• শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
কৃষক স্মার্ট কার্ডে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন’ ভান্ডারিয়ায় কৃষক স্মার্ট কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন সিলেটে এসএমপির মাসব্যাপী মাদকবিরোধী র‌্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত বুড়িচংয়ে পুলিশের অভিযানে ১৮০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক দৌলতখানে শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যে পালিত হলো ‘শহিদ জুলাই দিবস সিলেটের কানাইঘাট থানা পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমানে বিভিন্ন ব্রান্ডের ভারতীয় সিগারেট ও টায়ারসহ গ্রেফতার- সম্পর্ক বদলে গেল একটি পলকে ব্রাহ্মণপাড়ায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে চুরির ঘটনায় জড়িত ৪ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে বেড়েছে ফার্মের মুরগির দাম: যা জানা গেল তারুণ্যের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগাতে ঢাবিতে ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ আয়োজন দক্ষিণ সুরমায় মাদকের স্বর্গরাজ্য: কিন ব্রিজ, সুইপার কলোনি ও কুমিল্লা পট্টিতে কোটি টাকার রমরমা ব্যবসা

ডেমাজানী কাছারী বাড়ি: শাজাহানপুরের ঐতিহ্যের এক প্রাচীন নিদর্শন

Reporter Name / ২৩৩ Time View
Update : বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫

মোঃ ফারুক সরকার,

জেলা প্রতিনিধি বগুড়া

বগুড়া জেলার শাজাহানপুর উপজেলার ডেমাজানী গ্রামে অবস্থিত ডেমাজানী কাছারী বাড়ি প্রায় তিন শতাধিক বছরের পুরনো এবং এটি শাজাহানপুরের অন্যতম ঐতিহাসিক স্থাপনা।
***প্রতিষ্ঠাতা ও পরিবার
ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী, বাড়িটি প্রতিষ্ঠা করেন জমিদার নৃসিংহ চক্রবর্তী, যিনি বলিহার রাজপরিবারের একজন প্রধান সদস্য ছিলেন। এই কাছারী বাড়ি মূলত প্রশাসনিক কাজের কেন্দ্র হিসেবে নির্মিত হয়েছিল। জমিদার নৃসিংহ চক্রবর্তী এখান থেকে এলাকার গ্রাম ও খাজনা প্রশাসন দেখাশোনা করতেন।
তার পরে বাড়ি পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন তাঁর উত্তরসূরিরা:
রাজেন্দ্র চক্রবর্তী
গোবিন্দ চক্রবর্তী
প্রেমনাথ চক্রবর্তী
তাঁরা স্থানীয় প্রশাসনিক কাজ ও ন্যায়বিচার, জমির হিসাব এবং কর আদায়ের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। বাড়ির আশেপাশে কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের থাকার জন্য পৃথক কক্ষ ছিল।

ব্যবহার ও গুরুত্ব
ডেমাজানী কাছারী বাড়ি শুধু জমিদার পরিবারের আবাসস্থল নয়; এটি ছিল প্রশাসনিক কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। স্থানীয় গ্রামবাসী এখানেই খাজনা পরিশোধ করতেন এবং নানা ধরনের প্রশাসনিক সমস্যা সমাধান হতো।
এ বাড়ির স্থাপত্যে পাকা দেয়াল, খিলান আকৃতির দরজা এবং প্রাচীন কারুকাজ ছিল। পাশাপাশি বাড়ির পাশেই ছিল একটি দিঘি এবং ছোট একটি মন্দির, যা আজও আংশিকভাবে দৃশ্যমান।

পরবর্তী ইতিহাস ও বর্তমান অবস্থা
১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর জমিদার পরিবার ভারতে চলে যান। এরপর বাড়িটি পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে এবং পরবর্তীতে সরকারি খাসজমি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
বর্তমানে এটি ঐতিহাসিক স্থাপনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং সরকারি দপ্তরের উদ্যোগে সংরক্ষণ বা পুনঃনির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

উপসংহার
ডেমাজানী কাছারী বাড়ি শাজাহানপুরের ইতিহাস ও সংস্কৃতির এক গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। জমিদার নৃসিংহ চক্রবর্তী এবং তাঁর উত্তরসূরিদের পরিচালনায় এই বাড়ি প্রায় তিন শতাব্দী ধরে গ্রামীণ প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করেছে। এটি আজও স্থানীয় ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করছে এবং সরকারের সংরক্ষণ উদ্যোগের মাধ্যমে ঐতিহ্য হিসেবে সংরক্ষণ করার দাবি এলাকাবাসীর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd