রাকৃতিকভাবে খাবার খেয়ে বড় হয়। এতে খাবারের খরচ অনেক কম লাগে। প্রতিদিন ডিম বিক্রি করে ভালো আয় হচ্ছে। দুইজন শ্রমিকের খরচ দিয়েও আমাদের লাভ থাকে।”
অপর খামারি লুৎফর বলেন,
“সরকারিভাবে যদি আর্থিক সহায়তা, সহজ শর্তে ঋণ কিংবা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়, তাহলে আমরা আরও বড় পরিসরে হাঁস পালন করতে পারব। এতে এলাকার মানুষের মাংস ও ডিমের চাহিদা পূরণেও ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।”
স্থানীয়রা জানান, শিব নদীর আশপাশের জলাবদ্ধ বিল ও প্রাকৃতিক পরিবেশ হাঁস পালনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে অনেকেই এখন হাঁস খামারের দিকে ঝুঁকছেন। এতে গ্রামীণ অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
এ বিষয়ে তানোর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. ওয়াজেদ আলী বলেন,
“আমরা খামারিদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি। তাদের কোনো সমস্যা হলে প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র ও সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে। হাঁস পালন লাভজনক হওয়ায় অনেকেই এখন এ খাতে আগ্রহী হচ্ছেন।”
তিনি আরও বলেন,
“প্রাকৃতিক পরিবেশে হাঁস পালন খামারিদের জন্য লাভজনক একটি উদ্যোগ। সরকারি সহায়তা ও প্রশিক্ষণ বাড়ানো গেলে এই অঞ্চলে হাঁস শিল্প আরও বিকশিত হবে।”
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, তানোরের বিস্তীর্ণ বিল ও জলাশয়কে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিতভাবে হাঁস পালন সম্প্রসারণ করা গেলে একদিকে যেমন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, অন্যদিকে দেশের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এই খাত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd